ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

সব শুনার পর নেত্রী আমাকে আ.লীগে যোগ দিতে বলেন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:১১:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০১৫
  • ৪০১ বার

কাঁদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা নিয়ে দলীয় ফোরামে আলোচনা করতে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমকে পরামর্শ দিয়েছেন উপদেষ্টামন্ডলির সদস্য ও সাবেক সেনাপ্রধান কে এম শফিউল্লাহ। বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড ও তখনকার সেনাপ্রধানের ভূমিকা নিয়ে আবারও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এখন তা চলছে দলের ভেতরেই। একে অপরের দিকে আঙ্গুল তুলেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এবং উপদেষ্টামন্ডলির সদস্য ও সাবেক সেনাপ্রধান কে এম শফিউল্লাহ।

দলীয় ফোরামের বদলে জনসম্মুখে এমন অভিযোগ করায় শেখ সেলিমের তীব্র সমালোচনা করেছেন কে এম শফিউল্লাহ। এ নিয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলির সদস্য ও সাবেক সেনাপ্রধান কে এম শফিউল্লাহ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের সময় আমার ভূমিকা নিয়ে শেখ সেলিমই সমালোচনা করেছেন অন্য কেউ এ নিয়ে কিছু বলেননি। সবাই জানে সে দিন কি হয়েছিল। এসব আলোচনা দলীয় ফোরামে হওয়া উচিত ছিল। আমি মনে করি নেত্রী সবাইকে ডেকে আমাকে সামনে রেখে কথাগুলো বলে যা করা উচিত ছিল তা করতো। বর্তমানে যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে বঙ্গবন্ধুর হত্যা নিয়ে সেনাবাহিনীর প্রধানের তা বাইরে প্রকাশ পেত না।

তিনি আরও বলেন, ‘সেনাবাহিনীর বিপথগামীদের ঠেকানোর কোন উপায় তার ছিলো না। সেনাপ্রধান হিসেবে তার কোন ব্যর্থতা ছিল না। এটা নিয়ে আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় নেত্রীর কার্যালয়ে নেত্রীর সাথে এই বিষয়ে ৩-৪ ঘন্টা কথা হয়। সব শুনার পরে নেত্রী আর কিছু না বলে আমাকে আওয়ামী লীগে যোগ দিতে বলে।’ সূত্র : ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

সব শুনার পর নেত্রী আমাকে আ.লীগে যোগ দিতে বলেন

আপডেট টাইম : ০৮:১১:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০১৫

কাঁদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা নিয়ে দলীয় ফোরামে আলোচনা করতে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমকে পরামর্শ দিয়েছেন উপদেষ্টামন্ডলির সদস্য ও সাবেক সেনাপ্রধান কে এম শফিউল্লাহ। বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড ও তখনকার সেনাপ্রধানের ভূমিকা নিয়ে আবারও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এখন তা চলছে দলের ভেতরেই। একে অপরের দিকে আঙ্গুল তুলেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এবং উপদেষ্টামন্ডলির সদস্য ও সাবেক সেনাপ্রধান কে এম শফিউল্লাহ।

দলীয় ফোরামের বদলে জনসম্মুখে এমন অভিযোগ করায় শেখ সেলিমের তীব্র সমালোচনা করেছেন কে এম শফিউল্লাহ। এ নিয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলির সদস্য ও সাবেক সেনাপ্রধান কে এম শফিউল্লাহ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের সময় আমার ভূমিকা নিয়ে শেখ সেলিমই সমালোচনা করেছেন অন্য কেউ এ নিয়ে কিছু বলেননি। সবাই জানে সে দিন কি হয়েছিল। এসব আলোচনা দলীয় ফোরামে হওয়া উচিত ছিল। আমি মনে করি নেত্রী সবাইকে ডেকে আমাকে সামনে রেখে কথাগুলো বলে যা করা উচিত ছিল তা করতো। বর্তমানে যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে বঙ্গবন্ধুর হত্যা নিয়ে সেনাবাহিনীর প্রধানের তা বাইরে প্রকাশ পেত না।

তিনি আরও বলেন, ‘সেনাবাহিনীর বিপথগামীদের ঠেকানোর কোন উপায় তার ছিলো না। সেনাপ্রধান হিসেবে তার কোন ব্যর্থতা ছিল না। এটা নিয়ে আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় নেত্রীর কার্যালয়ে নেত্রীর সাথে এই বিষয়ে ৩-৪ ঘন্টা কথা হয়। সব শুনার পরে নেত্রী আর কিছু না বলে আমাকে আওয়ামী লীগে যোগ দিতে বলে।’ সূত্র : ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি