ঢাকা ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পেনশনের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অডিট কর্মকর্তা ইশরাত বরখাস্ত দুই মুসলিম নারী সাংবাদিককে থানায় নিয়ে পেটাল দিল্লি পুলিশ ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ‘ভোট ব্যাংক’, এ কৃত্রিম মিথ ভেঙে চুরমার হয়েছে’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানো মানুষের অভাব নেই: মান্না ২ মন্ত্রী আসার খবরে বদলে গেল হাসপাতালের পরিবেশ, অবাক রোগীরা বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি, ভক্তদের কৌতূহল তুঙ্গে আবারো মেসিকে ফেরাতে চায় আর্জেন্টিনা

বৈশাখকে ঘিরে দক্ষিণ মোড়াকাঠি গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে ধুম লেগেছে তালপাখা তৈরির

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:২১:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ এপ্রিল ২০১৮
  • ৫৪৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আমাদের যেসব এলাকায় বিদ্যুতের সংযোগ নেই, গরমের দিনে সেইসব এলাকায় হাতপাখার কোনো বিকল্প নেই। এইতো কয়েকবছর আগেও বাংলার গ্রামেগঞ্জের প্রতিটি বাড়ির একটি অপরিহার্য সরঞ্জামের নাম হাতপাখা। তবে তালপাতার হাতপাখার ব্যাপারটা যেন অন্যসবের তুলনায় আলাদা। কারণ এতে বাতাসের পাশাপাশি যোগ হয় শীতলতাও। তবে বর্তমান বাজারে প্লাস্টিকের একছত্র অধিপত্যে তালপাখার কদর এখন অনেকটাই কমে গেছে। তাছাড়া কাঁচামাল সংকট ও মুনাফা কম হওয়ায় পেশাও পাল্টে ফেলছেন হাত পাখার কারিগররা। যারা এখনও রয়েছেন তাদের অবস্থা তেমন ভালো নয়। কোনোরকম টিকে থাকার জন্য প্রতিনিয়ত করতে হচ্ছে সংগ্রাম। আবার কেউ কেউ বাংলার বিভিন্ন উৎসবকে ঘিরে বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্যকে সম্বল করে তৈরি করছেন তালপাখা।

আসছে বৈশাখ। আর বৈশাখী মেলার অন্যতম প্রধান একটি অনুষঙ্গ তালপাখা। তাই বর্ষবরণকে সামনে রেখে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার দক্ষিণ মোড়াকাঠি গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে ধুম লেগেছে তালপাখা তৈরির।

বংশ পরম্পরায় তালপাখা তৈরি করে গ্রামটির অন্তত ২০টি পরিবার। তবে গরমের সময় দুই মাস তালপাখা তৈরির ২ মাস কাজ থাকলেও সারা বছর- নানা ধরনের কাজ করেই সংসার চালাতে হয় তাদের। গ্রামের বাসিন্দা ও নারী কারিগর মাসুমা বেগম জানান, তিনি ৩৫ বছর ধরে তালপাখা বুনছেন। আগে তার শাশুড়ি, দাদী-শাশুড়িও একই কাজ করতেন। সেই হিসেবে শতবছরেরও বেশি সময় ধরে এ গ্রামে পাখা বোনা হয়ে আসছে।

আগে পুরো গরমকাল জুড়ে পাখা বোনার কাজে ব্যস্ত থাকা লাগলেও, এখন মাত্র দুই মাস (১৫ মাঘ থেকে ২৯ চৈত্র) কাজ করেন তারা। বাকি সময় কেউ বর্গা চাষী হিসেবে, কেউ দিনমজুর হিসেবে কাজ করে আয় করেন। আবার কেউ কেউ অন্যরকম কারিগরি পেশাকে বেছে নিচ্ছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী স্কয়ার হাসপাতালে

বৈশাখকে ঘিরে দক্ষিণ মোড়াকাঠি গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে ধুম লেগেছে তালপাখা তৈরির

আপডেট টাইম : ১২:২১:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ এপ্রিল ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আমাদের যেসব এলাকায় বিদ্যুতের সংযোগ নেই, গরমের দিনে সেইসব এলাকায় হাতপাখার কোনো বিকল্প নেই। এইতো কয়েকবছর আগেও বাংলার গ্রামেগঞ্জের প্রতিটি বাড়ির একটি অপরিহার্য সরঞ্জামের নাম হাতপাখা। তবে তালপাতার হাতপাখার ব্যাপারটা যেন অন্যসবের তুলনায় আলাদা। কারণ এতে বাতাসের পাশাপাশি যোগ হয় শীতলতাও। তবে বর্তমান বাজারে প্লাস্টিকের একছত্র অধিপত্যে তালপাখার কদর এখন অনেকটাই কমে গেছে। তাছাড়া কাঁচামাল সংকট ও মুনাফা কম হওয়ায় পেশাও পাল্টে ফেলছেন হাত পাখার কারিগররা। যারা এখনও রয়েছেন তাদের অবস্থা তেমন ভালো নয়। কোনোরকম টিকে থাকার জন্য প্রতিনিয়ত করতে হচ্ছে সংগ্রাম। আবার কেউ কেউ বাংলার বিভিন্ন উৎসবকে ঘিরে বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্যকে সম্বল করে তৈরি করছেন তালপাখা।

আসছে বৈশাখ। আর বৈশাখী মেলার অন্যতম প্রধান একটি অনুষঙ্গ তালপাখা। তাই বর্ষবরণকে সামনে রেখে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার দক্ষিণ মোড়াকাঠি গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে ধুম লেগেছে তালপাখা তৈরির।

বংশ পরম্পরায় তালপাখা তৈরি করে গ্রামটির অন্তত ২০টি পরিবার। তবে গরমের সময় দুই মাস তালপাখা তৈরির ২ মাস কাজ থাকলেও সারা বছর- নানা ধরনের কাজ করেই সংসার চালাতে হয় তাদের। গ্রামের বাসিন্দা ও নারী কারিগর মাসুমা বেগম জানান, তিনি ৩৫ বছর ধরে তালপাখা বুনছেন। আগে তার শাশুড়ি, দাদী-শাশুড়িও একই কাজ করতেন। সেই হিসেবে শতবছরেরও বেশি সময় ধরে এ গ্রামে পাখা বোনা হয়ে আসছে।

আগে পুরো গরমকাল জুড়ে পাখা বোনার কাজে ব্যস্ত থাকা লাগলেও, এখন মাত্র দুই মাস (১৫ মাঘ থেকে ২৯ চৈত্র) কাজ করেন তারা। বাকি সময় কেউ বর্গা চাষী হিসেবে, কেউ দিনমজুর হিসেবে কাজ করে আয় করেন। আবার কেউ কেউ অন্যরকম কারিগরি পেশাকে বেছে নিচ্ছেন।