হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রথম ইনিংস শেষে ভারতের সংগ্রহ ৬০০। অভিষেকেই হাফ সেঞ্চুরি করে টেস্ট দলে নিজের জায়গা প্রায় পাকা করে নিলেন হার্দিক পান্ডিয়া। তার সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত দিয়ে গেলেন মহম্মদ শামি। ৩০ রান করলেন তিনি।আবারও উইকেট পেলেন নুয়ান প্রদীপ। প্রথম দিন ৩৯৯ রানে শেষ করার পর দ্বিতীয় দিন ২০১ রান যোগ করলেন বাকিরা।
পূজারা ও রাহানে প্যাভেলিয়নে ফেরার পর এই ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সঙ্গে হার্দিক পাণ্ড্য। অশ্বিনের ব্যাট থেকে আসে ৪৭ রান। মাঝে ১৫ রান করে প্যাভেলিয়ে ফেরেন রবীন্দ্র জাদেজা। ১১ রান করে অপরাজিত থাকেন উমেশ যাদব। ১৩৩.১ ওভার খেলে ভারত থামে ৬০০ রানে।
৩৯৯ রান নিয়ে দিন শুরু করেছিল ভারত। হাতে ছিল ৭ উইকেট। কিন্তু লাঞ্চ ব্রেকে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ৫০০ রানের গণ্ডি ডিঙ্গাতে ভারতকে হারাতে হল আরও চার উইকেট। চেতেশ্বর পূজারা ১৫৩ ও অজিঙ্ক রাহানে ৫৭ রান করে ফিরলেন প্যাভেলিয়নে। তার পর একমাত্র রবিচন্দ্রন অশ্বিন ৬০ বলে ৪৭ রানের ইনিংস খেললেন। ১৬ রান করে আউট হলেন বাংলার উইকেট কিপার ঋদ্ধিমান সাহা। এই মুহূর্তে ক্রিকেট রয়েছেন প্রথম দেশের হয়ে টেস্ট ম্যাচে খেলতে নামা হার্দিক পাণ্ড্য ও রবীন্দ্র জাডেজা। যাদের উপর ভরসাটা রাখাই যায়। যাদের হাত ধরে ভারত ৬০০ রানের গণ্ডি পেড়তেই পারে।বাকিটা সময়ই বলবে।
শ্রীলঙ্কার হয়ে নুয়ান প্রদীপের উইকেট এক ইনিংসে এখনও পর্যন্ত ৫। এখনও ভারতের হাতে রয়েছে চার উইকেট। লাঞ্চ ব্রেকে ভারতের রান ৫০৩/৭ (১১৭ ওভারে)।
বুধবার ভারত থেমেছিল ৩৯৯ রানে। পূজারা তখন ব্যাট হাতে ভরসা দিচ্ছেন ভারতীয় ব্যাটিংকে। তার আগে অবশ্য শক্ত ভীত তৈরি করে একরাশ হতাশা নিয়ে প্যাভেলিয়নে ফিরেছেন শিখর ধাওয়ান। সঙ্গে অজিঙ্ক রাহানে ৩৯ রানে। সেই ভূমিকায় ঠিক যে ভূমিকায় শিখর ধাওয়ানের সঙ্গে ব্যাট করতে দেখা গিয়েছিল ঠিক সেরকমই দেখা গেল রাহানেকে। টিম গেম হয়ত এটাই।
এর আগে শ্রীলঙ্কায় টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বিরাট কোহালি। যার ফল ধাওয়ানের দুরন্ত ১৯০। সঙ্গে প্রথম দিনের শেষে চেতেশ্বর পূজারার অপরাজিত ১৪৪। যেখানে প্রথম দিন শেষ করেছিল ভারতের দুই ব্যাটসম্যান সেখান থেকেই দ্বিতীয় দিন শুরু করল। আত্মবিশ্বাসটা প্রথম দিনের শেষেই বাড়িয়ে নিয়েছিল ভারতের ব্যাটিং। কারণ রানের পাহাড়ের রাস্তাটা সেদিনই তৈরি করে ফেলেছিল বিরাট কোহালি অ্যান্ড কোং। যদিও স্বয়ং ক্যাপ্টেন কোহালির ব্যাটে রান আসেনি। তাতে কী, দলের বাকিরাই সেই দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন। বিরাটের সঙ্গে অভিনব মুকুন্দও ব্যর্থ।
Reporter Name 

























