ঢাকা ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

খুলনা-মোংলা রেললাইন নির্মাণ, প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির লাগাম টানুন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৩২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২০
  • ৩০৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রকল্পটি গ্রহণ করার সময় নির্দিষ্ট মেয়াদ ধরা হয়েছিল ৩ বছর; কিন্তু তারপর একাধিকবার সময় বাড়ানোর পর সাড়ে ১০ বছর পেরিয়ে গেলেও অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ৬৩ শতাংশ।

তারপরও ২০২১ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হয় কিনা, তা দেখার বিষয়। এ ক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় উল্লেখ করার মতো, তা হল এটি বাংলাদেশ ও ভারতের ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানি বাস্তবায়ন করছে।

এর মধ্যে বাংলাদেশি কোম্পানির কাজের অগ্রগতি ভালো হলেও ভারতের কোম্পানির কাজের অগ্রগতি কম। একই প্রকল্পে ভিন্ন দেশের কোম্পানির কাজের সমস্যা কোথায় তা দেখার বিষয়।

প্রকল্পের ত্রুটি-বিচ্যুতি ও সমস্যা তুলে ধরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) থেকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সেই মোতাবেক রেলপথ মন্ত্রণালয় কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে প্রকল্পটি বর্ধিত যথাসময়ে শেষ করবে, এটাই প্রত্যাশা।

কেবল উল্লেখিত প্রকল্পেই নয়, দেশে প্রায় সব প্রকল্পেই সময় ও ব্যয় বাড়ানো যেন রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। এর পেছনে ঠিকাদারদের গাফিলতি, অনিয়ম-দুর্নীতিসহ দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদেরও দায় থাকে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন নির্ভর করে যথাসময়ে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের ওপর।

গত মার্চে এডিপি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ১৫টি প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে আইএমইডি; কিন্তু তারপরই সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা- করোনা মহামারী দেখা দেয় দেশে। এখন করোনার কারণে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জসহ ১৬টি চ্যালেঞ্জ নিয়ে এডিপি বাস্তবায়নের পথে হাঁটতে হবে।

পূর্বপরিকল্পিতভাবে এগুলোর সমাধান করা গেলে প্রকল্প বাস্তবায়ন কঠিন না হয়ে অনেকটাই সহজ হয়ে যাওয়ার কথা। এ ছাড়া বিদেশি অর্থায়নে চলা প্রকল্পে দাতাদের শর্ত, পূর্ণকালীন প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ না দেয়াসহ সব বিষয়ে সুষ্ঠু পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে।

খুলনা-মোংলা পোর্ট রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পেও জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত জটিলতার কথা এসেছে। এটিসহ সব প্রকল্পে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ দূর করে যথাসময়ে কাজ শেষ করার ওপর জোর দিতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

খুলনা-মোংলা রেললাইন নির্মাণ, প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির লাগাম টানুন

আপডেট টাইম : ০৯:৩২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রকল্পটি গ্রহণ করার সময় নির্দিষ্ট মেয়াদ ধরা হয়েছিল ৩ বছর; কিন্তু তারপর একাধিকবার সময় বাড়ানোর পর সাড়ে ১০ বছর পেরিয়ে গেলেও অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ৬৩ শতাংশ।

তারপরও ২০২১ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হয় কিনা, তা দেখার বিষয়। এ ক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় উল্লেখ করার মতো, তা হল এটি বাংলাদেশ ও ভারতের ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানি বাস্তবায়ন করছে।

এর মধ্যে বাংলাদেশি কোম্পানির কাজের অগ্রগতি ভালো হলেও ভারতের কোম্পানির কাজের অগ্রগতি কম। একই প্রকল্পে ভিন্ন দেশের কোম্পানির কাজের সমস্যা কোথায় তা দেখার বিষয়।

প্রকল্পের ত্রুটি-বিচ্যুতি ও সমস্যা তুলে ধরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) থেকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সেই মোতাবেক রেলপথ মন্ত্রণালয় কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে প্রকল্পটি বর্ধিত যথাসময়ে শেষ করবে, এটাই প্রত্যাশা।

কেবল উল্লেখিত প্রকল্পেই নয়, দেশে প্রায় সব প্রকল্পেই সময় ও ব্যয় বাড়ানো যেন রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। এর পেছনে ঠিকাদারদের গাফিলতি, অনিয়ম-দুর্নীতিসহ দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদেরও দায় থাকে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন নির্ভর করে যথাসময়ে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের ওপর।

গত মার্চে এডিপি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ১৫টি প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে আইএমইডি; কিন্তু তারপরই সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা- করোনা মহামারী দেখা দেয় দেশে। এখন করোনার কারণে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জসহ ১৬টি চ্যালেঞ্জ নিয়ে এডিপি বাস্তবায়নের পথে হাঁটতে হবে।

পূর্বপরিকল্পিতভাবে এগুলোর সমাধান করা গেলে প্রকল্প বাস্তবায়ন কঠিন না হয়ে অনেকটাই সহজ হয়ে যাওয়ার কথা। এ ছাড়া বিদেশি অর্থায়নে চলা প্রকল্পে দাতাদের শর্ত, পূর্ণকালীন প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ না দেয়াসহ সব বিষয়ে সুষ্ঠু পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে।

খুলনা-মোংলা পোর্ট রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পেও জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত জটিলতার কথা এসেছে। এটিসহ সব প্রকল্পে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ দূর করে যথাসময়ে কাজ শেষ করার ওপর জোর দিতে হবে।