ঢাকা ১১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

ধান গাছ ৭ ফুট লম্বা উদ্ভাবন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:১৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৭
  • ৩৯৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বিজ্ঞানীরা চলতি সপ্তাহে নতুন ধানের জাত উদ্ভাবন করেছেন, এই ধান গাছ ২.২ মিটার (৭ ফুট ২ ইঞ্চি) পর্যন্ত লম্বা হতে পারে।
চীনের পিপলস ডেইলি অনলাইনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন এই দৈত্যকার ধান গাছে সাধারণ ধানের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি ধানের ফলন হতে পারে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, তারা এই ধানের চাষ করার জন্য ১০ বছর সময় ব্যয় করেছেন।

সিনহুয়া নিউজ এজেন্সির উদ্ধৃতি দিয়ে পিপলস ডেইলি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চায়নিজ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সের ইনস্টিটিউট অব সাবট্রপিকাল এগ্রিকালচারের গবেষকরা পরীক্ষামূলকভাবে একটি ফিল্ডে দৈত্যকার এই ধান রোপণ ও সংগ্রহ করেছেন। পরীক্ষামূলক ফিল্ডটি কেন্দ্রীয় চীনের হুনান প্রদেশের চেংসা কাউন্টির জিনজিং এলাকায় অবস্থিত।

এই নতুন জাতের ধান গাছ গড়ে ১.৮ মিটার (৫ ফুট ১০ ইঞ্চি) লম্বা হয়, যা সর্বোচ্চ ২.২ মিটার পর্যন্ত হতে পারে।

গবেষণা প্রকল্পটির সঙ্গে জড়িত জিয়া জিনজি নামের একজন গবেষক বলেন, প্রত্যাশা করা হচ্ছে এই দৈত্যকার ধান গাছ থেকে প্রতি হেক্টরে ১১.৫ টন ধানের ফলন সম্ভব হবে। জিয়া বলেন, সাধারণ ধানের ফলনের তুলনায় যা প্রতি হেক্টরে ৫০ শতাংশ বেশি। তিনি বলেন, এই জাতের ধান গাছের প্রতিটি শীষ থেকে ৫শ’র বেশি ধান সংগ্রহ করেছেন তারা।

চীনের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, নতুন এই ধান চাষের জন্য তারা বেশি কিছু নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে পরিবর্তন আনয়ন প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ধরনের বন্য চালের মধ্যে হাইব্রিডাইজেশন।

ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং কৃষকের অভাবের সমস্যায় থাকা চীনে এই দৈত্যকৃতি ধান গাছ ব্যাপকভাবে উপকার বয়ে আনবে বলে প্রত্যাশা করা হয়েছে।

চীনের খ্যাতনামা একজন কৃষিবিজ্ঞানী ইউয়ান লিংপিং গত মাসে পিপলস ডেইলি অনলাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, ‘১৯৯৫ সালের তুলনায় ২০৩০ সালে চীনে ৬০ শতাংশ বেশি চালের উৎপাদনের প্রয়োজন হবে।’

তথ্যসূত্র : ডেইল মেইল

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

ধান গাছ ৭ ফুট লম্বা উদ্ভাবন

আপডেট টাইম : ০৪:১৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বিজ্ঞানীরা চলতি সপ্তাহে নতুন ধানের জাত উদ্ভাবন করেছেন, এই ধান গাছ ২.২ মিটার (৭ ফুট ২ ইঞ্চি) পর্যন্ত লম্বা হতে পারে।
চীনের পিপলস ডেইলি অনলাইনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন এই দৈত্যকার ধান গাছে সাধারণ ধানের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি ধানের ফলন হতে পারে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, তারা এই ধানের চাষ করার জন্য ১০ বছর সময় ব্যয় করেছেন।

সিনহুয়া নিউজ এজেন্সির উদ্ধৃতি দিয়ে পিপলস ডেইলি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চায়নিজ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সের ইনস্টিটিউট অব সাবট্রপিকাল এগ্রিকালচারের গবেষকরা পরীক্ষামূলকভাবে একটি ফিল্ডে দৈত্যকার এই ধান রোপণ ও সংগ্রহ করেছেন। পরীক্ষামূলক ফিল্ডটি কেন্দ্রীয় চীনের হুনান প্রদেশের চেংসা কাউন্টির জিনজিং এলাকায় অবস্থিত।

এই নতুন জাতের ধান গাছ গড়ে ১.৮ মিটার (৫ ফুট ১০ ইঞ্চি) লম্বা হয়, যা সর্বোচ্চ ২.২ মিটার পর্যন্ত হতে পারে।

গবেষণা প্রকল্পটির সঙ্গে জড়িত জিয়া জিনজি নামের একজন গবেষক বলেন, প্রত্যাশা করা হচ্ছে এই দৈত্যকার ধান গাছ থেকে প্রতি হেক্টরে ১১.৫ টন ধানের ফলন সম্ভব হবে। জিয়া বলেন, সাধারণ ধানের ফলনের তুলনায় যা প্রতি হেক্টরে ৫০ শতাংশ বেশি। তিনি বলেন, এই জাতের ধান গাছের প্রতিটি শীষ থেকে ৫শ’র বেশি ধান সংগ্রহ করেছেন তারা।

চীনের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, নতুন এই ধান চাষের জন্য তারা বেশি কিছু নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে পরিবর্তন আনয়ন প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ধরনের বন্য চালের মধ্যে হাইব্রিডাইজেশন।

ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং কৃষকের অভাবের সমস্যায় থাকা চীনে এই দৈত্যকৃতি ধান গাছ ব্যাপকভাবে উপকার বয়ে আনবে বলে প্রত্যাশা করা হয়েছে।

চীনের খ্যাতনামা একজন কৃষিবিজ্ঞানী ইউয়ান লিংপিং গত মাসে পিপলস ডেইলি অনলাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, ‘১৯৯৫ সালের তুলনায় ২০৩০ সালে চীনে ৬০ শতাংশ বেশি চালের উৎপাদনের প্রয়োজন হবে।’

তথ্যসূত্র : ডেইল মেইল