ঢাকা ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

নতুন বছরে চমকে দিলেন কিম

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৩০:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জানুয়ারী ২০১৯
  • ৩৯৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন দেশটির চির প্রতিদ্বন্দ্বী দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি মুন জেই-ইন’কে চিঠি পাঠিয়েছেন। বিরল ও ব্যক্তিগত এই চিঠিতে তিনি ২০১৯ সালে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের দেখা করা এবং বিভক্ত উপদ্বীপের উপর দ্বন্দ্ব নিয়ে আলোচনার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। কিমের স্বাক্ষর এবং সোনালী লোগো দিয়ে সিলমোহর করা দুই পৃষ্ঠার চিঠিটি পৌঁছেছে রোববার (৩০ ডিসেম্বর)। চিঠির সম্বোধন লেখা হয়েছে ‘সম্মানিত রাষ্ট্রপতি মুন জেই-ইন’। আর এই চিঠির শুধুমাত্র প্রথম বাক্যটিই জনগণের কাছে প্রকাশ করা হয়েছে।

চিঠিতে দুই কোরিয়ার মধ্যে সমস্যা কাটিয়ে উঠা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। ‘উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার দীর্ঘদিনের সংঘর্ষ কাটিয়ে উঠতে দুই কোরিয়ান নেতার এক বছরের মধ্যে তিনবার দেখা করাকে সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন কিম জং উন,’ চিঠি পড়ে মন্তব্য করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অফিসের মুখপাত্র কিম ইয়ুই-কিয়ম।

দুই নেতা তিনবার সাক্ষাৎ করে একটি অসাধারণ বছর কাটিয়ে উঠলেন। নতুন এই চিঠির মাধ্যমে কিম জং উন শান্তি ও সমৃদ্ধির দিকে একত্রে এগিয়ে যেতে চান বলে চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে।

কিম আরও যোগ করেছেন, ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে পিয়ংইয়ং সম্মেলনে তাদের চতুর্থবার দেখা করার কথা ছিল। কিন্তু কিম সম্মত না হওয়ায় তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। এ বিষয়ে কিম দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তবে তিনি ভবিষ্যতে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী দেখার জন্য দৃঢ় ইচ্ছে ব্যক্ত করেছেন।

চিঠির প্রতিক্রিয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি তার সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টে লিখেছেন, ‘শান্তি ও সমৃদ্ধির বাস্তব সমস্যা সমাধানের জন্য এবং নিউক্লিয়ারাইজেশন ইস্যুটির সমাধান করার জন্য নতুন বছরে কিমের দেখা করার ইচ্ছের কথা শুনে আমি আনন্দিত।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আন্তরিকতার সাথে একত্রিত হলে আমাদের জন্য কোনোকিছুই অর্জন করা অসম্ভব নয়। আর এখানে পৌঁছাতে আমাদের অনেক সময় লেগেছে এবং এক বছরেই অনেক পরিবর্তন হয়েছে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

নতুন বছরে চমকে দিলেন কিম

আপডেট টাইম : ০৫:৩০:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জানুয়ারী ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন দেশটির চির প্রতিদ্বন্দ্বী দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি মুন জেই-ইন’কে চিঠি পাঠিয়েছেন। বিরল ও ব্যক্তিগত এই চিঠিতে তিনি ২০১৯ সালে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের দেখা করা এবং বিভক্ত উপদ্বীপের উপর দ্বন্দ্ব নিয়ে আলোচনার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। কিমের স্বাক্ষর এবং সোনালী লোগো দিয়ে সিলমোহর করা দুই পৃষ্ঠার চিঠিটি পৌঁছেছে রোববার (৩০ ডিসেম্বর)। চিঠির সম্বোধন লেখা হয়েছে ‘সম্মানিত রাষ্ট্রপতি মুন জেই-ইন’। আর এই চিঠির শুধুমাত্র প্রথম বাক্যটিই জনগণের কাছে প্রকাশ করা হয়েছে।

চিঠিতে দুই কোরিয়ার মধ্যে সমস্যা কাটিয়ে উঠা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। ‘উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার দীর্ঘদিনের সংঘর্ষ কাটিয়ে উঠতে দুই কোরিয়ান নেতার এক বছরের মধ্যে তিনবার দেখা করাকে সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন কিম জং উন,’ চিঠি পড়ে মন্তব্য করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অফিসের মুখপাত্র কিম ইয়ুই-কিয়ম।

দুই নেতা তিনবার সাক্ষাৎ করে একটি অসাধারণ বছর কাটিয়ে উঠলেন। নতুন এই চিঠির মাধ্যমে কিম জং উন শান্তি ও সমৃদ্ধির দিকে একত্রে এগিয়ে যেতে চান বলে চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে।

কিম আরও যোগ করেছেন, ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে পিয়ংইয়ং সম্মেলনে তাদের চতুর্থবার দেখা করার কথা ছিল। কিন্তু কিম সম্মত না হওয়ায় তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। এ বিষয়ে কিম দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তবে তিনি ভবিষ্যতে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী দেখার জন্য দৃঢ় ইচ্ছে ব্যক্ত করেছেন।

চিঠির প্রতিক্রিয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি তার সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টে লিখেছেন, ‘শান্তি ও সমৃদ্ধির বাস্তব সমস্যা সমাধানের জন্য এবং নিউক্লিয়ারাইজেশন ইস্যুটির সমাধান করার জন্য নতুন বছরে কিমের দেখা করার ইচ্ছের কথা শুনে আমি আনন্দিত।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আন্তরিকতার সাথে একত্রিত হলে আমাদের জন্য কোনোকিছুই অর্জন করা অসম্ভব নয়। আর এখানে পৌঁছাতে আমাদের অনেক সময় লেগেছে এবং এক বছরেই অনেক পরিবর্তন হয়েছে।’