ঢাকা ০৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

জি কে শামীমের সাত দেহরক্ষী মানি লন্ডারিং মামলায় গ্রেফতার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৩২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ২৬৫ বার

হাওর বার্তাঃ আলোচিত যুবলীগ নেতা জি কে শামীমের সাত দেহরক্ষীকে গুলশান থানায় দায়ের করা মানি লন্ডারিং মামলায় গ্রেফতার দেখিয়েছেন আদালত। গ্রেফতার দেহরক্ষীরা হলেন- দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় গুলশান থানায় মানি লন্ডারিং আইনে দায়ের করা মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারী আসামিদের ওই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।

অপরদিকে একই থানায় দায়ের হওয়া অস্ত্র মামলায় ওই সাতজনকে পৃথক আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

আসামিদের আইনজীবী তাদের জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম হাবীবুর রহমান চৌধুরী ওই সাতজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়ে জামিন শুনানির জন্য আগামী রোববার দিন ধার্য করেন।

এর আগে শনিবার অবৈধ অস্ত্র ও মাদক মামলায় আলোচিত যুবলীগ নেতা জি কে শামীমের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এর মধ্যে অস্ত্র মামলায় পাঁচদিন ও মাদক মামলায় পাঁচদিন। এছাড়া সাত দেহরক্ষীকে অস্ত্র মামলায় চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গত শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) যুবলীগ নেতা জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে আটক করে র‌্যাব। পরদিন শনিবার তাদের গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়।

ওই অভিযানে এক কোটি ৮০ লাখ নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ১৬৫ কোটি টাকার ওপর এফডিআর (স্থায়ী আমানত) পাওয়া যায়, যার মধ্যে তার মায়ের নামে ১৪০ কোটি ও ২৫ কোটি টাকা শামীমের নামে। একই সঙ্গে পাওয়া যায় মার্কিন ডলার, মাদক ও আগ্নেয়াস্ত্র।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

জি কে শামীমের সাত দেহরক্ষী মানি লন্ডারিং মামলায় গ্রেফতার

আপডেট টাইম : ১২:৩২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

হাওর বার্তাঃ আলোচিত যুবলীগ নেতা জি কে শামীমের সাত দেহরক্ষীকে গুলশান থানায় দায়ের করা মানি লন্ডারিং মামলায় গ্রেফতার দেখিয়েছেন আদালত। গ্রেফতার দেহরক্ষীরা হলেন- দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় গুলশান থানায় মানি লন্ডারিং আইনে দায়ের করা মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারী আসামিদের ওই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।

অপরদিকে একই থানায় দায়ের হওয়া অস্ত্র মামলায় ওই সাতজনকে পৃথক আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

আসামিদের আইনজীবী তাদের জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম হাবীবুর রহমান চৌধুরী ওই সাতজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়ে জামিন শুনানির জন্য আগামী রোববার দিন ধার্য করেন।

এর আগে শনিবার অবৈধ অস্ত্র ও মাদক মামলায় আলোচিত যুবলীগ নেতা জি কে শামীমের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এর মধ্যে অস্ত্র মামলায় পাঁচদিন ও মাদক মামলায় পাঁচদিন। এছাড়া সাত দেহরক্ষীকে অস্ত্র মামলায় চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গত শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) যুবলীগ নেতা জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে আটক করে র‌্যাব। পরদিন শনিবার তাদের গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়।

ওই অভিযানে এক কোটি ৮০ লাখ নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ১৬৫ কোটি টাকার ওপর এফডিআর (স্থায়ী আমানত) পাওয়া যায়, যার মধ্যে তার মায়ের নামে ১৪০ কোটি ও ২৫ কোটি টাকা শামীমের নামে। একই সঙ্গে পাওয়া যায় মার্কিন ডলার, মাদক ও আগ্নেয়াস্ত্র।