ঢাকা ১২:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

মাকে জড়িয়ে কাঁদলেন আরিফ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৪:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  • ৪২৮ বার

কয়েক মাস ধরে ঢাকা মেডিক্যালের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার তাকে মেডিক্যাল থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্স করে তাকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়। সেখানে পরিবারের লোকজনের সাক্ষাৎ পাচ্ছেন। বুধবার তার স্ত্রী শ্যামা হক চৌধুরী ছোট মেয়েকে নিয়ে আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করেছেন।

এদিকে, আরিফুল হক চৌধুরীর আইনজীবীরা জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে মামলা থেকে আরিফুল হক চৌধুরীকে অব্যাহতি দিতে আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে। পাশাপাশি উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশ নিয়ে যাওয়ার আবেদন জানানো হয়। রোববার আরিফুল হক চৌধুরীকে আদালতে হাজির করলে তারা আবেদনের শুনানি করবেন।

মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ : দীর্ঘ ৮ মাস পর মা রহিমা খাতুনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলো কারাবন্দি আরিফুল হক চৌধুরীর। বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে মা ও ছেলের সঙ্গে দেখা হয়। এ সময় আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আরিফ এবং তার মা উভয়েই কান্নায় ভেঙে পড়েন। দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন আরিফের মা ও তার স্ত্রী শ্যামা হক। এর প্রায় ১০ মিনিট পর একটি হুইল চেয়ারে করে আরিফ তাদের সঙ্গে দেখা করতে আসেন।

এ সময় আরিফের পরনে সাদা রঙের শার্ট ও কালো রঙের প্যান্ট ছিল। তার হাতে একটি স্ক্রেচ ছিল। আরিফ তার মাকে পা ছুঁয়ে সালাম করেন। তার মা তাকে জড়িয়ে ধরে আদর করেন। একপর্যায়ে উভয়ই কান্নায় ভেঙে পড়েন। রহিমা খাতুন আরিফুল হক চৌধুরীর শারীরিক অবস্থার খবর নেন। পরে বেরিয়ে এসে আরিফুল হকের মা রহিমা খাতুন জানিয়েছেন, ৮ মাস আগে তার ছেলের সঙ্গে দেখা হয়েছে। আরিফ বেশ শুকিয়ে গেছে। এবং তার শারীরিক অবস্থা তেমন ভাল নয়। ছেলের জন্য রহিমা খাতুন সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

মাকে জড়িয়ে কাঁদলেন আরিফ

আপডেট টাইম : ১১:৪৪:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৫

কয়েক মাস ধরে ঢাকা মেডিক্যালের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার তাকে মেডিক্যাল থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্স করে তাকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়। সেখানে পরিবারের লোকজনের সাক্ষাৎ পাচ্ছেন। বুধবার তার স্ত্রী শ্যামা হক চৌধুরী ছোট মেয়েকে নিয়ে আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করেছেন।

এদিকে, আরিফুল হক চৌধুরীর আইনজীবীরা জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে মামলা থেকে আরিফুল হক চৌধুরীকে অব্যাহতি দিতে আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে। পাশাপাশি উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশ নিয়ে যাওয়ার আবেদন জানানো হয়। রোববার আরিফুল হক চৌধুরীকে আদালতে হাজির করলে তারা আবেদনের শুনানি করবেন।

মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ : দীর্ঘ ৮ মাস পর মা রহিমা খাতুনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলো কারাবন্দি আরিফুল হক চৌধুরীর। বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে মা ও ছেলের সঙ্গে দেখা হয়। এ সময় আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আরিফ এবং তার মা উভয়েই কান্নায় ভেঙে পড়েন। দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন আরিফের মা ও তার স্ত্রী শ্যামা হক। এর প্রায় ১০ মিনিট পর একটি হুইল চেয়ারে করে আরিফ তাদের সঙ্গে দেখা করতে আসেন।

এ সময় আরিফের পরনে সাদা রঙের শার্ট ও কালো রঙের প্যান্ট ছিল। তার হাতে একটি স্ক্রেচ ছিল। আরিফ তার মাকে পা ছুঁয়ে সালাম করেন। তার মা তাকে জড়িয়ে ধরে আদর করেন। একপর্যায়ে উভয়ই কান্নায় ভেঙে পড়েন। রহিমা খাতুন আরিফুল হক চৌধুরীর শারীরিক অবস্থার খবর নেন। পরে বেরিয়ে এসে আরিফুল হকের মা রহিমা খাতুন জানিয়েছেন, ৮ মাস আগে তার ছেলের সঙ্গে দেখা হয়েছে। আরিফ বেশ শুকিয়ে গেছে। এবং তার শারীরিক অবস্থা তেমন ভাল নয়। ছেলের জন্য রহিমা খাতুন সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।