ঢাকা ১১:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

শীতের আগমনী অতিথি পাখি আসছে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:০০:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ নভেম্বর ২০১৭
  • ৪০৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রতিবছর শীতকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) আগমন ঘটে বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি পাখির। পাখিদের কিচিরমিচিরে মুখরিত হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস।

লেকময় ফুটে থাকা লাল পদ্ম আর পাখির ওড়াউড়ি, জলকেলি-খুনসুটি শীতকালে এ ক্যাম্পাসের চেনা দৃশ্য। এই মনোহর দৃশ্য উপভোগ করতে শীতে ক্যাম্পাসে সমাগম হয় বিপুল দর্শনার্থীর।

প্রতিবছরের মতো এবারও শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকগুলোতে আসতে শুরু করেছে পাখি। গত সপ্তাহ থেকেই পাখি আসা শুরু করেছে লেকগুলোতে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ছোট-বড় ১০ থেকে ১২টি লেক থাকলেও পাখি আসে মূলত চারটি লেকে। এগুলোকে পাখির জন্য অভয়ারণ্য ঘোষণা করেছে জাবি প্রশাসন।

এ বছর এখন পর্যন্ত রেজিস্ট্রার ভবনের সামনের লেক ও ট্রান্সপোর্ট সংলগ্ন লেক। এই দুটি লেকেই দেশীয় সরালি নামের হাঁসজাতীয় পাখির দেখা মিলেছে। বাকি লেকগুলোতে এখনো পাখি আসতে শুরু করেনি।পাখি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মোস্তফা ফিরোজ জানান, ‘সরালি আমাদের দেশীয় প্রজাতিরই পাখি। এরা সাধারণত দেশের উত্তরাঞ্চলের চর ও হাওর-বাওরে বাস করে।’ এদের অতিথি পাখি বলতে নারাজ তিনি।

অধ্যাপক ফিরোজ আরো বলেন, ‘জাহাঙ্গীরনগরে যে পাখিগুলো আসে এগুলোর অধিকাংশই আমাদের দেশীয় হাঁসজাতীয় পাখি। অল্প কয়েক প্রজাতির বিদেশি পাখিও আসে। তবে তারা আসে ডিসেম্বরে। এখন যে পাখিগুলো এসেছে এগুলো সরালি।

এরা সাধারণত বাংলাদেশের হিমালয়ের কাছাকাছি দূরত্বের জেলাগুলো ও হাওর-বাওরে বাস করে। জাহাঙ্গীরনগরেও এদের ডিম পাড়া ও বাচ্চা ফোটানোর ঘটনা ঘটেছে। এদের অতিথি বা পরিযায়ী পাখি বলা যায় না। হয়তো জাহাঙ্গীরনগরের জন্য অতিথি বলা যেতে পারে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের গবেষণা তথ্যমতে, জাবির লেকগুলোতে ১৯৮৬ সালে সর্বপ্রথম অতিথি পাখি আসে। তখন ক্যাম্পাসে ৯৮ প্রজাতির পাখির দেখা মিলেছে। বর্তমানে ক্যাম্পাসে ১৯৫ প্রজাতির পাখির দেখা মেলে। এর মধ্যে ১২৬টি দেশীয় প্রজাতির এবং ৬৯টি বিদেশি। পাখি সংরক্ষণ ও গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছর পাখি মেলার আয়োজন করে প্রাণিবিদ্যা বিভাগ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

শীতের আগমনী অতিথি পাখি আসছে

আপডেট টাইম : ০৫:০০:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ নভেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রতিবছর শীতকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) আগমন ঘটে বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি পাখির। পাখিদের কিচিরমিচিরে মুখরিত হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস।

লেকময় ফুটে থাকা লাল পদ্ম আর পাখির ওড়াউড়ি, জলকেলি-খুনসুটি শীতকালে এ ক্যাম্পাসের চেনা দৃশ্য। এই মনোহর দৃশ্য উপভোগ করতে শীতে ক্যাম্পাসে সমাগম হয় বিপুল দর্শনার্থীর।

প্রতিবছরের মতো এবারও শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকগুলোতে আসতে শুরু করেছে পাখি। গত সপ্তাহ থেকেই পাখি আসা শুরু করেছে লেকগুলোতে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ছোট-বড় ১০ থেকে ১২টি লেক থাকলেও পাখি আসে মূলত চারটি লেকে। এগুলোকে পাখির জন্য অভয়ারণ্য ঘোষণা করেছে জাবি প্রশাসন।

এ বছর এখন পর্যন্ত রেজিস্ট্রার ভবনের সামনের লেক ও ট্রান্সপোর্ট সংলগ্ন লেক। এই দুটি লেকেই দেশীয় সরালি নামের হাঁসজাতীয় পাখির দেখা মিলেছে। বাকি লেকগুলোতে এখনো পাখি আসতে শুরু করেনি।পাখি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মোস্তফা ফিরোজ জানান, ‘সরালি আমাদের দেশীয় প্রজাতিরই পাখি। এরা সাধারণত দেশের উত্তরাঞ্চলের চর ও হাওর-বাওরে বাস করে।’ এদের অতিথি পাখি বলতে নারাজ তিনি।

অধ্যাপক ফিরোজ আরো বলেন, ‘জাহাঙ্গীরনগরে যে পাখিগুলো আসে এগুলোর অধিকাংশই আমাদের দেশীয় হাঁসজাতীয় পাখি। অল্প কয়েক প্রজাতির বিদেশি পাখিও আসে। তবে তারা আসে ডিসেম্বরে। এখন যে পাখিগুলো এসেছে এগুলো সরালি।

এরা সাধারণত বাংলাদেশের হিমালয়ের কাছাকাছি দূরত্বের জেলাগুলো ও হাওর-বাওরে বাস করে। জাহাঙ্গীরনগরেও এদের ডিম পাড়া ও বাচ্চা ফোটানোর ঘটনা ঘটেছে। এদের অতিথি বা পরিযায়ী পাখি বলা যায় না। হয়তো জাহাঙ্গীরনগরের জন্য অতিথি বলা যেতে পারে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের গবেষণা তথ্যমতে, জাবির লেকগুলোতে ১৯৮৬ সালে সর্বপ্রথম অতিথি পাখি আসে। তখন ক্যাম্পাসে ৯৮ প্রজাতির পাখির দেখা মিলেছে। বর্তমানে ক্যাম্পাসে ১৯৫ প্রজাতির পাখির দেখা মেলে। এর মধ্যে ১২৬টি দেশীয় প্রজাতির এবং ৬৯টি বিদেশি। পাখি সংরক্ষণ ও গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছর পাখি মেলার আয়োজন করে প্রাণিবিদ্যা বিভাগ।