ঢাকা ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

মাকে জড়িয়ে কাঁদলেন আরিফ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৪:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  • ৪৩৪ বার

কয়েক মাস ধরে ঢাকা মেডিক্যালের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার তাকে মেডিক্যাল থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্স করে তাকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়। সেখানে পরিবারের লোকজনের সাক্ষাৎ পাচ্ছেন। বুধবার তার স্ত্রী শ্যামা হক চৌধুরী ছোট মেয়েকে নিয়ে আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করেছেন।

এদিকে, আরিফুল হক চৌধুরীর আইনজীবীরা জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে মামলা থেকে আরিফুল হক চৌধুরীকে অব্যাহতি দিতে আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে। পাশাপাশি উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশ নিয়ে যাওয়ার আবেদন জানানো হয়। রোববার আরিফুল হক চৌধুরীকে আদালতে হাজির করলে তারা আবেদনের শুনানি করবেন।

মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ : দীর্ঘ ৮ মাস পর মা রহিমা খাতুনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলো কারাবন্দি আরিফুল হক চৌধুরীর। বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে মা ও ছেলের সঙ্গে দেখা হয়। এ সময় আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আরিফ এবং তার মা উভয়েই কান্নায় ভেঙে পড়েন। দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন আরিফের মা ও তার স্ত্রী শ্যামা হক। এর প্রায় ১০ মিনিট পর একটি হুইল চেয়ারে করে আরিফ তাদের সঙ্গে দেখা করতে আসেন।

এ সময় আরিফের পরনে সাদা রঙের শার্ট ও কালো রঙের প্যান্ট ছিল। তার হাতে একটি স্ক্রেচ ছিল। আরিফ তার মাকে পা ছুঁয়ে সালাম করেন। তার মা তাকে জড়িয়ে ধরে আদর করেন। একপর্যায়ে উভয়ই কান্নায় ভেঙে পড়েন। রহিমা খাতুন আরিফুল হক চৌধুরীর শারীরিক অবস্থার খবর নেন। পরে বেরিয়ে এসে আরিফুল হকের মা রহিমা খাতুন জানিয়েছেন, ৮ মাস আগে তার ছেলের সঙ্গে দেখা হয়েছে। আরিফ বেশ শুকিয়ে গেছে। এবং তার শারীরিক অবস্থা তেমন ভাল নয়। ছেলের জন্য রহিমা খাতুন সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

মাকে জড়িয়ে কাঁদলেন আরিফ

আপডেট টাইম : ১১:৪৪:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৫

কয়েক মাস ধরে ঢাকা মেডিক্যালের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার তাকে মেডিক্যাল থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্স করে তাকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়। সেখানে পরিবারের লোকজনের সাক্ষাৎ পাচ্ছেন। বুধবার তার স্ত্রী শ্যামা হক চৌধুরী ছোট মেয়েকে নিয়ে আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করেছেন।

এদিকে, আরিফুল হক চৌধুরীর আইনজীবীরা জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে মামলা থেকে আরিফুল হক চৌধুরীকে অব্যাহতি দিতে আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে। পাশাপাশি উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশ নিয়ে যাওয়ার আবেদন জানানো হয়। রোববার আরিফুল হক চৌধুরীকে আদালতে হাজির করলে তারা আবেদনের শুনানি করবেন।

মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ : দীর্ঘ ৮ মাস পর মা রহিমা খাতুনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলো কারাবন্দি আরিফুল হক চৌধুরীর। বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে মা ও ছেলের সঙ্গে দেখা হয়। এ সময় আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আরিফ এবং তার মা উভয়েই কান্নায় ভেঙে পড়েন। দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন আরিফের মা ও তার স্ত্রী শ্যামা হক। এর প্রায় ১০ মিনিট পর একটি হুইল চেয়ারে করে আরিফ তাদের সঙ্গে দেখা করতে আসেন।

এ সময় আরিফের পরনে সাদা রঙের শার্ট ও কালো রঙের প্যান্ট ছিল। তার হাতে একটি স্ক্রেচ ছিল। আরিফ তার মাকে পা ছুঁয়ে সালাম করেন। তার মা তাকে জড়িয়ে ধরে আদর করেন। একপর্যায়ে উভয়ই কান্নায় ভেঙে পড়েন। রহিমা খাতুন আরিফুল হক চৌধুরীর শারীরিক অবস্থার খবর নেন। পরে বেরিয়ে এসে আরিফুল হকের মা রহিমা খাতুন জানিয়েছেন, ৮ মাস আগে তার ছেলের সঙ্গে দেখা হয়েছে। আরিফ বেশ শুকিয়ে গেছে। এবং তার শারীরিক অবস্থা তেমন ভাল নয়। ছেলের জন্য রহিমা খাতুন সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।