ঢাকা ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

সাকার পক্ষে ৪ পাকিস্তানির সাক্ষ্য নিতে সুপ্রিমকোর্টে আবেদন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:০৬:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৫
  • ৫৪৯ বার

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর পক্ষে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য সাতজন দেশি-বিদেশির নাম উল্লেখ করে সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় একটি আবেদন করা হয়েছে, যার মধ্যে চারজনই পাকিস্তানি নাগরিক। অপর তিনজনের একজন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। এছাড়াও বাংলাদেশের হাইকোর্টের বিচারপতি শামীম হাসনাইন ও তার মা-ও সাকার পক্ষে সাক্ষ্য দেয়ার আবেদন জানিয়েছেন। তবে ৪ পাকিস্তানিসহ বিদেশি ৫ জনের নামীয় তালিকা পাওয়া যায়নি। সোমবার সকালে সুপ্রিম কোর্টে এ আবেদন জানানো হয়। সাকার আইনজীবী অ্যাডভোকেট হুজ্জাতুল ইসলাম খান আল ফেসানী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত ১৪ অক্টোবর সাকার আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করেন। ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর চেয়ারম্যান বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবীরের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে মৃত্যুদণ্ড দেন। বিএনপির এই নেতার বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা ২৩টি অভিযোগের মধ্যে চারটিতে তাকে ওই শাস্তি দেওয়া হয়। এছাড়া তিনটি অভিযোগে তাকে ২০ বছরের ও দুটি অভিযোগে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এরপর নিয়মমাফিক সাকাও ওই রায়ের বিরুদ্ধে যান আপিল বিভাগে। তবে সেখানেও তার সর্বোচ্চ সাজার রায়ই বহাল থাকে। ৩০ সেপ্টেম্বর মুজাহিদের সঙ্গে তারও মামলার রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করেন আপিল বিভাগ। এরপর দুজনের রায়েরই পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি একসঙ্গে আসে ট্রাইব্যুনালে। এরপর ১ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল মৃত্যু পরোয়ানা জারি করলে তা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছে দেয়া হয়। উল্লেখ্য, রিভিউ খারিজ হলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা করতে হবে সাকা চৌধুরীকে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

সাকার পক্ষে ৪ পাকিস্তানির সাক্ষ্য নিতে সুপ্রিমকোর্টে আবেদন

আপডেট টাইম : ০৯:০৬:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৫

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর পক্ষে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য সাতজন দেশি-বিদেশির নাম উল্লেখ করে সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় একটি আবেদন করা হয়েছে, যার মধ্যে চারজনই পাকিস্তানি নাগরিক। অপর তিনজনের একজন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। এছাড়াও বাংলাদেশের হাইকোর্টের বিচারপতি শামীম হাসনাইন ও তার মা-ও সাকার পক্ষে সাক্ষ্য দেয়ার আবেদন জানিয়েছেন। তবে ৪ পাকিস্তানিসহ বিদেশি ৫ জনের নামীয় তালিকা পাওয়া যায়নি। সোমবার সকালে সুপ্রিম কোর্টে এ আবেদন জানানো হয়। সাকার আইনজীবী অ্যাডভোকেট হুজ্জাতুল ইসলাম খান আল ফেসানী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত ১৪ অক্টোবর সাকার আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করেন। ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর চেয়ারম্যান বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবীরের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে মৃত্যুদণ্ড দেন। বিএনপির এই নেতার বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা ২৩টি অভিযোগের মধ্যে চারটিতে তাকে ওই শাস্তি দেওয়া হয়। এছাড়া তিনটি অভিযোগে তাকে ২০ বছরের ও দুটি অভিযোগে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এরপর নিয়মমাফিক সাকাও ওই রায়ের বিরুদ্ধে যান আপিল বিভাগে। তবে সেখানেও তার সর্বোচ্চ সাজার রায়ই বহাল থাকে। ৩০ সেপ্টেম্বর মুজাহিদের সঙ্গে তারও মামলার রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করেন আপিল বিভাগ। এরপর দুজনের রায়েরই পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি একসঙ্গে আসে ট্রাইব্যুনালে। এরপর ১ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল মৃত্যু পরোয়ানা জারি করলে তা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছে দেয়া হয়। উল্লেখ্য, রিভিউ খারিজ হলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা করতে হবে সাকা চৌধুরীকে।