ঢাকা ১১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

ফল, নাকি ফলের রস

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:৪২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অগাস্ট ২০১৭
  • ৩৮৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দেশের বাইরে থেকে এক প্রিয়জন জিজ্ঞেস করলেন, এ দেশে খুব ভালো ফলের রস বা জুস পাওয়া যায়। ডায়াবেটিসের রোগীর সেটা গ্রহণ করা ঠিক হবে কি? যদি সেই জুসে ‘নো অ্যাডেড সুগার’ লেখা থাকে?

 আসুন, জেনে নিই গোটা ফল ভালো, নাকি ফলের রস বানিয়ে পান করা বেশি স্বাস্থ্যকর। বাজারজাত করা ফলের রসে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফ্রুকটোজ সিরাপ মেশানো হয়। কেউ কেউ মনে করেন, ফ্রুকটোজ হয়তো গ্লুকোজের মতো ক্ষতিকর নয়। এই ধারণা ভুল। ফ্রুকটোজও সহজ শর্করা বা চিনি, যা দ্রুত রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায়। ‘নো অ্যাডেড সুগার’ লেবেল লাগানো থাকলেও জুসে কিন্তু ফলের চেয়ে ক্যালরি ও শর্করা বেশি। এমনকি যদি আপনি বাড়িতে তাজা ফল চিপে বা ব্লেন্ড করে জুস বানান এবং তাতে কোনো বাড়তি চিনি না মেশান—তারপরও। কীভাবে? গোটা ফলে যে ফাইবার বা আঁশ থাকে, তা ফলের গ্লাইসেমিক সূচক কমিয়ে দেয়। বেশি আঁশ থাকার কারণে ফলের শর্করা রক্তে সহজে মেশে না বা সহজেই রক্তে শর্করা বাড়ায় না। কিন্তু জুসে এই আঁশ থাকে না। পড়ে থাকে কেবল ফলের চিনি। যেমন এক গ্লাস বা ২৫০ মিলিলিটার জুসে ১০ চামচের মতো চিনি থাকতে পারে, যদিও আপনি তাতে কোনো চিনি মেশাননি। কমলার কোয়াগুলোর পাতলা সাদা আবরণীতে আছে আঁশ, ফ্ল্যাভনয়েড নামের উপাদান। আপনি যখন তা চিপে কেবল রস বের করে নিলেন, তখন রইল বাকি কেবল চিনিটুকু। এ ছাড়া এক গ্লাস কমলার রস বানাতে পাঁচ থেকে ছয়টি কমলা লাগবে আপনার। সেটা আপনার জন্য একটু বেশি হয়ে যায় বৈকি, বিশেষ করে যদি ডায়াবেটিস থাকে। শুধু ডায়াবেটিসের রোগী কেন, যারা ক্যালরি মেপে খেতে চান, তাঁদেরও গোটা ফলই খাওয়া ভালো। কেন, তা জেনে নেওয়া যাক।

একটি কমলা: ৬২.৯ ক্যালরি, এক গ্লাস তাজা কমলার রস: ১১০ ক্যালরি

একটি আপেল: ৮৭.৯ ক্যালরি, এক গ্লাস আপেলের জুস: ১২০ ক্যালরি

এক গ্লাস স্ট্রবেরি মিল্কশেক: ১৯৮ ক্যালরি

এক গ্লাস কোমল পানীয়: ১৩৮ ক্যালরি

ডা. তানজিনা হোসেন

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

ফল, নাকি ফলের রস

আপডেট টাইম : ০১:৪২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অগাস্ট ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দেশের বাইরে থেকে এক প্রিয়জন জিজ্ঞেস করলেন, এ দেশে খুব ভালো ফলের রস বা জুস পাওয়া যায়। ডায়াবেটিসের রোগীর সেটা গ্রহণ করা ঠিক হবে কি? যদি সেই জুসে ‘নো অ্যাডেড সুগার’ লেখা থাকে?

 আসুন, জেনে নিই গোটা ফল ভালো, নাকি ফলের রস বানিয়ে পান করা বেশি স্বাস্থ্যকর। বাজারজাত করা ফলের রসে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফ্রুকটোজ সিরাপ মেশানো হয়। কেউ কেউ মনে করেন, ফ্রুকটোজ হয়তো গ্লুকোজের মতো ক্ষতিকর নয়। এই ধারণা ভুল। ফ্রুকটোজও সহজ শর্করা বা চিনি, যা দ্রুত রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায়। ‘নো অ্যাডেড সুগার’ লেবেল লাগানো থাকলেও জুসে কিন্তু ফলের চেয়ে ক্যালরি ও শর্করা বেশি। এমনকি যদি আপনি বাড়িতে তাজা ফল চিপে বা ব্লেন্ড করে জুস বানান এবং তাতে কোনো বাড়তি চিনি না মেশান—তারপরও। কীভাবে? গোটা ফলে যে ফাইবার বা আঁশ থাকে, তা ফলের গ্লাইসেমিক সূচক কমিয়ে দেয়। বেশি আঁশ থাকার কারণে ফলের শর্করা রক্তে সহজে মেশে না বা সহজেই রক্তে শর্করা বাড়ায় না। কিন্তু জুসে এই আঁশ থাকে না। পড়ে থাকে কেবল ফলের চিনি। যেমন এক গ্লাস বা ২৫০ মিলিলিটার জুসে ১০ চামচের মতো চিনি থাকতে পারে, যদিও আপনি তাতে কোনো চিনি মেশাননি। কমলার কোয়াগুলোর পাতলা সাদা আবরণীতে আছে আঁশ, ফ্ল্যাভনয়েড নামের উপাদান। আপনি যখন তা চিপে কেবল রস বের করে নিলেন, তখন রইল বাকি কেবল চিনিটুকু। এ ছাড়া এক গ্লাস কমলার রস বানাতে পাঁচ থেকে ছয়টি কমলা লাগবে আপনার। সেটা আপনার জন্য একটু বেশি হয়ে যায় বৈকি, বিশেষ করে যদি ডায়াবেটিস থাকে। শুধু ডায়াবেটিসের রোগী কেন, যারা ক্যালরি মেপে খেতে চান, তাঁদেরও গোটা ফলই খাওয়া ভালো। কেন, তা জেনে নেওয়া যাক।

একটি কমলা: ৬২.৯ ক্যালরি, এক গ্লাস তাজা কমলার রস: ১১০ ক্যালরি

একটি আপেল: ৮৭.৯ ক্যালরি, এক গ্লাস আপেলের জুস: ১২০ ক্যালরি

এক গ্লাস স্ট্রবেরি মিল্কশেক: ১৯৮ ক্যালরি

এক গ্লাস কোমল পানীয়: ১৩৮ ক্যালরি

ডা. তানজিনা হোসেন