ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

ক্ষতিগ্রস্ত অর্ধকোটি মানুষ বন্যা ছড়িয়েছে ৩৩ জেলায়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৩৪:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২০
  • ৩২৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পদ্মা ও যমুনা নদীর পানি কমতে থাকায় দেশের অনেক জেলায় বন্যা পরিস্থিতি ক্রমেই উন্নতির দিকে যাচ্ছে। তবে এরই মধ্যে ৩৩ জেলার ১৬৫ উপজেলার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবারের বন্যায়। এতে ৯ লাখের বেশি পরিবারের প্রায় অর্ধকোটি মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। আর বন্যায় এ পর্যন্ত দেড় শতাধিক মানুষের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।

ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে গত ২৬ জুন থেকে বন্যা শুরু হয়। এরপর পরিস্থিতির কিছু উন্নতি হওয়ার পর ১১ জুলাই থেকে দ্বিতীয় দফায় পানি বাড়ে। সর্বশেষ ২১ জুলাই থেকে তৃতীয় দফায় পানি বাড়তে শুরু করে। এরপর গত কিছুদিন ধরে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে বিস্তৃত বন্যা পরিস্থিতি যখন কিছুটা উন্নতির দিকে তখন ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি আবার বাড়তে শুরু করায় আগস্টের শেষে আবার বন্যা হতে পারে বলে আভাস মিলেছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় দুর্যোগ সাড়াদান ও সমন্বয় কেন্দ্রের ওয়েবসাইটে সোমবার পর্যন্ত দেয়া তথ্যে দেখা গেছে, এবারের বন্যায় দেশের ৩৩টি জেলার নয় লাখ ৭৪ হাজার ৩১৩টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এসব পরিবারের ৫৪ লাখ ৫১ হাজার ৫৮১ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১৬৫টি উপজেলা বন্যাকবলিত হয়েছে। উপদ্রুত ইউনিয়নের সংখ্যা এক হাজার ৬৬টি। বন্যায় এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৪৩ জন। মারা যাওয়াদের বেশিরভাগই শিশু। তারা পানিতে ডুবে মারা গেছে। জামালপুরে সবচেয়ে বেশি ১৫ জন বন্যায় পানিতে ডুবে মারা গেছেন।

আর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ন্যাশনাল হেলথ ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেন্টারের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ৩০ জুন থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত চলমান বন্যায় পানিতে ডুবে ও নানা কারণে দেড় শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

এর মধ্যে ৩০ জুন থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত পানিতে ডুবে, ডায়রিয়ায়, সাপের কামড়ে ও বজ্রপাতে ১৬১ জনের মৃত্যুর তথ্য নিয়ন্ত্রণ কক্ষে নথিভুক্ত হয়েছে। এরমধ্যে পানিতে ডুবে ১৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। বজ্রপাতে মারা গেছে ১৩ জন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্য অনুযায়ী বন্যা কবলিত জেলাগুলো হলো- লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নীলফামারী, রংপুর, সুনামগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, জামালপুর, সিলেট, টাঙ্গাইল, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর, নেত্রকোনা, নওগাঁ, শরীয়তপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, নাটোর, হবিগঞ্জ, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, মৌলভীবাজার, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ ও পাবনা জেলা বন্যাকবলিত হয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

দুর্যোগ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বন্যাকবলিত ৩৩টি জেলায় এক হাজার ২৯৫টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয় কেন্দ্রে ৪০ হাজার ৩৬০ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। আশ্রয় কেন্দ্রে আনা গবাদি পশুর সংখ্যা ৬৭ হাজার ৪০৮টি।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বন্যাদুর্গত এলাকায় এ পর্যন্ত ১৯ হাজার ৫০০ টন ত্রাণের চাল, চার কোটি ২৭ লাখ টাকা, শিশুখাদ্য কেনা বাবদ এক কোটি ৫৪ লাখ টাকা, গো-খাদ্য কেনা বাবদ তিন কোটি ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া এক লাখ ৬৮ হাজারটি শুকনা খাবারের প্যাকেট, ৪০০ বান্ডিল ঢেউটিন এবং গৃহ নির্মাণের জন্য ১২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

দুর্যোগ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বন্যাকবলিত ৩৩টি জেলায় এক হাজার ২৯৫টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয় কেন্দ্রে ৪০ হাজার ৩৬০ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। আশ্রয় কেন্দ্রে আনা গবাদি পশুর সংখ্যা ৬৭ হাজার ৪০৮টি।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের মঙ্গলবারের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার ছয়টি নদীর পানি সাতটি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

যেসব এলাকায় বিপদৎসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে তা হলো- গুড় নদীর পানি সিংড়া, ধলেশ্বরী নদীর পানি এলাসিন ও জাগিরে, তুরাগ নদীর পানি মিরপুর, টঙ্গী খালের পানি টঙ্গী, কালীগঙ্গার পানি তারাঘাট এবং পদ্মার পানি গোয়ালন্দে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, ব্রহ্মপুত্র নদের পানির বৃদ্ধি পাচ্ছে, অপরদিকে যমুনা নদীর পানি কমছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে।

এছাড়া আগামী ২৪ ঘণ্টায় নাটোর, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী এবং ফরিদপুর জেলার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। একই সঙ্গে, এ সময়ে ঢাকা সিটি করপোরেশন সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলেও জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

ক্ষতিগ্রস্ত অর্ধকোটি মানুষ বন্যা ছড়িয়েছে ৩৩ জেলায়

আপডেট টাইম : ০৫:৩৪:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পদ্মা ও যমুনা নদীর পানি কমতে থাকায় দেশের অনেক জেলায় বন্যা পরিস্থিতি ক্রমেই উন্নতির দিকে যাচ্ছে। তবে এরই মধ্যে ৩৩ জেলার ১৬৫ উপজেলার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবারের বন্যায়। এতে ৯ লাখের বেশি পরিবারের প্রায় অর্ধকোটি মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। আর বন্যায় এ পর্যন্ত দেড় শতাধিক মানুষের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।

ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে গত ২৬ জুন থেকে বন্যা শুরু হয়। এরপর পরিস্থিতির কিছু উন্নতি হওয়ার পর ১১ জুলাই থেকে দ্বিতীয় দফায় পানি বাড়ে। সর্বশেষ ২১ জুলাই থেকে তৃতীয় দফায় পানি বাড়তে শুরু করে। এরপর গত কিছুদিন ধরে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে বিস্তৃত বন্যা পরিস্থিতি যখন কিছুটা উন্নতির দিকে তখন ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি আবার বাড়তে শুরু করায় আগস্টের শেষে আবার বন্যা হতে পারে বলে আভাস মিলেছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় দুর্যোগ সাড়াদান ও সমন্বয় কেন্দ্রের ওয়েবসাইটে সোমবার পর্যন্ত দেয়া তথ্যে দেখা গেছে, এবারের বন্যায় দেশের ৩৩টি জেলার নয় লাখ ৭৪ হাজার ৩১৩টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এসব পরিবারের ৫৪ লাখ ৫১ হাজার ৫৮১ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১৬৫টি উপজেলা বন্যাকবলিত হয়েছে। উপদ্রুত ইউনিয়নের সংখ্যা এক হাজার ৬৬টি। বন্যায় এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৪৩ জন। মারা যাওয়াদের বেশিরভাগই শিশু। তারা পানিতে ডুবে মারা গেছে। জামালপুরে সবচেয়ে বেশি ১৫ জন বন্যায় পানিতে ডুবে মারা গেছেন।

আর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ন্যাশনাল হেলথ ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেন্টারের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ৩০ জুন থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত চলমান বন্যায় পানিতে ডুবে ও নানা কারণে দেড় শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

এর মধ্যে ৩০ জুন থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত পানিতে ডুবে, ডায়রিয়ায়, সাপের কামড়ে ও বজ্রপাতে ১৬১ জনের মৃত্যুর তথ্য নিয়ন্ত্রণ কক্ষে নথিভুক্ত হয়েছে। এরমধ্যে পানিতে ডুবে ১৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। বজ্রপাতে মারা গেছে ১৩ জন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্য অনুযায়ী বন্যা কবলিত জেলাগুলো হলো- লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নীলফামারী, রংপুর, সুনামগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, জামালপুর, সিলেট, টাঙ্গাইল, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর, নেত্রকোনা, নওগাঁ, শরীয়তপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, নাটোর, হবিগঞ্জ, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, মৌলভীবাজার, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ ও পাবনা জেলা বন্যাকবলিত হয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

দুর্যোগ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বন্যাকবলিত ৩৩টি জেলায় এক হাজার ২৯৫টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয় কেন্দ্রে ৪০ হাজার ৩৬০ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। আশ্রয় কেন্দ্রে আনা গবাদি পশুর সংখ্যা ৬৭ হাজার ৪০৮টি।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বন্যাদুর্গত এলাকায় এ পর্যন্ত ১৯ হাজার ৫০০ টন ত্রাণের চাল, চার কোটি ২৭ লাখ টাকা, শিশুখাদ্য কেনা বাবদ এক কোটি ৫৪ লাখ টাকা, গো-খাদ্য কেনা বাবদ তিন কোটি ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া এক লাখ ৬৮ হাজারটি শুকনা খাবারের প্যাকেট, ৪০০ বান্ডিল ঢেউটিন এবং গৃহ নির্মাণের জন্য ১২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

দুর্যোগ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বন্যাকবলিত ৩৩টি জেলায় এক হাজার ২৯৫টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয় কেন্দ্রে ৪০ হাজার ৩৬০ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। আশ্রয় কেন্দ্রে আনা গবাদি পশুর সংখ্যা ৬৭ হাজার ৪০৮টি।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের মঙ্গলবারের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার ছয়টি নদীর পানি সাতটি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

যেসব এলাকায় বিপদৎসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে তা হলো- গুড় নদীর পানি সিংড়া, ধলেশ্বরী নদীর পানি এলাসিন ও জাগিরে, তুরাগ নদীর পানি মিরপুর, টঙ্গী খালের পানি টঙ্গী, কালীগঙ্গার পানি তারাঘাট এবং পদ্মার পানি গোয়ালন্দে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, ব্রহ্মপুত্র নদের পানির বৃদ্ধি পাচ্ছে, অপরদিকে যমুনা নদীর পানি কমছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে।

এছাড়া আগামী ২৪ ঘণ্টায় নাটোর, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী এবং ফরিদপুর জেলার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। একই সঙ্গে, এ সময়ে ঢাকা সিটি করপোরেশন সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলেও জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র।