ঢাকা ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

আবাসিক লালতলা প্রিনা প্রজাতির পাখি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০১৭
  • ৫১২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মেটেবুক প্রিনা’ নিয়ে গত সংখ্যায় লিখেছি। আজ ওদের জ্ঞাতি ভাই ‘লালতলা প্রিনা’ নিয়ে লিখছি। উভয়ই স্থানীয় প্রজাতির পাখি। চিকন গড়ন। মায়াবী চেহারার। তবে লালতলা প্রিনা আকারে খানিকটা বড়। স্বভাবে চঞ্চল। কণ্ঠস্বর তত সুমধুর নয়।

বাদবাকি আচরণ মেটেবুক প্রিনার মতো। তবে এদের বৈশ্বিক বিস্তৃতি ভিন্ন। বাংলাদেশ ব্যতীত ভারত, নেপাল, পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল।

প্রিয় পাঠক, এবার ভিন্ন প্রসঙ্গ। নিজের জন্য একটি আনন্দের সংবাদ। বোধ করি আপনাদের কাছে কিছুটা হলেও ভালো লাগবে। কথাসাহিত্যে এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বিশেষ অবদান রাখার জন্য গত সপ্তাহে আমাকে ‘বিজয় দিবস সম্মাননা-২০১৭’ প্রদান করে ক্যানভাস অব বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. এম ইয়াছিন আলী ভাই। তার আরেকটি পরিচয় হচ্ছে, তিনি হাওর বার্তা পত্রিকায় নিয়মিত স্বাস্থ্যপাতায় লেখালেখি করেন। তবে তিনি নিজেও একজন প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ; হয়তো বিবেচনায় রেখেছেন আমাকে তাই। এ ফিচারের মাধ্যমে ধন্যবাদ জানিয়ে রাখলাম তাকে। যাই হোক, ফিরে যাচ্ছি নিয়মিত লেখায়।

পাখির বাংলা নাম: ‘লালতলা প্রিনা’, ইংরেজি নাম: ‘রুফাস ভেন্টেড প্রিনিয়া’ (Rufous-vented Prinia), বৈজ্ঞানিক নাম: Prinia burnesii। এরা ‘জলাভূমির লেজ-তোলা টুনি’ নামেও পরিচিত।

প্রজাতির গড় দৈর্ঘ্য ১৭ সেন্টিমিটার। ওজন ১৯ গ্রাম। স্ত্রী-পুরুষ পাখির চেহারা অভিন্ন হলেও পুরুষ পাখির রঙে সামান্য পার্থক্য রয়েছে। পুরুষ পাখি গাঢ় বাদামী রঙের। স্ত্রী পাখি হালকা বাদামি। উভয়ের লেজ লম্বা, কালচে বাদামি। লেজতল লালচে। দেহতল বাদামি-সাদা। ঠোঁট খাটো, জলপাই কালচে। চোখ বাদামি। পা ও পায়ের পাতা হলুদাভ ত্বক বর্ণের। প্রজনন পালক ভিন্ন। প্রধান খাবার: কীটপতঙ্গ, পোকামাকড়।

প্রজনন মৌসুম আগস্ট-সেপ্টেম্বর। অঞ্চলভেদে প্রজনন মৌসুমের হেরফের রয়েছে। ভূমি থেকে এক-দেড় মিটার উঁচুতে গাছেরপাতা পেঁচিয়ে কাপ আকৃতির বাসা বাঁধে। ডিম পাড়ে ৩-৪টি। ডিম ফুটতে সময় লাগে ১০-১১ দিন।

লেখক: আলম শাইন,

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

আবাসিক লালতলা প্রিনা প্রজাতির পাখি

আপডেট টাইম : ১১:০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মেটেবুক প্রিনা’ নিয়ে গত সংখ্যায় লিখেছি। আজ ওদের জ্ঞাতি ভাই ‘লালতলা প্রিনা’ নিয়ে লিখছি। উভয়ই স্থানীয় প্রজাতির পাখি। চিকন গড়ন। মায়াবী চেহারার। তবে লালতলা প্রিনা আকারে খানিকটা বড়। স্বভাবে চঞ্চল। কণ্ঠস্বর তত সুমধুর নয়।

বাদবাকি আচরণ মেটেবুক প্রিনার মতো। তবে এদের বৈশ্বিক বিস্তৃতি ভিন্ন। বাংলাদেশ ব্যতীত ভারত, নেপাল, পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল।

প্রিয় পাঠক, এবার ভিন্ন প্রসঙ্গ। নিজের জন্য একটি আনন্দের সংবাদ। বোধ করি আপনাদের কাছে কিছুটা হলেও ভালো লাগবে। কথাসাহিত্যে এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বিশেষ অবদান রাখার জন্য গত সপ্তাহে আমাকে ‘বিজয় দিবস সম্মাননা-২০১৭’ প্রদান করে ক্যানভাস অব বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. এম ইয়াছিন আলী ভাই। তার আরেকটি পরিচয় হচ্ছে, তিনি হাওর বার্তা পত্রিকায় নিয়মিত স্বাস্থ্যপাতায় লেখালেখি করেন। তবে তিনি নিজেও একজন প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ; হয়তো বিবেচনায় রেখেছেন আমাকে তাই। এ ফিচারের মাধ্যমে ধন্যবাদ জানিয়ে রাখলাম তাকে। যাই হোক, ফিরে যাচ্ছি নিয়মিত লেখায়।

পাখির বাংলা নাম: ‘লালতলা প্রিনা’, ইংরেজি নাম: ‘রুফাস ভেন্টেড প্রিনিয়া’ (Rufous-vented Prinia), বৈজ্ঞানিক নাম: Prinia burnesii। এরা ‘জলাভূমির লেজ-তোলা টুনি’ নামেও পরিচিত।

প্রজাতির গড় দৈর্ঘ্য ১৭ সেন্টিমিটার। ওজন ১৯ গ্রাম। স্ত্রী-পুরুষ পাখির চেহারা অভিন্ন হলেও পুরুষ পাখির রঙে সামান্য পার্থক্য রয়েছে। পুরুষ পাখি গাঢ় বাদামী রঙের। স্ত্রী পাখি হালকা বাদামি। উভয়ের লেজ লম্বা, কালচে বাদামি। লেজতল লালচে। দেহতল বাদামি-সাদা। ঠোঁট খাটো, জলপাই কালচে। চোখ বাদামি। পা ও পায়ের পাতা হলুদাভ ত্বক বর্ণের। প্রজনন পালক ভিন্ন। প্রধান খাবার: কীটপতঙ্গ, পোকামাকড়।

প্রজনন মৌসুম আগস্ট-সেপ্টেম্বর। অঞ্চলভেদে প্রজনন মৌসুমের হেরফের রয়েছে। ভূমি থেকে এক-দেড় মিটার উঁচুতে গাছেরপাতা পেঁচিয়ে কাপ আকৃতির বাসা বাঁধে। ডিম পাড়ে ৩-৪টি। ডিম ফুটতে সময় লাগে ১০-১১ দিন।

লেখক: আলম শাইন,