ঢাকা ১২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ সফরে আসবেন মোদি, তারিখ নির্ধারণ হবে পরে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:১৯:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০১৯
  • ৪০৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরে আসবেন আবার। কবে নাগাদ তিনি এ সফরে আসবেন তা নির্ধারণ করা হবে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে। শুক্রবার বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ হায়দরাবাদ হাউজে সাক্ষাত করেন নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। এ সময় তিনি তাকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। তার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন মোদি।

দুপুরের দিকে দুই নেতার মধ্যে বৈঠক হলের বেশ কয়েক ঘন্টা পরে শুক্রবার রাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দেয়া হয়। তাতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সন্তুষ্টির সঙ্গে এ আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন মোদি। এ সময় দুই নেতাই একমত হন যে, এ সফরের তারিখ নির্ধারণ করা হবে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ওই সাক্ষাতের সময় দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় চমৎকার সম্পর্কের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অভিনন্দন পৌঁছে দেন। জানানো হয়, শেখ হাসিনা আগে থেকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সফরে ব্যস্ত থাকার কারণে এবারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন নি। ওই বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উল্লেখ করে বলেন, ভারতের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারে রয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ। গত ৫ বছরে দুই দেশ যথেষ্ট পরিপক্বতার পরিচয় দিয়েছে। সীমান্ত চিহ্নিতকরণসহ বেশ কিছু জটিল সমস্যার সমাধান করেছে ধৈর্য্যরে সঙ্গে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের নতুন মাত্রার কথা তুলে ধরেন জোর দিয়ে। এক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী যৌথভাবে উদযাপনে কথা বলা হয়। নরেন্দ্র মোদি সরকার ‘নেইবারহুড ফার্স্ট’ পলিসি গ্রহণ করেছে। সেই নীতির অধীনে তিনি পরবর্তীতে বাংলাদেশ সফরে আসবেন। আগামী ৮ ও ১০ই জুন তিনি যথাক্রমে মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা সফরে যাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এর আগে ২০১৫ সালের জুনে প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় প্রথম বাংলাদেশ সফর করেন মোদি। ওই সময় চার দশকেরও বেশি সময় ধরে দুই দেশের মধ্যে তিক্ত সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ সফরে আসবেন মোদি, তারিখ নির্ধারণ হবে পরে

আপডেট টাইম : ০৪:১৯:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরে আসবেন আবার। কবে নাগাদ তিনি এ সফরে আসবেন তা নির্ধারণ করা হবে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে। শুক্রবার বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ হায়দরাবাদ হাউজে সাক্ষাত করেন নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। এ সময় তিনি তাকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। তার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন মোদি।

দুপুরের দিকে দুই নেতার মধ্যে বৈঠক হলের বেশ কয়েক ঘন্টা পরে শুক্রবার রাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দেয়া হয়। তাতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সন্তুষ্টির সঙ্গে এ আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন মোদি। এ সময় দুই নেতাই একমত হন যে, এ সফরের তারিখ নির্ধারণ করা হবে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ওই সাক্ষাতের সময় দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় চমৎকার সম্পর্কের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অভিনন্দন পৌঁছে দেন। জানানো হয়, শেখ হাসিনা আগে থেকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সফরে ব্যস্ত থাকার কারণে এবারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন নি। ওই বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উল্লেখ করে বলেন, ভারতের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারে রয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ। গত ৫ বছরে দুই দেশ যথেষ্ট পরিপক্বতার পরিচয় দিয়েছে। সীমান্ত চিহ্নিতকরণসহ বেশ কিছু জটিল সমস্যার সমাধান করেছে ধৈর্য্যরে সঙ্গে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের নতুন মাত্রার কথা তুলে ধরেন জোর দিয়ে। এক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী যৌথভাবে উদযাপনে কথা বলা হয়। নরেন্দ্র মোদি সরকার ‘নেইবারহুড ফার্স্ট’ পলিসি গ্রহণ করেছে। সেই নীতির অধীনে তিনি পরবর্তীতে বাংলাদেশ সফরে আসবেন। আগামী ৮ ও ১০ই জুন তিনি যথাক্রমে মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা সফরে যাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এর আগে ২০১৫ সালের জুনে প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় প্রথম বাংলাদেশ সফর করেন মোদি। ওই সময় চার দশকেরও বেশি সময় ধরে দুই দেশের মধ্যে তিক্ত সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করেন।