হাওর বার্তা ডেস্কঃ চারিদিকে সোনালী ধানে ভরা মাঠ। বিস্তীর্ণ ক্ষেতের ধানের গায়ে লেগে আছে সবুজের সমারোহ। দানা পুষ্ট হলেও পুরোপুরি পাক ধরেনি সব ধানে। আর যেসব ক্ষেতের ধানে পাক ধড়েছে সেসব ধান ছড়াচ্ছে সোনা রঙের আভা।
সে ধান শুধু গোলায় ভরার দিনক্ষণ গুনছিলেন কৃষক। কিন্তু কৃষকের সেই স্বপ্ন অনেকটা দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে গত কয়েকদিনের বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়ায় জমির উঠতি ফসল মাটিতে লুটে পড়ায়। অনেক ক্ষেতের ফসল হাবুডুবু খাচ্ছে জলে। এতে জলে ভাসছে হাজারো কৃষকের স্বপ্ন।
কৃষি বিভাগ বলছে, ক্ষতির পরিমাণ নগণ্য। যা ক্ষতির মধ্যে পড়ে না বললেই চলে। তবে কৃষি বিভাগের হিসেব মানতে নারাজ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা। তাদের ভাষায়, ‘সম্প্রতি হয়ে যাওয়া বৃষ্টিপাত আর ঝড়ো বাতাসে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে’।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে টানা বৃষ্টিপাত ও দমকা থেকে ঝড়ো বাতাসে বগুড়ার ১২টি উপজেলায় কমবেশি চলতি রোপা-আমন মৌসুমের ধান ক্ষেতের চিত্রটা এরকম। এসব উপজেলার কৃষক ও কৃষি বিভাগের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমনই তথ্য উঠে এসেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ক্ষেতের পর ক্ষেতের ধান মাটিতে শুয়ে পড়েছে। অনেক ক্ষেতের উঠতি ফসল পানিতে নিমজ্জিত হয়ে রয়েছে। অথচ গত বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) পর্যন্ত এসব ক্ষেতের চিত্রটা ছিলো ভিন্ন। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে শোভা পাচ্ছিলো সবুজের সমারোহ। যা নিয়ে স্বপ্নে বিভোর ছিলেন কৃষকরা।
কিন্তু বৃহস্পতিবার রাত পেরোনোর পরই কৃষকের সেই স্বপ্ন যেন অনেকটা দুঃস্বপ্নে পরিণত হলো। শুক্রবার (২০ অক্টোবর) ভোর থেকেই শুরু হলো অঝোর ধারায় বৃষ্টিপাত। সঙ্গে বইতে থাকে দমকা থেকে ঝড়ো বাতাস। চলতে থাকে রোববার (২২ অক্টোবর) মধ্যরাত পর্যন্ত।
ঝড়ো বাতাসে চোখের সামনেই ক্ষেতের ফসল মাটিতে লুটে পড়তে দেখেন কৃষকরা। মাঠের পর মাঠ ধানের ক্ষেত নিমজ্জিত হয়ে পড়ে বৃষ্টির পানিতে। অনেক
Reporter Name 

























