ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবার কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত সরকারের ১৭ হাজার মুসল্লির ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ ৭৮ দেশের সঙ্গে বৈঠক, হজ ব্যবস্থাপনায় বড় পরিকল্পনা সৌদির বিদ্যুৎ ও জ্বালানিতে ৩.৩ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ নিচ্ছে সরকার গুগলের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যে ১.৩৩ বিলিয়ন ডলারের মামলা এমপি নজরুলের জামিন হলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে, বললেন বিচারক মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির শ্রমবান্ধব সরকারের অগ্রাধিকার শ্রমিক অধিকার ও ব্যাপক কর্মসংস্থান: মাহ্দী আমিন

বড় প্রকল্পে বাণিজ্যিক ঋণ নেয়া হতে পারে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী ২০১৬
  • ৫৫৩ বার

ভবিষ্যতে দেশের বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পে (মেগা প্রজেক্ট) বৈদেশিক উৎস থেকে বাণিজ্যিক ঋণ নেয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেছেন, তবে সংকট তৈরি করে এমন কোনো ঋণ নেয়া হবে না।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে ঢাকায় সফররত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্বাহী পরিচালক সুবীর গোকার্নের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক ঋণ ছাড়া কোনো উপায় নেই। তবে আমরা এমন কোনো ঋণ নেব না যাতে ক্রাইসিস পিরিয়ড তৈরি হয়।”

বড় বড় প্রকল্পের জন্য এখন বিশ্বব্যাপী অনেক তহবিল আছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, “বিশ্বব্যাংক-এডিবির (এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক) সুদের হার অনেক নমনীয়। প্রয়োজনীয় যেকোনো পরিমাণ টাকা তারা দিলে আমরা তা নিতে প্রস্তুত।”

বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এডিবি থেকে নমনীয় সুদে যে ঋণ গ্রহণ করা হয় এর সুদের হার ১ শতাংশের মতো। অন্যদিকে বাণিজ্যিক ঋণ নেওয়া হলে এর সুদের হার দাঁড়ায় ৫ শতাংশের বেশি।

আইএমএফ প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, এটি একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ। তবে পারস্পরিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে তার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

আইএমএফের নতুন নির্বাহী পরিচালক হিসেবে যোগ দেওয়ার পর বাংলাদেশে এটাই প্রথম সফর সুবীর গোকার্নের। ভারত, বাংলাদেশ ও নেপালের প্রতিনিধিত্ব করছেন তিনি।

আইএমএফের প্রতিনিধিকে উদ্ধৃত করে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আজ (মঙ্গলবার) ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ সম্পর্কিত কনসালট্যান্ট রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা হবে। এখানে আইএমএফের অর্থায়নে যেসব প্রকল্প ইতিমধ্যে সম্পন্ন হবে সেগুলো নিয়েই আলোচনা হবে। এ আলোচনায় প্রকল্প বাস্তবায়নে যেসব দুর্বলতা রয়েছে সেগুলো উঠে আসতে পারে। তবে আমাদের সব প্রকল্প সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবার কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

বড় প্রকল্পে বাণিজ্যিক ঋণ নেয়া হতে পারে

আপডেট টাইম : ১১:৫২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী ২০১৬

ভবিষ্যতে দেশের বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পে (মেগা প্রজেক্ট) বৈদেশিক উৎস থেকে বাণিজ্যিক ঋণ নেয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেছেন, তবে সংকট তৈরি করে এমন কোনো ঋণ নেয়া হবে না।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে ঢাকায় সফররত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্বাহী পরিচালক সুবীর গোকার্নের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক ঋণ ছাড়া কোনো উপায় নেই। তবে আমরা এমন কোনো ঋণ নেব না যাতে ক্রাইসিস পিরিয়ড তৈরি হয়।”

বড় বড় প্রকল্পের জন্য এখন বিশ্বব্যাপী অনেক তহবিল আছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, “বিশ্বব্যাংক-এডিবির (এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক) সুদের হার অনেক নমনীয়। প্রয়োজনীয় যেকোনো পরিমাণ টাকা তারা দিলে আমরা তা নিতে প্রস্তুত।”

বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এডিবি থেকে নমনীয় সুদে যে ঋণ গ্রহণ করা হয় এর সুদের হার ১ শতাংশের মতো। অন্যদিকে বাণিজ্যিক ঋণ নেওয়া হলে এর সুদের হার দাঁড়ায় ৫ শতাংশের বেশি।

আইএমএফ প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, এটি একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ। তবে পারস্পরিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে তার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

আইএমএফের নতুন নির্বাহী পরিচালক হিসেবে যোগ দেওয়ার পর বাংলাদেশে এটাই প্রথম সফর সুবীর গোকার্নের। ভারত, বাংলাদেশ ও নেপালের প্রতিনিধিত্ব করছেন তিনি।

আইএমএফের প্রতিনিধিকে উদ্ধৃত করে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আজ (মঙ্গলবার) ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ সম্পর্কিত কনসালট্যান্ট রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা হবে। এখানে আইএমএফের অর্থায়নে যেসব প্রকল্প ইতিমধ্যে সম্পন্ন হবে সেগুলো নিয়েই আলোচনা হবে। এ আলোচনায় প্রকল্প বাস্তবায়নে যেসব দুর্বলতা রয়েছে সেগুলো উঠে আসতে পারে। তবে আমাদের সব প্রকল্প সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।”