ঢাকা ০৪:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বাড়ছে ইরানি হামলার তীব্রতা, অবিলম্বে নাগরিকদের ইসরায়েল ছাড়তে বললো চীন প্রধানমন্ত্রী দেশকে তাঁর পিতার মতোই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন : ভূমিমন্ত্রী ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় মেসি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে কিশোরকে কুপিয়ে হত্যা ঈদের ছুটি শেষে অফিস শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী এক-এগারোর সময়ের আলোচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী গ্রেপ্তার জাতীয় পতাকা বিধি যথাযথভাবে প্রতিপালনের নির্দেশনা জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক আজ বর্ণবাদ নির্মূলে বৈশ্বিক ঐক্যের আহ্বান জানালো বাংলাদেশ ঈদের ছুটি শেষে সচিবালয়ে ফিরে এসেছে প্রাণচাঞ্চল্য, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কুশল বিনিময়

বিপন্ন হাওর দেখার আমন্ত্রণ জানালেন রাষ্ট্রপতি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৯:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট ২০১৭
  • ৩৯৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দীর্ঘ ৭৪ বছরের জীবনে অভিজ্ঞতা অনেক। কিন্তু এবার হাওরে যে ভয়াবহ বন্যা হয়েছে, তেমনটি আর অতীতে কখনো দেখেননি। এবার আগাম বন্যা হওয়ায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ধানের পাশাপাশি মরেছে মাছ ও গবাদি পশু। যে কারণে হাওরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা বিপন্ন। ওই বিপন্ন মানুষগুলোকে দেখতে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। স্বভাব সুলভ ভঙ্গিতে  খোশগল্প করেন সাংবাদিকদের সঙ্গে। এর বেশীর ভাগ সময় আলাপ হয় হাওরের বন্যা নিয়ে। খুব সহজ সরল ভাষায় হাওর পরিস্থিতি বর্ণনা করেন তিনি। বলেন, আগে বন্যা হয়েছে ধান পাকলে বা পাকার মুহুর্তে। এতে বন্যার পরেও ধান কাটতে পেরেছে। কৃষকরা কিছুটা হলেও ফসল পেয়েছে। কিন্তু এবার বন্যা হয়েছে ধানের ফলন আসার মুহুর্তে। ফলে কোনো ধান পাইনি কৃষক। আর নরম ধানের পাতা দ্রুত পচেছে। পচা ধানের গাছ জমিতে দেওয়া সার ও কীটনাশকের সঙ্গে মিশে পানি নষ্ট হয়েছে। এতে মাছ ও গবাদি পশুর মৃত্যু হয়েছে। মানুষের জীবনে সংকট বেড়েছে।

আলোচনাকালে পরিবেশের উপর মানুষের আক্রমণে ক্ষোভ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, অবাধে গাছ কাটা ও পাথর উত্তোলন চলছে। এতে নদীতে পলির পরিমাণ বাড়ছে। ফলে নদীর তলদেশ ভরাট হচ্ছে। ফলে নদীর পানি ধারণ ক্ষমতা কমছে। এই অবস্থায় নদী উপচে বন্যা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, নদীর বাঁধ উচু করে লাভ হবে না। নদীর নাব্যতা বাড়াতে হবে। পাহাড় থেকে সাগরের সঙ্গে নদীর প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। আড্ডার এক পর্যায়ে রাষ্ট্রপতি নিজের বয়সের কথা উল্লেখ করেন। কতদিন বাঁচবেন তা নিয়ে কথা বলেন। দেখেন পাশের লোক চেকে ৫ লক্ষ টাকা লিখে শেষে লিখিছেন মাত্র। পরে তিনি ৫০০ টাকা তুলবেন। তিনি লিখলেন ৫০০ টাকা কিছুই না। মোস্তাক সাহেবের অবস্থা দেখি তাই!

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বাড়ছে ইরানি হামলার তীব্রতা, অবিলম্বে নাগরিকদের ইসরায়েল ছাড়তে বললো চীন

বিপন্ন হাওর দেখার আমন্ত্রণ জানালেন রাষ্ট্রপতি

আপডেট টাইম : ১২:০৯:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দীর্ঘ ৭৪ বছরের জীবনে অভিজ্ঞতা অনেক। কিন্তু এবার হাওরে যে ভয়াবহ বন্যা হয়েছে, তেমনটি আর অতীতে কখনো দেখেননি। এবার আগাম বন্যা হওয়ায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ধানের পাশাপাশি মরেছে মাছ ও গবাদি পশু। যে কারণে হাওরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা বিপন্ন। ওই বিপন্ন মানুষগুলোকে দেখতে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। স্বভাব সুলভ ভঙ্গিতে  খোশগল্প করেন সাংবাদিকদের সঙ্গে। এর বেশীর ভাগ সময় আলাপ হয় হাওরের বন্যা নিয়ে। খুব সহজ সরল ভাষায় হাওর পরিস্থিতি বর্ণনা করেন তিনি। বলেন, আগে বন্যা হয়েছে ধান পাকলে বা পাকার মুহুর্তে। এতে বন্যার পরেও ধান কাটতে পেরেছে। কৃষকরা কিছুটা হলেও ফসল পেয়েছে। কিন্তু এবার বন্যা হয়েছে ধানের ফলন আসার মুহুর্তে। ফলে কোনো ধান পাইনি কৃষক। আর নরম ধানের পাতা দ্রুত পচেছে। পচা ধানের গাছ জমিতে দেওয়া সার ও কীটনাশকের সঙ্গে মিশে পানি নষ্ট হয়েছে। এতে মাছ ও গবাদি পশুর মৃত্যু হয়েছে। মানুষের জীবনে সংকট বেড়েছে।

আলোচনাকালে পরিবেশের উপর মানুষের আক্রমণে ক্ষোভ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, অবাধে গাছ কাটা ও পাথর উত্তোলন চলছে। এতে নদীতে পলির পরিমাণ বাড়ছে। ফলে নদীর তলদেশ ভরাট হচ্ছে। ফলে নদীর পানি ধারণ ক্ষমতা কমছে। এই অবস্থায় নদী উপচে বন্যা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, নদীর বাঁধ উচু করে লাভ হবে না। নদীর নাব্যতা বাড়াতে হবে। পাহাড় থেকে সাগরের সঙ্গে নদীর প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। আড্ডার এক পর্যায়ে রাষ্ট্রপতি নিজের বয়সের কথা উল্লেখ করেন। কতদিন বাঁচবেন তা নিয়ে কথা বলেন। দেখেন পাশের লোক চেকে ৫ লক্ষ টাকা লিখে শেষে লিখিছেন মাত্র। পরে তিনি ৫০০ টাকা তুলবেন। তিনি লিখলেন ৫০০ টাকা কিছুই না। মোস্তাক সাহেবের অবস্থা দেখি তাই!