পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুই বছর আগের পরিস্থিতির স্মৃতিচারণা করে বলেন, ‘বিদেশে অবস্থানকালেও শিশু-কিশোরদের প্রাণহানি, সরকারের দমন-পীড়ন এবং দেশব্যাপী ইন্টারনেট বন্ধের ঘটনা তারা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন।’ তিনি মন্তব্য করেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ও এভাবে তথ্যপ্রবাহ বন্ধ করা হয়নি।
পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘সে সময় প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সরকারের স্থিতিশীলতা ধরে রাখা এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক রূপান্তর ঘটানো—এই তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ সাফল্যের সঙ্গে মোকাবেলা করা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষকরাও সাম্প্রতিক নির্বাচনকে উৎসবমুখর ও গ্রহণযোগ্য বলে মূল্যায়ন করেছেন, যার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠকের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি জানান, বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তিই হলো ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’। বাংলাদেশ আর কখনো অন্য কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকবে না।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচনে বাংলাদেশের বিজয়ের কথা উল্লেখ করে ড. খলিলুর রহমান বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নির্দেশনায় এই ‘অসম্ভব মিশন’ জয় করা সম্ভব হয়েছে। এটি নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বিশ্বের বিভিন্ন দূতাবাসে কর্মরত কূটনীতিকদের সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল।
Reporter Name 



















