ঢাকা ০১:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কারাগারেই ১৫ মাসে কোরআনে হাফেজ হলেন মাদক পাচারকারী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫০:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০১৯
  • ৩০৭ বার

তুরস্কে এক মাদক পাচারকারী কারাগারে থাকা অবস্থায় কোরআনে হাফেজ হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন। আব্দুল কাদের গিলানি নামের ওই ব্যক্তি কারাদণ্ড শেষ হওয়ার আগেই মাত্র ১৫ মাসে পুরো কোরআনুল কারিম মুখস্থ করেন।

তুর্কি গণমাধ্যম ইয়েনি শাফাক জানায়, মাদক পাচারের অপরাধে আব্দুল কাদের গিলানিকে ১৮ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। তিনি দেশটির কেনিয়া কারাগারে বন্দি ছিলেন।

জানা গেছে, দেড় বছর সাজা ভোগ করার পর তিনি সিদ্ধান্ত নেন, পুরো কোরআনুল কারিম মুখস্থ করবেন। মাদকের অন্ধকার জগত থেকে আলোর পথে ফেরার সকল্প করেন আব্দুল কাদের গিলানি।

এই বন্দি কারাগারে আরো ১৩ জন কয়েদিকে কোরআন হেফজ করার পদ্ধতি সম্পর্কে বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। যাতে কারাগারে কোরআন হেফজের এ পদ্ধতি চালু থাকে। তারাও পবিত্র কোরআন মুখস্ত করতে সক্ষম হয়েছেন।

আব্দুল কাদের গিলানি বলেন, আমাকে ১৮ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। সাজা পাওয়ার পর আমার বিশ্বাস জন্মে যে, এ সাজার মধ্যে কল্যাণ নিহিত রয়েছে। তবে আমি কখনোই চিন্তা করেনি একদিন আমি পুরো কোরআন হেফজ করতে সক্ষম হবো।

তিনি আরো বলেন, আদালতে যেদিন আমার অপরাধের রায় ঘোষণা করা হয় সেদিনই কোরআন মুখস্থ করার সিদ্ধান্ত নেই। কারাগারের দায়িত্বশীলরা এ বিষয়ে আমাকে পুরোপুরি সহযোগিতা করেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

কারাগারেই ১৫ মাসে কোরআনে হাফেজ হলেন মাদক পাচারকারী

আপডেট টাইম : ১১:৫০:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০১৯

তুরস্কে এক মাদক পাচারকারী কারাগারে থাকা অবস্থায় কোরআনে হাফেজ হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন। আব্দুল কাদের গিলানি নামের ওই ব্যক্তি কারাদণ্ড শেষ হওয়ার আগেই মাত্র ১৫ মাসে পুরো কোরআনুল কারিম মুখস্থ করেন।

তুর্কি গণমাধ্যম ইয়েনি শাফাক জানায়, মাদক পাচারের অপরাধে আব্দুল কাদের গিলানিকে ১৮ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। তিনি দেশটির কেনিয়া কারাগারে বন্দি ছিলেন।

জানা গেছে, দেড় বছর সাজা ভোগ করার পর তিনি সিদ্ধান্ত নেন, পুরো কোরআনুল কারিম মুখস্থ করবেন। মাদকের অন্ধকার জগত থেকে আলোর পথে ফেরার সকল্প করেন আব্দুল কাদের গিলানি।

এই বন্দি কারাগারে আরো ১৩ জন কয়েদিকে কোরআন হেফজ করার পদ্ধতি সম্পর্কে বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। যাতে কারাগারে কোরআন হেফজের এ পদ্ধতি চালু থাকে। তারাও পবিত্র কোরআন মুখস্ত করতে সক্ষম হয়েছেন।

আব্দুল কাদের গিলানি বলেন, আমাকে ১৮ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। সাজা পাওয়ার পর আমার বিশ্বাস জন্মে যে, এ সাজার মধ্যে কল্যাণ নিহিত রয়েছে। তবে আমি কখনোই চিন্তা করেনি একদিন আমি পুরো কোরআন হেফজ করতে সক্ষম হবো।

তিনি আরো বলেন, আদালতে যেদিন আমার অপরাধের রায় ঘোষণা করা হয় সেদিনই কোরআন মুখস্থ করার সিদ্ধান্ত নেই। কারাগারের দায়িত্বশীলরা এ বিষয়ে আমাকে পুরোপুরি সহযোগিতা করেছেন।