ঢাকা ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

জানুয়ারির শেষদিন দেখা যাবে সুপার ব্লু ব্লাড মুন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৩৫:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০১৮
  • ৮২২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ৩১ জানুয়ারি রাতে বিশ্ব এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখবে। ওই রাতে কক্ষপথে একইসঙ্গে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য নৃত্য করবে! এর ফলে ওই রাতে ব্লু মুন, সুপারমুন ও চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে । আর এমনটা ঘটছে পৃথিবীকে কেন্দ্র করে চাঁদের অসম প্রদক্ষিণের কারণে। কেননা চাঁদ পৃথিবী থেকে গড়ে দুই লাখ ৩৯ হাজার মাইল দূর থেকে প্রদিক্ষণ করে। কিন্তু কক্ষপথে এর বৃত্ত পূর্ণ না। কখনও এটি পৃথিবীর অনেক কাছে চলে আসে (অনুভূ), আবার কখনও এটি দূরে সরে যায় (অপভূ)।

চাঁদের অনুভূর সময় সূর্য-চাঁদ-পৃথিবী কক্ষপথে সমান্তরালে থাকাবস্থায় সুপারমুন হয়। ওই রাতে চাঁদ অবশ্যই সুপার হবে। কেননা এটি পৃথিবীর দুই লাখ ২৩ হাজার ৬৯ মাইল কাছে চলে আসবে। এ কারণে ১৫ জানুয়ারির তুলনায় চাঁদ ১৩ শতাংশ চওড়া ও ২৮ শতাংশ বড় দেখা যাবে। সেদিন চাঁদ পৃথিবী থেকে সর্বোচ্চ দূরবর্তী অবস্থানে ছিল।

তবে সুপারমুনের ক্ষেত্রে চাঁদ স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশকিছুটা বড় দেখা যায়। কিন্তু ৩১ জানুয়ারি এটিকে ব্লু সুপারমুন বলার কারণ হচ্ছে এটি চলতি মাসের দ্বিতীয় সুপারমুন। এ মাসের প্রথম দিন পূর্ণ চাঁদ দেখা যায়, যেটি ছিল বড় ও উজ্জ্বল সুপারমুন।কিন্তু ব্লু মুন প্রতি ২ দশমিক ৭ বছর পর দেখা যায়। চাঁদের সঙ্গে দিনপঞ্জিকার অসামঞ্জস্যতার কারণে এটি দেখা যায়। পূর্ণিমা থেকে ক্ষয়িঞ্চু এই চক্র পূরণ করতে চাঁদের ২৯ দিন সময় লাগে। যা ক্যালেন্ডারের মাসের চেয়ে কিছুটা কম।

ওইদিন রাতের শেষ আকর্ষণ হচ্ছে চন্দ্রগ্রহণ।নাসা জানাচ্ছে, উত্তর আমেরিকা জুড়ে এই চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের বাসিন্দারা দিনের প্রথম প্রহরে চাঁদ রক্তাভ আকার ধারণ করছে এমনটা দেখতে পাবেন। তবে পশ্চিম উপকূলের বাসিন্দারা এরচেয়েও বেশি কিছু দেখতে পাবেন।তবে হাওয়াই, আলাস্কা, অস্ট্রেলিয়া ও পূর্ব এশিয়ার মানুষরা পুরো চন্দ্রগ্রহণটা দেখতে পাবেন। যদি আপনি বাইরে যেতে না পারেন কিংবা মেঘের কারণে দেখতে না পারেন তাহলেও চিন্তার কোনো কারণ নেই, কেননা নাসা টিভি পুরো ঘটনাটাই সম্প্রচারের পরিকল্পনা করেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

জানুয়ারির শেষদিন দেখা যাবে সুপার ব্লু ব্লাড মুন

আপডেট টাইম : ০৫:৩৫:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ৩১ জানুয়ারি রাতে বিশ্ব এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখবে। ওই রাতে কক্ষপথে একইসঙ্গে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য নৃত্য করবে! এর ফলে ওই রাতে ব্লু মুন, সুপারমুন ও চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে । আর এমনটা ঘটছে পৃথিবীকে কেন্দ্র করে চাঁদের অসম প্রদক্ষিণের কারণে। কেননা চাঁদ পৃথিবী থেকে গড়ে দুই লাখ ৩৯ হাজার মাইল দূর থেকে প্রদিক্ষণ করে। কিন্তু কক্ষপথে এর বৃত্ত পূর্ণ না। কখনও এটি পৃথিবীর অনেক কাছে চলে আসে (অনুভূ), আবার কখনও এটি দূরে সরে যায় (অপভূ)।

চাঁদের অনুভূর সময় সূর্য-চাঁদ-পৃথিবী কক্ষপথে সমান্তরালে থাকাবস্থায় সুপারমুন হয়। ওই রাতে চাঁদ অবশ্যই সুপার হবে। কেননা এটি পৃথিবীর দুই লাখ ২৩ হাজার ৬৯ মাইল কাছে চলে আসবে। এ কারণে ১৫ জানুয়ারির তুলনায় চাঁদ ১৩ শতাংশ চওড়া ও ২৮ শতাংশ বড় দেখা যাবে। সেদিন চাঁদ পৃথিবী থেকে সর্বোচ্চ দূরবর্তী অবস্থানে ছিল।

তবে সুপারমুনের ক্ষেত্রে চাঁদ স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশকিছুটা বড় দেখা যায়। কিন্তু ৩১ জানুয়ারি এটিকে ব্লু সুপারমুন বলার কারণ হচ্ছে এটি চলতি মাসের দ্বিতীয় সুপারমুন। এ মাসের প্রথম দিন পূর্ণ চাঁদ দেখা যায়, যেটি ছিল বড় ও উজ্জ্বল সুপারমুন।কিন্তু ব্লু মুন প্রতি ২ দশমিক ৭ বছর পর দেখা যায়। চাঁদের সঙ্গে দিনপঞ্জিকার অসামঞ্জস্যতার কারণে এটি দেখা যায়। পূর্ণিমা থেকে ক্ষয়িঞ্চু এই চক্র পূরণ করতে চাঁদের ২৯ দিন সময় লাগে। যা ক্যালেন্ডারের মাসের চেয়ে কিছুটা কম।

ওইদিন রাতের শেষ আকর্ষণ হচ্ছে চন্দ্রগ্রহণ।নাসা জানাচ্ছে, উত্তর আমেরিকা জুড়ে এই চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের বাসিন্দারা দিনের প্রথম প্রহরে চাঁদ রক্তাভ আকার ধারণ করছে এমনটা দেখতে পাবেন। তবে পশ্চিম উপকূলের বাসিন্দারা এরচেয়েও বেশি কিছু দেখতে পাবেন।তবে হাওয়াই, আলাস্কা, অস্ট্রেলিয়া ও পূর্ব এশিয়ার মানুষরা পুরো চন্দ্রগ্রহণটা দেখতে পাবেন। যদি আপনি বাইরে যেতে না পারেন কিংবা মেঘের কারণে দেখতে না পারেন তাহলেও চিন্তার কোনো কারণ নেই, কেননা নাসা টিভি পুরো ঘটনাটাই সম্প্রচারের পরিকল্পনা করেছে।