ঢাকা ০৩:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩০:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৮
  • ৩৯৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। ৪ নভেম্বরের তফসিল ঘোষণা করে ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে ভোট নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির সংশি­ষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ১লা নভেম্বর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার পর নির্বাচনের তফসিল ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। তফসিল ও ভোটের তারিখ নির্ধারণ এখনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি কমিশন।

সংবিধান অনুযায়ী আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে হবে। কেননা, বর্তমান দশম জাতীয় সংবিধান অনুযায়ী দশম সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে। ২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারি দশম সংসদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সে হিসাবে আগামী বছরের ২৮ জানুয়ারির আগের ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। ওই ৯০ দিনের শুরু হচ্ছে আগামী ৩১ অক্টোবর। ইতিমধ্যে ইসি নির্বাচনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করে এনেছে কমিশন। আগামী ১ নভেম্বর বিকাল ৪টায় বঙ্গভবনে পাঁচ নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাত করে নির্বাচনের প্রস্তুতি অবহিত করবেন।

ইসি সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পর নির্বাচনের তফসিল নিয়ে সভা করবে নির্বাচন কমিশন। ৪ বা ৫ নভেম্বর ওই সভা হতে পারে। এরপর রেওয়াজ অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। ওই ভাষণেই সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। ইতিমধ্যে ভাষনের সারসংক্ষেপে প্রস্তুত করা হয়েছে। ওই ভাষনে সব দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাবেন সিইসি। সাধারণত তফসিল ঘোষণার দিন থেকে ৪০-৪৫ দিন সময় রেখে সংসদ নির্বাচনের ভোটের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। ১৮ থেকে ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে ভোট গ্রহণ হতে পারে বলে আলোচনা আছে।

নির্বাচন ভবনের নিজ কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, তারা আশা করছেন ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। একজন কমিশনার দেশের বাইরে আছেন। তিনি দেশে ফিরলে তফসিল ঘোষণার বিষয়ে একসঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেবেন। ভোটের তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর জন্য সবাইকে আহ্বান জানান তিনি।

সংশোধনী আরপিও মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের সুযোগ রেখে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। আইন মন্ত্রণালয়ে সেটি ভেটিং করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। ইসি সচিব বলেন, আশা করছি সংসদের চলতি অধিবেশনে এটা পাস হতে পারে। পাস না হলে সংসদের অবর্তমানে যে বিষয়টি (অধ্যাদেশ) থাকে সেটি কার্যকর হবে। আমাদের যে মূল আইন (আরপিও) আছে সেটাও আধ্যাদেশের মাধ্যমে হয়েছে। যেহেতু সংসদ ২৯ তারিখ পর্যন্ত চলবে, আশা করছি সেখানেই এটি পাস হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে

আপডেট টাইম : ১০:৩০:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। ৪ নভেম্বরের তফসিল ঘোষণা করে ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে ভোট নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির সংশি­ষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ১লা নভেম্বর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার পর নির্বাচনের তফসিল ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। তফসিল ও ভোটের তারিখ নির্ধারণ এখনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি কমিশন।

সংবিধান অনুযায়ী আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে হবে। কেননা, বর্তমান দশম জাতীয় সংবিধান অনুযায়ী দশম সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে। ২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারি দশম সংসদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সে হিসাবে আগামী বছরের ২৮ জানুয়ারির আগের ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। ওই ৯০ দিনের শুরু হচ্ছে আগামী ৩১ অক্টোবর। ইতিমধ্যে ইসি নির্বাচনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করে এনেছে কমিশন। আগামী ১ নভেম্বর বিকাল ৪টায় বঙ্গভবনে পাঁচ নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাত করে নির্বাচনের প্রস্তুতি অবহিত করবেন।

ইসি সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পর নির্বাচনের তফসিল নিয়ে সভা করবে নির্বাচন কমিশন। ৪ বা ৫ নভেম্বর ওই সভা হতে পারে। এরপর রেওয়াজ অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। ওই ভাষণেই সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। ইতিমধ্যে ভাষনের সারসংক্ষেপে প্রস্তুত করা হয়েছে। ওই ভাষনে সব দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাবেন সিইসি। সাধারণত তফসিল ঘোষণার দিন থেকে ৪০-৪৫ দিন সময় রেখে সংসদ নির্বাচনের ভোটের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। ১৮ থেকে ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে ভোট গ্রহণ হতে পারে বলে আলোচনা আছে।

নির্বাচন ভবনের নিজ কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, তারা আশা করছেন ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। একজন কমিশনার দেশের বাইরে আছেন। তিনি দেশে ফিরলে তফসিল ঘোষণার বিষয়ে একসঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেবেন। ভোটের তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর জন্য সবাইকে আহ্বান জানান তিনি।

সংশোধনী আরপিও মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের সুযোগ রেখে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। আইন মন্ত্রণালয়ে সেটি ভেটিং করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। ইসি সচিব বলেন, আশা করছি সংসদের চলতি অধিবেশনে এটা পাস হতে পারে। পাস না হলে সংসদের অবর্তমানে যে বিষয়টি (অধ্যাদেশ) থাকে সেটি কার্যকর হবে। আমাদের যে মূল আইন (আরপিও) আছে সেটাও আধ্যাদেশের মাধ্যমে হয়েছে। যেহেতু সংসদ ২৯ তারিখ পর্যন্ত চলবে, আশা করছি সেখানেই এটি পাস হওয়ার সম্ভাবনা আছে।