ঢাকা ০২:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা মহররমের চাঁদ দেখা গেছে ২৬ জুন সারাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র আশুরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় খামার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী আত্রাই নদীতে অবৈধ সৌতিজালের বিরুদ্ধে অভিযান নেটওয়ার্ক খুঁজতে আম গাছে প্রধান শিক্ষক, কী ঘটেছিল সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতকে দুদকের চিঠি মাদরাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন বিলম্ব: দ্রুত সমাধান ও স্থায়ী ব্যবস্থার দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে রাত পোহালেই আর্জেন্টিনার ম্যাচ, মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন মেসি

মাকে জড়িয়ে কাঁদলেন আরিফ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৪:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  • ৪২৩ বার

কয়েক মাস ধরে ঢাকা মেডিক্যালের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার তাকে মেডিক্যাল থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্স করে তাকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়। সেখানে পরিবারের লোকজনের সাক্ষাৎ পাচ্ছেন। বুধবার তার স্ত্রী শ্যামা হক চৌধুরী ছোট মেয়েকে নিয়ে আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করেছেন।

এদিকে, আরিফুল হক চৌধুরীর আইনজীবীরা জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে মামলা থেকে আরিফুল হক চৌধুরীকে অব্যাহতি দিতে আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে। পাশাপাশি উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশ নিয়ে যাওয়ার আবেদন জানানো হয়। রোববার আরিফুল হক চৌধুরীকে আদালতে হাজির করলে তারা আবেদনের শুনানি করবেন।

মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ : দীর্ঘ ৮ মাস পর মা রহিমা খাতুনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলো কারাবন্দি আরিফুল হক চৌধুরীর। বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে মা ও ছেলের সঙ্গে দেখা হয়। এ সময় আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আরিফ এবং তার মা উভয়েই কান্নায় ভেঙে পড়েন। দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন আরিফের মা ও তার স্ত্রী শ্যামা হক। এর প্রায় ১০ মিনিট পর একটি হুইল চেয়ারে করে আরিফ তাদের সঙ্গে দেখা করতে আসেন।

এ সময় আরিফের পরনে সাদা রঙের শার্ট ও কালো রঙের প্যান্ট ছিল। তার হাতে একটি স্ক্রেচ ছিল। আরিফ তার মাকে পা ছুঁয়ে সালাম করেন। তার মা তাকে জড়িয়ে ধরে আদর করেন। একপর্যায়ে উভয়ই কান্নায় ভেঙে পড়েন। রহিমা খাতুন আরিফুল হক চৌধুরীর শারীরিক অবস্থার খবর নেন। পরে বেরিয়ে এসে আরিফুল হকের মা রহিমা খাতুন জানিয়েছেন, ৮ মাস আগে তার ছেলের সঙ্গে দেখা হয়েছে। আরিফ বেশ শুকিয়ে গেছে। এবং তার শারীরিক অবস্থা তেমন ভাল নয়। ছেলের জন্য রহিমা খাতুন সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা

মাকে জড়িয়ে কাঁদলেন আরিফ

আপডেট টাইম : ১১:৪৪:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৫

কয়েক মাস ধরে ঢাকা মেডিক্যালের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার তাকে মেডিক্যাল থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্স করে তাকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়। সেখানে পরিবারের লোকজনের সাক্ষাৎ পাচ্ছেন। বুধবার তার স্ত্রী শ্যামা হক চৌধুরী ছোট মেয়েকে নিয়ে আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করেছেন।

এদিকে, আরিফুল হক চৌধুরীর আইনজীবীরা জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে মামলা থেকে আরিফুল হক চৌধুরীকে অব্যাহতি দিতে আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে। পাশাপাশি উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশ নিয়ে যাওয়ার আবেদন জানানো হয়। রোববার আরিফুল হক চৌধুরীকে আদালতে হাজির করলে তারা আবেদনের শুনানি করবেন।

মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ : দীর্ঘ ৮ মাস পর মা রহিমা খাতুনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলো কারাবন্দি আরিফুল হক চৌধুরীর। বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে মা ও ছেলের সঙ্গে দেখা হয়। এ সময় আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আরিফ এবং তার মা উভয়েই কান্নায় ভেঙে পড়েন। দুপুর ১২টা ৪ মিনিটে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন আরিফের মা ও তার স্ত্রী শ্যামা হক। এর প্রায় ১০ মিনিট পর একটি হুইল চেয়ারে করে আরিফ তাদের সঙ্গে দেখা করতে আসেন।

এ সময় আরিফের পরনে সাদা রঙের শার্ট ও কালো রঙের প্যান্ট ছিল। তার হাতে একটি স্ক্রেচ ছিল। আরিফ তার মাকে পা ছুঁয়ে সালাম করেন। তার মা তাকে জড়িয়ে ধরে আদর করেন। একপর্যায়ে উভয়ই কান্নায় ভেঙে পড়েন। রহিমা খাতুন আরিফুল হক চৌধুরীর শারীরিক অবস্থার খবর নেন। পরে বেরিয়ে এসে আরিফুল হকের মা রহিমা খাতুন জানিয়েছেন, ৮ মাস আগে তার ছেলের সঙ্গে দেখা হয়েছে। আরিফ বেশ শুকিয়ে গেছে। এবং তার শারীরিক অবস্থা তেমন ভাল নয়। ছেলের জন্য রহিমা খাতুন সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।