ঢাকা ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

হাইল হাওরের বাইক্কা বিলে এবার বেশি এসেছে ‘পাতি তিলিহাঁস’

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
  • ৪৩৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ হাইল হাওরের সংরক্ষিত মাছের অভয়ারণ্য বাইক্কা বিলে এবার বেশি এসে পাতি তিলিহাঁস (Common Teal)। শীত মৌসুমে আসা পরিযায়ী পাখিদের মধ্যে এদের সংখ্যাই সর্বাধিক। আর মোট পরিযায়ী পাখির সংখ্যা ৩৮ প্রজাতির ৫ হাজার ৪শ ১৮টি। এই সংখ্যার মধ্যে এক হাজার ৫শ ৮০টি সর্বাধিক সংখ্যা হলো পাতি তিলিহাঁসের। সম্প্রতি বাইক্কা বিলে অনুষ্ঠিত জলচর পাখি শুমারিতে এমন তথ্যই উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রখ্যাত পাখি বিশেষজ্ঞ ইনাম হক হাওর বার্তাকে বলেন, ক্রেলের প্রজেক্টের সহযোগিতায় গত ২৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের পক্ষ থেকে দিনব্যাপী বাইক্কা বিলে একটি বার্ড সার্ভে করা হয়। এতে প্রায় সাড়ে ৫ হাজারের উপরের পরিযায়ী পাখি দেখা যায়।

গত বছরের পরিসংখ্যান জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২০১৭ সালে জানুয়ারিতে পাখি শুমারিতে বাইক্কা বিলে ৪১ প্রজাতির ১০ হাজার ৭শ ১৩টি পাখি পাওয়া গিয়েছিলো। এর আগে ২০১৬ সালে পাওয়া গিয়েছিলো ৩১ প্রজাতির ৮ হাজার ৮শ ৩১টি পাখি।

পাখির সংখ্যা হ্রাসের কারণ বিষয়ে এই পাখি বিশেষজ্ঞ বলেন, গত বছর সব বিলেই তার আগের বছরের চেয়ে বেশি পাখি পাওয়া গিয়েছিলো। এবছর হাওরগুলোতে গত বছরের চেয়ে কম সংখাক পাখি আছে। প্রতি বছরই পাখির সংখ্যা উঠা-নাম হচ্ছে। তাই ঠিক ওইভাবে বলতে পারবো না যে, অনবরত কমেই যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এবছর জানুয়ারির শেষে বাইক্কা বিলে গিয়ে ‘পাতি তিলিহাঁস’ বেশি পেয়েছি। ফেব্রুয়ারিতে পাখি শুমারি করলে হয়তো অন্য একটি প্রজাতির হাঁস বেশি পাওয়া যেতো। পাতি-তিলিহাঁসগুলোকে জানুয়ারিতে যেভাবে বেশি সংখ্যায় দেখা যায়, তেমন ফেব্রুয়ারিতে দেখা যায় না। পানি কমলে-বাড়লে একেক হাঁসের সুবিধে হয়, আবার একেক হাঁসের অসুবিধেও হয়। সে অনুযায়ী ওরা অবস্থান করে কিংবা অন্যত্র সরে যায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

হাইল হাওরের বাইক্কা বিলে এবার বেশি এসেছে ‘পাতি তিলিহাঁস’

আপডেট টাইম : ১০:০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ হাইল হাওরের সংরক্ষিত মাছের অভয়ারণ্য বাইক্কা বিলে এবার বেশি এসে পাতি তিলিহাঁস (Common Teal)। শীত মৌসুমে আসা পরিযায়ী পাখিদের মধ্যে এদের সংখ্যাই সর্বাধিক। আর মোট পরিযায়ী পাখির সংখ্যা ৩৮ প্রজাতির ৫ হাজার ৪শ ১৮টি। এই সংখ্যার মধ্যে এক হাজার ৫শ ৮০টি সর্বাধিক সংখ্যা হলো পাতি তিলিহাঁসের। সম্প্রতি বাইক্কা বিলে অনুষ্ঠিত জলচর পাখি শুমারিতে এমন তথ্যই উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রখ্যাত পাখি বিশেষজ্ঞ ইনাম হক হাওর বার্তাকে বলেন, ক্রেলের প্রজেক্টের সহযোগিতায় গত ২৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের পক্ষ থেকে দিনব্যাপী বাইক্কা বিলে একটি বার্ড সার্ভে করা হয়। এতে প্রায় সাড়ে ৫ হাজারের উপরের পরিযায়ী পাখি দেখা যায়।

গত বছরের পরিসংখ্যান জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২০১৭ সালে জানুয়ারিতে পাখি শুমারিতে বাইক্কা বিলে ৪১ প্রজাতির ১০ হাজার ৭শ ১৩টি পাখি পাওয়া গিয়েছিলো। এর আগে ২০১৬ সালে পাওয়া গিয়েছিলো ৩১ প্রজাতির ৮ হাজার ৮শ ৩১টি পাখি।

পাখির সংখ্যা হ্রাসের কারণ বিষয়ে এই পাখি বিশেষজ্ঞ বলেন, গত বছর সব বিলেই তার আগের বছরের চেয়ে বেশি পাখি পাওয়া গিয়েছিলো। এবছর হাওরগুলোতে গত বছরের চেয়ে কম সংখাক পাখি আছে। প্রতি বছরই পাখির সংখ্যা উঠা-নাম হচ্ছে। তাই ঠিক ওইভাবে বলতে পারবো না যে, অনবরত কমেই যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এবছর জানুয়ারির শেষে বাইক্কা বিলে গিয়ে ‘পাতি তিলিহাঁস’ বেশি পেয়েছি। ফেব্রুয়ারিতে পাখি শুমারি করলে হয়তো অন্য একটি প্রজাতির হাঁস বেশি পাওয়া যেতো। পাতি-তিলিহাঁসগুলোকে জানুয়ারিতে যেভাবে বেশি সংখ্যায় দেখা যায়, তেমন ফেব্রুয়ারিতে দেখা যায় না। পানি কমলে-বাড়লে একেক হাঁসের সুবিধে হয়, আবার একেক হাঁসের অসুবিধেও হয়। সে অনুযায়ী ওরা অবস্থান করে কিংবা অন্যত্র সরে যায়।