ঢাকা ০৮:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
রেজাউল করিম খান চুন্নুর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে কিশোরগঞ্জবাসীর খোলা চিঠি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব সাখাওয়াৎ হোসেন প্রশাসনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক জব্দ করা জাহাজে ইরানের জন্য ‘উপহার’ পাঠাচ্ছিল চীন, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে চীনের সহযোগিতা কামনা বিএনপির ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস গায়িকা-নায়িকাদের শো পিস না বানিয়ে ত্যাগীদের মূল্যায়ন, বিএনপিকে লাল সালাম বাড়ছে নদীর পানি : কৃষকদের দ্রুত ধান কাটার অনুরোধ সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিদের বেতন কত, আরও যেসব সুবিধা পান সরকার কৃত্রিম সংকট বা কারসাজি বরদাশত করবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী

নির্বাচনের রাজনীতি এখন ‘ধোঁকাবাজিতে’ : ব্যারিস্টার মঈনুল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৫
  • ৬৬৯ বার

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন বলেছেন, দলীয় রাজনীতির কারণে গণতন্ত্র আজ অসহায় হয়ে পড়েছে। নির্বাচনের রাজনীতি এখন ধোঁকাবাজির রাজনীতিতে পরিণত হয়েছে। শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের আট বছর’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। স্বেচ্ছাসেবী মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশন এ আলোচনা সভার আয়োজন করে্ মঈনুল হোসেন বলেন, দলীয় রাজনীতি আজ এমন একআ পর্যায়ে চলে গেছে— সাংবাদিক ও আইনজীবী থেকে শুরু করে সবাই আওয়ামী লীগ ও বিএনপিতে বিভক্ত। যার কারণেই গণতন্ত্র আজ অসহায় হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষা করতে হলে গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে হবে। গণতন্ত্র রক্ষার প্রথম সারির সৈনিক সাংবাদিক ও আইনজীবী। কিন্তু দুঃখের বিষয়, তারাও আজ দলীয় রাজনীতিতে জিম্মি। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি কোনো দলই বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে মাথা ঘামায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন বলেন, বিচার বিভাগের মাধ্যমে যেমন গণতন্ত্র হত্যা শুরু হয় তেমনিভাবে বিচার বিভাগ ধ্বংসের মাধ্যমেই স্বৈরশাসকও সৃষ্টি হয়। এটা নিয়ে কিছু বলতে চাই না। এটা একটি হাস্যকর ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, ধোঁকাবাজির রাজনীতির জন্য তো স্বাধীন বাংলাদেশে হওয়ার কথা ছিল না। এর জন্য তো বাংলাদেশ স্বাধীন হয়নি। আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান ড. এ আই মাহবুব উদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দীন আহমেদ। মুক্ত আলোচনায় আরো অংশ নেন— মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান, বিচারপতি আমিরুল কবির চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল বাসেত মজুমদার, সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক মুহম্মাদ শফিকুর রহমান প্রমুখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

রেজাউল করিম খান চুন্নুর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে কিশোরগঞ্জবাসীর খোলা চিঠি

নির্বাচনের রাজনীতি এখন ‘ধোঁকাবাজিতে’ : ব্যারিস্টার মঈনুল

আপডেট টাইম : ০৮:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৫

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন বলেছেন, দলীয় রাজনীতির কারণে গণতন্ত্র আজ অসহায় হয়ে পড়েছে। নির্বাচনের রাজনীতি এখন ধোঁকাবাজির রাজনীতিতে পরিণত হয়েছে। শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের আট বছর’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। স্বেচ্ছাসেবী মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশন এ আলোচনা সভার আয়োজন করে্ মঈনুল হোসেন বলেন, দলীয় রাজনীতি আজ এমন একআ পর্যায়ে চলে গেছে— সাংবাদিক ও আইনজীবী থেকে শুরু করে সবাই আওয়ামী লীগ ও বিএনপিতে বিভক্ত। যার কারণেই গণতন্ত্র আজ অসহায় হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষা করতে হলে গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে হবে। গণতন্ত্র রক্ষার প্রথম সারির সৈনিক সাংবাদিক ও আইনজীবী। কিন্তু দুঃখের বিষয়, তারাও আজ দলীয় রাজনীতিতে জিম্মি। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি কোনো দলই বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে মাথা ঘামায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন বলেন, বিচার বিভাগের মাধ্যমে যেমন গণতন্ত্র হত্যা শুরু হয় তেমনিভাবে বিচার বিভাগ ধ্বংসের মাধ্যমেই স্বৈরশাসকও সৃষ্টি হয়। এটা নিয়ে কিছু বলতে চাই না। এটা একটি হাস্যকর ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, ধোঁকাবাজির রাজনীতির জন্য তো স্বাধীন বাংলাদেশে হওয়ার কথা ছিল না। এর জন্য তো বাংলাদেশ স্বাধীন হয়নি। আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান ড. এ আই মাহবুব উদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দীন আহমেদ। মুক্ত আলোচনায় আরো অংশ নেন— মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান, বিচারপতি আমিরুল কবির চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল বাসেত মজুমদার, সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক মুহম্মাদ শফিকুর রহমান প্রমুখ।