বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় অবস্থিত দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন করেছেন। তিন দিনের উত্তরবঙ্গ সফরের অংশ হিসেবে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত সফরসঙ্গীদের নিয়ে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমাড়ি ইউনিয়নে অবস্থিত তিস্তা অবসর রেস্ট হাউজে পৌঁছান।
এর আগে সকালে তিনি ঢাকা থেকে আকাশপথে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। তিন দিনের এই সফরে তিনি লালমনিরহাট ও পঞ্চগড় ছাড়াও ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর এবং নীলফামারীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করবেন।
রেস্ট হাউজের সম্মেলন কক্ষে পৌঁছানোর পর তিনি স্থানীয় প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সভায় তিস্তা ব্যারেজ পরিচালনা কার্যক্রম, পানি বণ্টন ব্যবস্থা এবং উত্তর অঞ্চলের বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন।
মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক রুহুল আমিন, উত্তরাঞ্চল রংপুরের প্রধান প্রকৌশলী ড. সরফরাজ বান্দ, রংপুর সার্কেল-১ এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবীব, সার্কেল-২ এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান, ডালিয়া পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চন্দ্র, হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দীপজন মিত্র এবং ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরানুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া নীলফামারী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন, নীলফামারী জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন চৌধুরীসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এই সভায় অংশ নেন।
সভা শেষে দুপুরে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন তিস্তা ব্যারেজের কন্ট্রোল রুম ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি তিস্তা নদীর বর্তমান পানির স্তর, সেচ ক্যানেলে পানি সরবরাহ প্রক্রিয়া এবং ব্যারেজের সার্বিক কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। পরে তিনি ব্যারেজের মূল সেতু পায়ে হেঁটে পরিদর্শন করেন। শেষে দুপুর ২টায় তিনি পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টের উদ্দেশ্যে তিস্তা ব্যারেজ এলাকা ত্যাগ করেন।
Reporter Name 






















