ঢাকা ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

আখ চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • ২৭৯ বার

হাওর বার্তাঃ শ্রীপুরে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে হলুদ রঙের আখ চাষ। বাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকায় লাভবান হচ্ছে চাষীরা। এ বছর আখের বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষক খুশি। আখের দামও ভাল পাচ্ছেন তারা। উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে এ আখের চাষ হয়ে থাকে। তবে ঘাসিয়াড়া গ্রামের হলুদ রঙের আখের চাহিদা ক্রেতার কাছে বেশি

এ কারণে প্রতিবছর কৃষকরা আখের চাষ বাড়াচ্ছেন। শ্রীপুর উপজেলার ঘাসিয়াড়া, কাদিরপাড়া, বরালিদহ, কমলাপুর, রায়নগরসহ অন্য গ্রামগুলোতে আখ চাষ হয়ে থাকে দীর্ঘ বছর ধরে।

কমলাপুর গ্রামের কৃষক বক্কার মোল্যা বলেন, এ বছর আমি ৫০ শতাংশের জমিতে হলুদ রঙের আখ চাষ করেছি। গত ২০ বছর ধরে এ আখের চাষ করছি। এটি খুব লাভজনক। ধান, পাট, রবিশস্য বা অন্য ফসল আবাদের চেয়ে আখ চাষে লাভ দ্বিগুণেরও বেশি। যে কারণে এলাকার কৃষকরা দিনদিন এ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

এ বছর বিক্রির মাধ্যমে ৫ লক্ষাধিক টাকার বেশি ঘরে তুলতে পারবো বলে আশা করছি। এ চাষে সার, কাটিং, সেচ, কীটনাশক ও শ্রমিক মজুরিসহ বিঘাপ্রতি খরচ হয়েছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা।

শ্রীপুর উপজেলার কাদিরপাড়া ইউনিয়নের ঘাসিয়াড়া ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হরিদাস রায় জানান, আমার এ ব্লকে প্রায় ৮০ বিঘা জমিতে স্থানীয় জাতের হলুদ রঙের আখের চাষ হয়েছে। এটি খুব লাভজনক, ফলনও ভাল। খেতে খুব মিষ্টি। লাল পচা রোগ ও মাজরা পোকার আক্রমণ ছাড়া এ আখে তেমন কোন রোগ বালাই হয়না বললেই চলে।

স্থানীয় কৃষি অফিসের মাধ্যমে আমরা কৃষকদের নানা পরামর্শ ও সেবা দিতে কাজ করে যাচ্ছি। হলুদ রঙের এ আখ চাষে অত্র এলাকার কৃষকরা বেশী আগ্রহী হচ্ছেন।

এদিকে কৃষকদের সার্বিক সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম জানান, হলুদ রঙের আখ নরম মিষ্টি চিবিয়ে খাওয়া সহজ। এ কারনে জনগনের কাছে খুবই প্রিয় খাবার।

এ আখকে বলা হয় চিউইং টাইপ সুগারক্যান।চলতিমৌসুমেশ্রীপুর উপজেলায় ৩০ হেক্টর জমিতে হলুদ রঙের আচাষেরলক্ষমাত্রাধার্যকরা হয়ে ছিল। আখ উৎপাদিত হয়েছে ২৭ হেক্টর জমিতে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

আখ চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের

আপডেট টাইম : ১১:০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯

হাওর বার্তাঃ শ্রীপুরে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে হলুদ রঙের আখ চাষ। বাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকায় লাভবান হচ্ছে চাষীরা। এ বছর আখের বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষক খুশি। আখের দামও ভাল পাচ্ছেন তারা। উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে এ আখের চাষ হয়ে থাকে। তবে ঘাসিয়াড়া গ্রামের হলুদ রঙের আখের চাহিদা ক্রেতার কাছে বেশি

এ কারণে প্রতিবছর কৃষকরা আখের চাষ বাড়াচ্ছেন। শ্রীপুর উপজেলার ঘাসিয়াড়া, কাদিরপাড়া, বরালিদহ, কমলাপুর, রায়নগরসহ অন্য গ্রামগুলোতে আখ চাষ হয়ে থাকে দীর্ঘ বছর ধরে।

কমলাপুর গ্রামের কৃষক বক্কার মোল্যা বলেন, এ বছর আমি ৫০ শতাংশের জমিতে হলুদ রঙের আখ চাষ করেছি। গত ২০ বছর ধরে এ আখের চাষ করছি। এটি খুব লাভজনক। ধান, পাট, রবিশস্য বা অন্য ফসল আবাদের চেয়ে আখ চাষে লাভ দ্বিগুণেরও বেশি। যে কারণে এলাকার কৃষকরা দিনদিন এ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

এ বছর বিক্রির মাধ্যমে ৫ লক্ষাধিক টাকার বেশি ঘরে তুলতে পারবো বলে আশা করছি। এ চাষে সার, কাটিং, সেচ, কীটনাশক ও শ্রমিক মজুরিসহ বিঘাপ্রতি খরচ হয়েছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা।

শ্রীপুর উপজেলার কাদিরপাড়া ইউনিয়নের ঘাসিয়াড়া ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হরিদাস রায় জানান, আমার এ ব্লকে প্রায় ৮০ বিঘা জমিতে স্থানীয় জাতের হলুদ রঙের আখের চাষ হয়েছে। এটি খুব লাভজনক, ফলনও ভাল। খেতে খুব মিষ্টি। লাল পচা রোগ ও মাজরা পোকার আক্রমণ ছাড়া এ আখে তেমন কোন রোগ বালাই হয়না বললেই চলে।

স্থানীয় কৃষি অফিসের মাধ্যমে আমরা কৃষকদের নানা পরামর্শ ও সেবা দিতে কাজ করে যাচ্ছি। হলুদ রঙের এ আখ চাষে অত্র এলাকার কৃষকরা বেশী আগ্রহী হচ্ছেন।

এদিকে কৃষকদের সার্বিক সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম জানান, হলুদ রঙের আখ নরম মিষ্টি চিবিয়ে খাওয়া সহজ। এ কারনে জনগনের কাছে খুবই প্রিয় খাবার।

এ আখকে বলা হয় চিউইং টাইপ সুগারক্যান।চলতিমৌসুমেশ্রীপুর উপজেলায় ৩০ হেক্টর জমিতে হলুদ রঙের আচাষেরলক্ষমাত্রাধার্যকরা হয়ে ছিল। আখ উৎপাদিত হয়েছে ২৭ হেক্টর জমিতে।