ঢাকা ০৩:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

এই পাতি শরালিদের ডাক শুনে হৃদয় জুড়ায়ে যায়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:১৯:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৭
  • ৪৭৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দু’দিকেই চা বাগানের হৈমন্তিক শোভা। টিলা ভেদ করে পাকা সড়কটি পৌঁছে গেছে দূর অজানার পানে। চা বাগানের ছায়াগাছগুলোতে তখন ছড়িয়ে পড়ে মিষ্টি রোদের সোনার ঝিলিক। গাছে গাছে পাতায় পাতায় আর প্রকৃতির প্রসারিত অবারিত বুকজুড়ে সূর্যের আলো আর ছায়ার অপরূপ রূপ। এই দৃশ্যে মনপ্রাণ-চোখ ভরে উঠতে না উঠতেই শোনা যাবে পাতি শরালিদের (Lesser Whistling Duck) ডাকাডাকি। বিলটিতে পৌঁছামাত্র জলচর পাখিদের এমন রোমাঞ্চভরা ডাক শোনা যাবে।  এমন অবিরল, এমন শ্রবণমধুর ডাক বহুদিন শোনা হয়নি শহুরে নাগরিকদের। ‘হুইহুয়ি-চিচিচি’ এমন ধ্বনির সম্মিলিত স্বরগ্রামে ভরে উঠবে শহুরে মানুষের অনভ্যস্থ কান। প্রকৃতির মুখর-নিবিড় সুর-স্বর কান থেকে দূরে সরিয়ে দেবে মেটালিক শব্দের অট্টরোল। আর টিলাঘেরা এই জনপদের নয়নাভিরাম সৌন্দর্যে অবগাহনের সুযোগ তো আছেই।

এই পাতি-শরালিদের ডাক শুনে হৃদয় জুড়ায়। তাদের জলকেলি দেখে আপনা থেকেই ভরে ওঠে প্রাণ! জলচর এইসব হাঁসেদের ডাকেই সকাল আসে এখানে নিত্যদিন। হাঁস আর নানা প্রজাতির পাখিরা তাদের সম্মিলিত ডাকাডাকির মধ্য দিয়ে রাত্রির অন্ধকার থেকে ঝলমলে ভোরকে ফিরিয়ে নিয়ে আসে যেন।

মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার রাজঘাট চা বাগানের এই বিল-টিলাঘেরা নৈসর্গিক শোভা ছড়িয়ে থাকে আদিগন্ত। চা বাগান কর্তৃপক্ষের বিধিনিষেধ আর লোকচক্ষুর অন্তরালে পড়ে থাকার কারণে এটি প্রকৃতিপ্রেমীদের অদেখাই রয়ে গেছে।

Image result for অথিতি পাখির ছবি

গত (৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে এগারোটায় এই বিলে পৌঁছে দেখা যায়, পাতি-শরালিসহ জলচর পাখিদের সরব উপস্থিতি। জলকেলির সাথে পরস্পরের সঙ্গে নিবিড় আলাপনে মগ্ন ওরা। বিলজুড়ে ফুটে রয়েছে অসংখ্য শাপলা-পদ্ম। লাল শাপলার অসীম প্রাচুর্য বিলটিকে দিয়েছে নয়নমোহন শোভারূপ।

লেকের পুব পাশ ঘেঁষে নীরবে চলে গেছে সরু একটি পথ। এ পথটি মাটির। তবে এর কিছু অংশ ঘাসে ঢাকা।  সেই পথ ধরে এগোতেই বিলের আঁকাবাঁকা বাঁক। একপাশে চা গাছের সবুজ সারি, অন্যপাশে বিলের কাকচক্ষু জলের শোভা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

এই পাতি শরালিদের ডাক শুনে হৃদয় জুড়ায়ে যায়

আপডেট টাইম : ০৫:১৯:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দু’দিকেই চা বাগানের হৈমন্তিক শোভা। টিলা ভেদ করে পাকা সড়কটি পৌঁছে গেছে দূর অজানার পানে। চা বাগানের ছায়াগাছগুলোতে তখন ছড়িয়ে পড়ে মিষ্টি রোদের সোনার ঝিলিক। গাছে গাছে পাতায় পাতায় আর প্রকৃতির প্রসারিত অবারিত বুকজুড়ে সূর্যের আলো আর ছায়ার অপরূপ রূপ। এই দৃশ্যে মনপ্রাণ-চোখ ভরে উঠতে না উঠতেই শোনা যাবে পাতি শরালিদের (Lesser Whistling Duck) ডাকাডাকি। বিলটিতে পৌঁছামাত্র জলচর পাখিদের এমন রোমাঞ্চভরা ডাক শোনা যাবে।  এমন অবিরল, এমন শ্রবণমধুর ডাক বহুদিন শোনা হয়নি শহুরে নাগরিকদের। ‘হুইহুয়ি-চিচিচি’ এমন ধ্বনির সম্মিলিত স্বরগ্রামে ভরে উঠবে শহুরে মানুষের অনভ্যস্থ কান। প্রকৃতির মুখর-নিবিড় সুর-স্বর কান থেকে দূরে সরিয়ে দেবে মেটালিক শব্দের অট্টরোল। আর টিলাঘেরা এই জনপদের নয়নাভিরাম সৌন্দর্যে অবগাহনের সুযোগ তো আছেই।

এই পাতি-শরালিদের ডাক শুনে হৃদয় জুড়ায়। তাদের জলকেলি দেখে আপনা থেকেই ভরে ওঠে প্রাণ! জলচর এইসব হাঁসেদের ডাকেই সকাল আসে এখানে নিত্যদিন। হাঁস আর নানা প্রজাতির পাখিরা তাদের সম্মিলিত ডাকাডাকির মধ্য দিয়ে রাত্রির অন্ধকার থেকে ঝলমলে ভোরকে ফিরিয়ে নিয়ে আসে যেন।

মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার রাজঘাট চা বাগানের এই বিল-টিলাঘেরা নৈসর্গিক শোভা ছড়িয়ে থাকে আদিগন্ত। চা বাগান কর্তৃপক্ষের বিধিনিষেধ আর লোকচক্ষুর অন্তরালে পড়ে থাকার কারণে এটি প্রকৃতিপ্রেমীদের অদেখাই রয়ে গেছে।

Image result for অথিতি পাখির ছবি

গত (৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে এগারোটায় এই বিলে পৌঁছে দেখা যায়, পাতি-শরালিসহ জলচর পাখিদের সরব উপস্থিতি। জলকেলির সাথে পরস্পরের সঙ্গে নিবিড় আলাপনে মগ্ন ওরা। বিলজুড়ে ফুটে রয়েছে অসংখ্য শাপলা-পদ্ম। লাল শাপলার অসীম প্রাচুর্য বিলটিকে দিয়েছে নয়নমোহন শোভারূপ।

লেকের পুব পাশ ঘেঁষে নীরবে চলে গেছে সরু একটি পথ। এ পথটি মাটির। তবে এর কিছু অংশ ঘাসে ঢাকা।  সেই পথ ধরে এগোতেই বিলের আঁকাবাঁকা বাঁক। একপাশে চা গাছের সবুজ সারি, অন্যপাশে বিলের কাকচক্ষু জলের শোভা।