ঢাকা ১১:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

পরিযায়ী সাদা কালো ফিদ্দা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ নভেম্বর ২০১৭
  • ৪০০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রাকৃতিক আবাসস্থল নিম্নভূমি এবং সমভূমির বৃক্ষরাজি কিংবা পাহাড়ের কিনারের পাথর খণ্ড। বিচরণ করে একাকী। প্রজনন মৌসুমে জোড়ায় জোড়ায় দেখা যায়। পুরুষ পাখি হুবহু দোয়েল বর্ণের হলেও দোয়েলের মতো অত নাদুস-নদুস নয় এরা। সিম। পুরুষের তুলনায় স্ত্রী পাখি অনেকটাই নিষ্প্রভ। রঙ বাদামি। স্বভাবে চঞ্চল। কণ্ঠস্বর সুমধুর। দেশে পরিযায়ী হয়ে আসে। বাংলাদেশ ছাড়া বৈশ্বিক বিস্তৃতি ভারত, নেপাল, মিয়ানমার, লাওস, ইন্দোচীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড পর্যন্ত।

প্রিয় পাঠক, এবার ভিন্ন প্রসঙ্গ। ‘আমার অনেক ঋণ আছে’, বইটি প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য লিখেছেন মুকিত মজুমদার বাবু। যিনি একাধারে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, পরিচালক ইমপ্রেস গ্রুপ, চ্যানেল আই। বইটি আমাকে যথেষ্ট উজ্জীবিত করেছে প্রকৃতির কাছাকাছি যেতে এবং প্রকৃতি সংরক্ষণে কাজ করতে। বোধ করি আপনিও উজ্জীবিত হবেন প্রকৃতি সংরক্ষণে এগিয়ে আসতে। পড়ার অনুরোধ রইল তাই। কোনো রকম প্ররোচিত হয়ে বলছি না, একজন প্রকৃতিপ্রেমী হিসেবে জানান দিলাম শুধু, এবার মূল প্রসঙ্গে ফিরে যাচ্ছি।

পাখির বাংলা নাম: ‘সাদা-কালো ফিদ্দা’, ইংরেজি নাম: ‘জার্ডন’স বুশ চ্যাট’ (Jerdon’s Bush Chat), বৈজ্ঞানিক নাম: Saxicola jerdoni। এরা ‘জার্ডনের ঝাড়ফিদ্দা’ নামেও পরিচিত।

দৈর্ঘ্য ১৪-১৫ সেন্টিমিটার। স্ত্রী-পুরুষ পাখির চেহারা ভিন্ন। পুরুষ পাখির মাথা, ঘাড়, পিঠ ও লেজ নীলচে কালো। ডানার প্রান্ত পালক কুচকুচে কালো। গলা ও বুক কালো। দেহতল ধবধবে সাদা, লেজতল কালো। স্ত্রী পাখির মাথা, ঘাড় ও পিঠ বাদামি। দেহতল বাদামি সাদা। উভয়ের চোখের বলয় নীলাভ, মনি কালো। ঠোঁট কালো। পা ধূসর কালো।

প্রধান খাদ্য: ভূমিজ কীটপতঙ্গ।

প্রজনন সময় ফেব্রুয়ারি থেকে মে। অঞ্চলভেদে প্রজনন মৌসুমের হেরফের রয়েছে। ঘাস, লতা-পাতা দিয়ে বাসা বাঁধে। বাসা অনেকটাই পেয়ালা আকৃতির। ডিম পাড়ে ২-৫টি। ডিম ফুটতে সময় লাগে ১২-১৩ দিন।

লেখক: আলম শাইন, কথাসাহিত্যিক, বন্যপ্রাণি বিশারদ ও পরিবেশবিদ।

মানবকণ্ঠ

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

পরিযায়ী সাদা কালো ফিদ্দা

আপডেট টাইম : ১১:৩৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ নভেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রাকৃতিক আবাসস্থল নিম্নভূমি এবং সমভূমির বৃক্ষরাজি কিংবা পাহাড়ের কিনারের পাথর খণ্ড। বিচরণ করে একাকী। প্রজনন মৌসুমে জোড়ায় জোড়ায় দেখা যায়। পুরুষ পাখি হুবহু দোয়েল বর্ণের হলেও দোয়েলের মতো অত নাদুস-নদুস নয় এরা। সিম। পুরুষের তুলনায় স্ত্রী পাখি অনেকটাই নিষ্প্রভ। রঙ বাদামি। স্বভাবে চঞ্চল। কণ্ঠস্বর সুমধুর। দেশে পরিযায়ী হয়ে আসে। বাংলাদেশ ছাড়া বৈশ্বিক বিস্তৃতি ভারত, নেপাল, মিয়ানমার, লাওস, ইন্দোচীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড পর্যন্ত।

প্রিয় পাঠক, এবার ভিন্ন প্রসঙ্গ। ‘আমার অনেক ঋণ আছে’, বইটি প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য লিখেছেন মুকিত মজুমদার বাবু। যিনি একাধারে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, পরিচালক ইমপ্রেস গ্রুপ, চ্যানেল আই। বইটি আমাকে যথেষ্ট উজ্জীবিত করেছে প্রকৃতির কাছাকাছি যেতে এবং প্রকৃতি সংরক্ষণে কাজ করতে। বোধ করি আপনিও উজ্জীবিত হবেন প্রকৃতি সংরক্ষণে এগিয়ে আসতে। পড়ার অনুরোধ রইল তাই। কোনো রকম প্ররোচিত হয়ে বলছি না, একজন প্রকৃতিপ্রেমী হিসেবে জানান দিলাম শুধু, এবার মূল প্রসঙ্গে ফিরে যাচ্ছি।

পাখির বাংলা নাম: ‘সাদা-কালো ফিদ্দা’, ইংরেজি নাম: ‘জার্ডন’স বুশ চ্যাট’ (Jerdon’s Bush Chat), বৈজ্ঞানিক নাম: Saxicola jerdoni। এরা ‘জার্ডনের ঝাড়ফিদ্দা’ নামেও পরিচিত।

দৈর্ঘ্য ১৪-১৫ সেন্টিমিটার। স্ত্রী-পুরুষ পাখির চেহারা ভিন্ন। পুরুষ পাখির মাথা, ঘাড়, পিঠ ও লেজ নীলচে কালো। ডানার প্রান্ত পালক কুচকুচে কালো। গলা ও বুক কালো। দেহতল ধবধবে সাদা, লেজতল কালো। স্ত্রী পাখির মাথা, ঘাড় ও পিঠ বাদামি। দেহতল বাদামি সাদা। উভয়ের চোখের বলয় নীলাভ, মনি কালো। ঠোঁট কালো। পা ধূসর কালো।

প্রধান খাদ্য: ভূমিজ কীটপতঙ্গ।

প্রজনন সময় ফেব্রুয়ারি থেকে মে। অঞ্চলভেদে প্রজনন মৌসুমের হেরফের রয়েছে। ঘাস, লতা-পাতা দিয়ে বাসা বাঁধে। বাসা অনেকটাই পেয়ালা আকৃতির। ডিম পাড়ে ২-৫টি। ডিম ফুটতে সময় লাগে ১২-১৩ দিন।

লেখক: আলম শাইন, কথাসাহিত্যিক, বন্যপ্রাণি বিশারদ ও পরিবেশবিদ।

মানবকণ্ঠ