ঢাকা ১২:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

নামাজে দৌড়ে আসা নয়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৪:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ নভেম্বর ২০১৮
  • ৩৫০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় নিঃসন্দেহে অনেক সওয়াবের। আর তাকবিরে উলা বা প্রথম তাকবিরের সঙ্গে পড়তে পারলে তো কথাই নেই। কিন্তু তাকবিরে উলা বা জামাতের সওয়াব অর্জন করতে গিয়ে অনেকে আবার শরিয়তের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ফেলেন।

দৌড়ে এসে জামাতে শরিক হয়ে হাদিসের বিপরীত আমল করেন। কেননা, হাদিসের নির্দেশ হলো, ‘যখন নামাজ দাঁড়িয়ে যায় তখন তোমরা দৌড়ে নামাজে এসো না, বরং হেঁটে হেঁটে এসো। তোমাদের ওপর প্রশান্তি নেমে আসুক; নামাজ যতটুকু পাও ততটুকু আদায় করো আর যতটুকু ছুটে যায় তা (পরে) পূর্ণ করে নাও।’ (বোখারি : ৯০৮)।

তাছাড়া স্বাভাবিক কথা হলো কেউ যখন দৌড়ে এসে নামাজে শরিক হয় তখন হয়তো তাকবিরে উলা বা প্রথম তাকবির পাবে কিংবা এক/দুই রাকাত বেশি পাবে, কিন্তু তখন তো সে স্থিরচিত্তে নামাজ পড়তে পারবে না। বরং পুরো নামাজজুড়েই তার মধ্যে অস্থিরতা কাজ করবে।

তবে হ্যাঁ, কেউ যদি এতটুকু জোরে হেঁটে আসে, যাতে সে ক্লান্ত ও অস্থিরচিত্ত হয়ে পড়ে না, তাহলে কোনো সমস্যা নেই।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

নামাজে দৌড়ে আসা নয়

আপডেট টাইম : ১১:০৪:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ নভেম্বর ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় নিঃসন্দেহে অনেক সওয়াবের। আর তাকবিরে উলা বা প্রথম তাকবিরের সঙ্গে পড়তে পারলে তো কথাই নেই। কিন্তু তাকবিরে উলা বা জামাতের সওয়াব অর্জন করতে গিয়ে অনেকে আবার শরিয়তের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ফেলেন।

দৌড়ে এসে জামাতে শরিক হয়ে হাদিসের বিপরীত আমল করেন। কেননা, হাদিসের নির্দেশ হলো, ‘যখন নামাজ দাঁড়িয়ে যায় তখন তোমরা দৌড়ে নামাজে এসো না, বরং হেঁটে হেঁটে এসো। তোমাদের ওপর প্রশান্তি নেমে আসুক; নামাজ যতটুকু পাও ততটুকু আদায় করো আর যতটুকু ছুটে যায় তা (পরে) পূর্ণ করে নাও।’ (বোখারি : ৯০৮)।

তাছাড়া স্বাভাবিক কথা হলো কেউ যখন দৌড়ে এসে নামাজে শরিক হয় তখন হয়তো তাকবিরে উলা বা প্রথম তাকবির পাবে কিংবা এক/দুই রাকাত বেশি পাবে, কিন্তু তখন তো সে স্থিরচিত্তে নামাজ পড়তে পারবে না। বরং পুরো নামাজজুড়েই তার মধ্যে অস্থিরতা কাজ করবে।

তবে হ্যাঁ, কেউ যদি এতটুকু জোরে হেঁটে আসে, যাতে সে ক্লান্ত ও অস্থিরচিত্ত হয়ে পড়ে না, তাহলে কোনো সমস্যা নেই।