ঢাকা ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ সাড়ে ৩ কেজি ওজনের দুই ইলিশ ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন হচ্ছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী থমকে আছে উন্নয়ন প্রকল্প ও তদারকি, মন্ত্রণালয়ে ঘুরছেন এমপিরা কেন শিশুদের ঘ্রাণবিষয়ক শিক্ষা দিতে বললেন এই বিশেষজ্ঞ নতুন পে-স্কেলে কোন গ্রেডে কত বাড়ল বেতন বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জনগণই বিএনপির রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস: তারেক রহমান নরওয়ের রাজার মৃত্যুতে বাংলাদেশের পক্ষে শোকবইয়ে স্বাক্ষর স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর যশোরে নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিমন্ত্রী ও এমপিসহ ১১৩ জনের নামে মামলা হাদি হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

আমনের ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:০৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৭
  • ৩৯৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতিটি ধানক্ষেতে বাতাসে দুলছে পাকা ধানের শীষ। মাঠে মাঠে রোপা আমন ধান কাটা-মাড়াই পুরোদমে শুরু করেছে কৃষকরা। তাই কৃষকের মুখে ফুটছে উজ্জ্বল হাসি।

সরজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ধানক্ষেতে ঘুরে দেখা যায়, কৃষক ও মজুররা দলবদ্ধভাবে জমিতে ধান কাটা ও মাড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। চলতি মৌসুমে রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলনের পাশাপাশি বাজারে ধানের দাম ভালো থাকায় কৃষকরা বেশ উৎফুল্লতার সঙ্গে ধান কাটা-মাড়াইয়ের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার চলতি মৌসুমে উপজেলায় ২৩ হাজার ১৭৪ হেক্টর জমিতে রোপা-আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় শুরুতে রোপা আমন ধানের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হলেও বন্যা পরবর্তী সময় কাটিয়ে ২৩ হাজার ২১৫ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনা বেশি।

সাতনালা গ্রামের ধান চাষী সামাদ বলেন, বাজারে চাহিদা ও দাম বেশি হওয়ায় অন্যান্য জাতের তুলনায় কাটারি ধানও ভালো চাষ হয়েছে। এজন্য কাটারি ধানের মৌ মৌ গন্ধে ভরে উঠেছে মাঠ। একই কথা বলেন আলোকডিহি গ্রামের ধান চাষী নুরজ্জামানও।

নশরতপুর ইউনিয়নের মাঠে ধান কাটার সময় নালীপাড়া গ্রামের কৃষক মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, তিনি স্বর্ণা-মামুনসহ এই জাতের ধান বিঘাপ্রতি ২৩ থেকে ২৫ মণ করে পাচ্ছেন। আর বাজারে বর্তমানে প্রতিমণ ধান বিক্রি হচ্ছে আটশ টাকা দরে। তিনি আরো জানান, ধানের এমন দাম পাওয়া গেলে তাদের কোনো সমস্যা হবে না।

উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মাহমুদুল হাসান জানান, বন্যা পরবর্তী সময় কাটিয়ে আগাম জাতের রোপা আমন ধানের চাষ ভালো হয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলার সর্বত্রই কৃষকরা ধান কাটতে শুরু করেছেন। কৃষকরা তাদের কষ্টের ফসল মাড়াইয়ের কাজ ঠিকভাবে করতে পারলে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলেও তিনি মনে করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ

আমনের ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

আপডেট টাইম : ০১:০৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতিটি ধানক্ষেতে বাতাসে দুলছে পাকা ধানের শীষ। মাঠে মাঠে রোপা আমন ধান কাটা-মাড়াই পুরোদমে শুরু করেছে কৃষকরা। তাই কৃষকের মুখে ফুটছে উজ্জ্বল হাসি।

সরজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ধানক্ষেতে ঘুরে দেখা যায়, কৃষক ও মজুররা দলবদ্ধভাবে জমিতে ধান কাটা ও মাড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। চলতি মৌসুমে রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলনের পাশাপাশি বাজারে ধানের দাম ভালো থাকায় কৃষকরা বেশ উৎফুল্লতার সঙ্গে ধান কাটা-মাড়াইয়ের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার চলতি মৌসুমে উপজেলায় ২৩ হাজার ১৭৪ হেক্টর জমিতে রোপা-আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় শুরুতে রোপা আমন ধানের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হলেও বন্যা পরবর্তী সময় কাটিয়ে ২৩ হাজার ২১৫ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনা বেশি।

সাতনালা গ্রামের ধান চাষী সামাদ বলেন, বাজারে চাহিদা ও দাম বেশি হওয়ায় অন্যান্য জাতের তুলনায় কাটারি ধানও ভালো চাষ হয়েছে। এজন্য কাটারি ধানের মৌ মৌ গন্ধে ভরে উঠেছে মাঠ। একই কথা বলেন আলোকডিহি গ্রামের ধান চাষী নুরজ্জামানও।

নশরতপুর ইউনিয়নের মাঠে ধান কাটার সময় নালীপাড়া গ্রামের কৃষক মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, তিনি স্বর্ণা-মামুনসহ এই জাতের ধান বিঘাপ্রতি ২৩ থেকে ২৫ মণ করে পাচ্ছেন। আর বাজারে বর্তমানে প্রতিমণ ধান বিক্রি হচ্ছে আটশ টাকা দরে। তিনি আরো জানান, ধানের এমন দাম পাওয়া গেলে তাদের কোনো সমস্যা হবে না।

উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মাহমুদুল হাসান জানান, বন্যা পরবর্তী সময় কাটিয়ে আগাম জাতের রোপা আমন ধানের চাষ ভালো হয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলার সর্বত্রই কৃষকরা ধান কাটতে শুরু করেছেন। কৃষকরা তাদের কষ্টের ফসল মাড়াইয়ের কাজ ঠিকভাবে করতে পারলে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলেও তিনি মনে করেন।