ঢাকা ১০:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

তামিম ইকবালের একার লড়াইয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৩৬

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৫৬:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২০
  • ৩৪০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ হারলেই ট্রফি হাতছাড়া। জিতলে সিরিজে ফেরার সুযোগ। এমন কঠিন সমীকরণের ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে যায় বাংলাদেশ। স্লো মোশন ব্যাটিং আর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনের কারণে সম্মানজনক স্কোর গড়তে পারেনি বাংলাদেশ।

তামিম ইকবালের একক প্রচেষ্টায় শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৩৬ রান তুলতে সক্ষম হয় টাইগাররা। ইনিংস ওপেন করতে নেমে ১৭.৪ ওভারে রান আউট হয়ে ফেরেন তামিম। তার আগে ৫৩ বল খেলে ৭টি চার ও এক ছক্কায় দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৫ রান করে ফেরেন দেশসেরা এ ওপেনার।

বাংলাদেশ প্রথম ৫ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ২৭ রান। ইনিংসের ১০ ওভারে টাইগারদের সংগ্রহ ৫৭/৩ রান। ১৫ ওভারে দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮৮/৪ রান আর বিশ ওভারে বাংলাদেশ করে ১৩৬/৬ রান।

সিরিজ জয়ে পাকিস্তানের প্রয়োজন ১৩৭ রান। এর আগে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে স্বাগতিক পাকিস্তান ৫ উইকেটে জয় পেয়েছিল।

শনিবার পাকিস্তানের লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

শনিবার প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে দলীয় ৫ রানে ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। প্রথম ওয়ানডেতে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করা নাঈম এদিন ফেরেন গোল্ডেন ডাকে। শাহীন শাহ আফ্রিদির বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন তিনি।

ওয়ান ডাউনে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংস মেরামত করতে পারেননি মেহেদি হাসান। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ায়ের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নেমে সুবিধা করতে পারেননি তিনি। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে সিলেটে শ্রীলংকার বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচে ১১ রানে আউট হওয়া এ অলরাউন্ডার দুই বছর পর জাতীয় দলে ফিরে করেন ১২ বলে মাত্র ৯ রান।

৪.২ ওভারে দলীয় ২২ রানে মোহাম্মদ হাসনাইনের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন মেহেদী। তার আগে ১২ বলে একটি ছক্কায় ৯ রান করে ফেরেন তিনি।

হাসনাইনের করা ওই ওভারের পঞ্চম বলে ক্যাচ তুলে দেন দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। কিন্তু সরফরাজের বদলে দলে জায়গা পাওয়া উইকেটকিপার মোহাম্মদ রিজওয়ান কটবিহাইন্ড করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু ক্যাচটি তিনি গ্লাভস বন্দি করতে পারেননি। ১৬ রানে লাইফ পান তামিম।

চার নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে দলের হাল ধরতে পারেননি জাতীয় দলের ওপেনার লিটন কুমার দাস। ১৪ বলে মাত্র ৮ রান করে শাদাব খানের ঘূর্ণি বলে বিভ্রান্ত হয়ে ফেরেন তিনি। তার বিদায়ের মধ্য দিয়ে ৪১ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

১৪.১ ওভারে দলীয় ৮৪ রানে মোহাম্মদ হাসনাইনের আবেদনে সারা দিয়ে তামিম ইকবালকে এলবিউব্লিউ আউট দেন আম্পায়ার। ৪৪ রানে ব্যাটিংয়ে থাকা তামিম রিভিউ নিয়ে সফল হন।

হাসনাইনের করা ওই ওভারের চতুর্থ বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে থার্ডম্যানে দাঁড়িয়ে থাকা হারিস রউফের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন আফিফ হোসেন। তার আগে ২০ বলে এক চার ও সমান ছক্কায় ২১ রান করেন তিনি। তার বিদায়ে ১৪.৪ ওভারে ৮৬ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

ইনিংসের শুরু থেকে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে যাওয়া তামিম ৪৪তম বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। ফিফটির পর হাত খুলে খেলার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন তিনি। ১৭.৪ ওভারে দলীয় ১১৭ রানে রান আউট হয়ে ফেরেন তিনি। তার আগে করেন ৫৩ বলে ৬৫ রান।

ইনিংসের শেষ ওভারে হারিস রউফের করা প্রথম বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন মাহমুদউল্লাহ। দলীয় ১২৬ রানে ১২ বলে ১২ রানে ফেরেন তিনি। এরপর আমিনুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলে যান সৌম্য সরকার। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৩৬ রানে ইনিংস গুটায় বাংলাদেশ। ৪ বলে ৮ আর ৫ বলে ৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন বিপ্লাট ও সৌম্য।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মিঠামইনে উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা, আহত আরও একজন

তামিম ইকবালের একার লড়াইয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৩৬

আপডেট টাইম : ০৪:৫৬:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ হারলেই ট্রফি হাতছাড়া। জিতলে সিরিজে ফেরার সুযোগ। এমন কঠিন সমীকরণের ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে যায় বাংলাদেশ। স্লো মোশন ব্যাটিং আর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনের কারণে সম্মানজনক স্কোর গড়তে পারেনি বাংলাদেশ।

তামিম ইকবালের একক প্রচেষ্টায় শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৩৬ রান তুলতে সক্ষম হয় টাইগাররা। ইনিংস ওপেন করতে নেমে ১৭.৪ ওভারে রান আউট হয়ে ফেরেন তামিম। তার আগে ৫৩ বল খেলে ৭টি চার ও এক ছক্কায় দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৫ রান করে ফেরেন দেশসেরা এ ওপেনার।

বাংলাদেশ প্রথম ৫ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ২৭ রান। ইনিংসের ১০ ওভারে টাইগারদের সংগ্রহ ৫৭/৩ রান। ১৫ ওভারে দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮৮/৪ রান আর বিশ ওভারে বাংলাদেশ করে ১৩৬/৬ রান।

সিরিজ জয়ে পাকিস্তানের প্রয়োজন ১৩৭ রান। এর আগে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে স্বাগতিক পাকিস্তান ৫ উইকেটে জয় পেয়েছিল।

শনিবার পাকিস্তানের লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

শনিবার প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে দলীয় ৫ রানে ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। প্রথম ওয়ানডেতে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করা নাঈম এদিন ফেরেন গোল্ডেন ডাকে। শাহীন শাহ আফ্রিদির বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন তিনি।

ওয়ান ডাউনে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংস মেরামত করতে পারেননি মেহেদি হাসান। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ায়ের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নেমে সুবিধা করতে পারেননি তিনি। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে সিলেটে শ্রীলংকার বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচে ১১ রানে আউট হওয়া এ অলরাউন্ডার দুই বছর পর জাতীয় দলে ফিরে করেন ১২ বলে মাত্র ৯ রান।

৪.২ ওভারে দলীয় ২২ রানে মোহাম্মদ হাসনাইনের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন মেহেদী। তার আগে ১২ বলে একটি ছক্কায় ৯ রান করে ফেরেন তিনি।

হাসনাইনের করা ওই ওভারের পঞ্চম বলে ক্যাচ তুলে দেন দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। কিন্তু সরফরাজের বদলে দলে জায়গা পাওয়া উইকেটকিপার মোহাম্মদ রিজওয়ান কটবিহাইন্ড করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু ক্যাচটি তিনি গ্লাভস বন্দি করতে পারেননি। ১৬ রানে লাইফ পান তামিম।

চার নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে দলের হাল ধরতে পারেননি জাতীয় দলের ওপেনার লিটন কুমার দাস। ১৪ বলে মাত্র ৮ রান করে শাদাব খানের ঘূর্ণি বলে বিভ্রান্ত হয়ে ফেরেন তিনি। তার বিদায়ের মধ্য দিয়ে ৪১ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

১৪.১ ওভারে দলীয় ৮৪ রানে মোহাম্মদ হাসনাইনের আবেদনে সারা দিয়ে তামিম ইকবালকে এলবিউব্লিউ আউট দেন আম্পায়ার। ৪৪ রানে ব্যাটিংয়ে থাকা তামিম রিভিউ নিয়ে সফল হন।

হাসনাইনের করা ওই ওভারের চতুর্থ বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে থার্ডম্যানে দাঁড়িয়ে থাকা হারিস রউফের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন আফিফ হোসেন। তার আগে ২০ বলে এক চার ও সমান ছক্কায় ২১ রান করেন তিনি। তার বিদায়ে ১৪.৪ ওভারে ৮৬ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

ইনিংসের শুরু থেকে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে যাওয়া তামিম ৪৪তম বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। ফিফটির পর হাত খুলে খেলার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন তিনি। ১৭.৪ ওভারে দলীয় ১১৭ রানে রান আউট হয়ে ফেরেন তিনি। তার আগে করেন ৫৩ বলে ৬৫ রান।

ইনিংসের শেষ ওভারে হারিস রউফের করা প্রথম বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন মাহমুদউল্লাহ। দলীয় ১২৬ রানে ১২ বলে ১২ রানে ফেরেন তিনি। এরপর আমিনুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলে যান সৌম্য সরকার। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৩৬ রানে ইনিংস গুটায় বাংলাদেশ। ৪ বলে ৮ আর ৫ বলে ৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন বিপ্লাট ও সৌম্য।