ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বেইজিংয়েও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা প্রশ্ন বিতরণে ভুল হলে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী মুদি ও প্রসাধনসামগ্রীর দোকানকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে জুলাইয়ের মধ্যে সুখবর আসবে : প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী মদন পৌর শহর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি

রাত ৯ টার পর সৈয়দ আশরাফ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:০১:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ জুলাই ২০১৭
  • ৩৯৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ গল্পটা সবাই জানে। কিন্তু গল্পের কোনো প্রত্যক্ষদর্শী নেই। গল্পটি সঠিক কিনা কেউ যাচাইও করেনি কখনো। গল্পটা এরকম, এক রাতে প্রধানমন্ত্রী তাঁর এক সাংগঠনিক কাজে হঠাৎ সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে খোঁজ করলেন। সৈয়দ আশরাফ তখন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। শেখ হাসিনার একজন রাজনৈতিক স্টাফ সঙ্গে সঙ্গেই সৈয়দ আশরাফকে মোবাইলে চেষ্টা করলেন। মোবাইল বন্ধ। শেখ হাসিনা মুচকি হেসে বললেন ‘রাত ৯টায় কি আর আশরাফকে পাওয়া যায়?’

আকাশ বাতাসে ছড়িয়েছে গল্পটি। আওয়ামী লীগের কর্মীরাও জানে, সৈয়দ আশরাফকে ভোরে ও রাত ৯টার পর পাওয়া যায় না। কী করেন তিনি? ভোরের ব্যাপারটা তো সবার জানাই, ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয় তাঁর। প্রায়ই মন্ত্রিসভার বৈঠকও মিস করেন। কিন্তু রাত ৯টার পর তিনি কী করেন? আওয়ামী লীগের যেকোনো কর্মীকে এই প্রশ্ন করলে, হেসে উত্তর দিবেন, ওই সময় তো উনি ঠিক থাকেন না, পানি টানি খায় আর কি? অপবাদ দিতে সত্য-মিথ্যা যাচাই করে না কেউ। বাজারে সবার ধারণা সন্ধ্যার পর সৈয়দ আশরাফ তরলে ডুবে থাকেন।

এছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে অপবাদের পাহাড়, তিনি মন্ত্রনালয়ে যান না, কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন না- ইত্যাদি ইত্যাদি। অথচ এসবের বাস্তবতা কখনো যাচাই করা হয়নি। যাচাই না করেই তাঁকে একের পর এক শাস্তি দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রথমে তাঁকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করা হয়েছিল। পরে পদত্যাগ করতে চাইলে তাঁকে জনপ্রশাসন মন্ত্রী করা হয়। এ বছর দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকেও সরে যেতে হয়েছে তাঁকে। দলের মধ্যে কোনঠাসা হলেও দলের বাইরে তিনি সৎ, সম্মানিত, পাণ্ডিত্যপূর্ণ দায়িত্বশীল একজন মানুষ হিসেবে জনপ্রিয়। বাংলাদেশে হাতে গোনা যে দু’একজন রাজনৈতিক নেতাকে মানুষ শ্রদ্ধা করে, সৈয়দ আশরাফ তাঁদের একজন।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, জাতীয় চার নেতার অন্যতম সৈয়দ নজরুল ইসলামের সন্তান। আওয়ামী লীগের ক্রান্তিকালের নায়ক। এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগের সবচেয়ে জ্ঞানী রাজনীতিবিদ। ব্রিটেনে লেবার পার্টি করছিলেন, নেতা হিসেবে সবার দৃষ্টি আকর্ষণও করেছিলেন। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এমপি হওয়া ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র। অথচ, শেখ হাসিনার এক ডাকে তিনি সব ছেড়ে চলে আসেন প্রিয় মাতৃভূমিতে। স্বল্পভাষী কিন্তু দৃঢ় চিত্ত। যা বলেন ভিতরের বিশ্বাস থেকে বলেন।

সৈয়দ আশরাফ পাদ প্রদীপে আসেন ওয়ান ইলেভেনের সময়। আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা তখন আর্দশের পরীক্ষায় হাবুডুবু খাচ্ছেন। লোভের কাছে বশ্যতা স্বীকার করেছেন অনেকে। যখন প্রিয় নেত্রীর গ্রেপ্তারে হতবিহ্বল কর্মীরা। হতাশা, বিভক্তি আর অজানা আশঙ্কায় বিপর্যস্ত আওয়ামী লীগ। এসময় প্রয়াত জিল্লুর রহমান, বেগম মতিয়া চৌধুরীর সঙ্গে সৈয়দ আশরাফ শেখ হাসিনার পক্ষে এক অনবদ্য অবস্থান নেন। দলকে টেনে তোলেন খাদ থেকে।

২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই তাঁকে নিয়ে শুরু হয় চর্চা। আওয়ামী লীগের ভিতর থেকেই এই কুৎসিত, নোংরা প্রচারণাগুলো আসে বেশি। অথচ সংবাদ সম্মেলনে তাঁর বক্তব্য মানুষ বিশ্বাস করেছে। তাঁর সততা মানুষকে মোহিত করেছে। দলের বাইরেও তিনি জনপ্রিয় অনেক বেশি।

মূল প্রসঙ্গে ফিরে আসা যাক। রাত ৯টার পর সৈয়দ আশরাফ কী করেন? এক রাতে তার মিন্টু রোডের বাড়িতে যাবার সৌভাগ্য হয়েছিল। একটা লুঙ্গি, ফিন ফিনে এক ফতুয়া পরে আমাদের সাদরে অভ্যর্থনা জানালেন। মিন্টু রোডের বাড়িতে কর্মীদের ভিড় ভাট্টা নেই। স্ত্রী এবং কন্যা বেশীর ভাগ সময়ই দেশের বাইরে থাকেন। একাকী জীবনে তার প্রধান সঙ্গী বই। টাইম ম্যাগাজিনে এগিয়ে দিয়ে বললেন ‘এই লেখাটা পড়েছেন?’ শশী ঠাকুরের একটা বই পড়ছিলেন। আশে পাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে আরও কিছু বই। ‘বই পড়াটা আমার নেশা।‘ কথাটা শুনে চমকে উঠলাম। অনুসন্ধানী চোখ ইতি উতি খুঁজছে, সেটা কই যেটা তাঁকে কর্মব্যস্ততা থেকে দূরে রাখে। মেধাবী মানুষ মুখে হাসলেন। বললেন ‘শরীরটা ভালো না, এখন প্রায় ছেড়েই দিয়েছি।‘ ব্যস। আমি কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই বললেন ‘আমি কর্মীদের সঙ্গে বাসায় দেখা করতে চাই না। বাসা তো আমার নিজস্ব ভূবন। আমি এলাকায় যাই, পার্টি অফিসে যাই। সেখানেইতো কর্মীদের সঙ্গে কথা হয়’। ব্রিটিশ রাজনীতির অভ্যাসটা ভালোই রপ্ত করেছেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কোনো ফাইল পড়ে থাকে না। বাসায় বসেই ফাইল দেখেন। তার ফাইলের মন্তব্য এখন সচিবালয়ের ভাইরাল, পদোন্নতি বৈষম্য নিয়ে তার মতামত এখন খোলামেলা এবং দায়িত্বপূর্ণ।

ক্রমেই কি একাকীত্বকে আলিঙ্গন করেছেন সৈয়দ আশরাফ। কিংবা কিছুটা অভিমান? এ প্রশ্নের উত্তর হয়তো কোনদিন পাওয়া যাবে। তাঁর সাধারণ সম্পাদকের পদটাকে তিনি যে উঁচুতে নিয়েছিলেন, সেখান থেকে আজকে পদটার নিম্নগামিতায় হয়তো অনেকেই রাত ৯টার পর সৈয়দ আশরাফকে ভাবেন।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বেইজিংয়েও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা

রাত ৯ টার পর সৈয়দ আশরাফ

আপডেট টাইম : ১০:০১:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ জুলাই ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ গল্পটা সবাই জানে। কিন্তু গল্পের কোনো প্রত্যক্ষদর্শী নেই। গল্পটি সঠিক কিনা কেউ যাচাইও করেনি কখনো। গল্পটা এরকম, এক রাতে প্রধানমন্ত্রী তাঁর এক সাংগঠনিক কাজে হঠাৎ সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে খোঁজ করলেন। সৈয়দ আশরাফ তখন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। শেখ হাসিনার একজন রাজনৈতিক স্টাফ সঙ্গে সঙ্গেই সৈয়দ আশরাফকে মোবাইলে চেষ্টা করলেন। মোবাইল বন্ধ। শেখ হাসিনা মুচকি হেসে বললেন ‘রাত ৯টায় কি আর আশরাফকে পাওয়া যায়?’

আকাশ বাতাসে ছড়িয়েছে গল্পটি। আওয়ামী লীগের কর্মীরাও জানে, সৈয়দ আশরাফকে ভোরে ও রাত ৯টার পর পাওয়া যায় না। কী করেন তিনি? ভোরের ব্যাপারটা তো সবার জানাই, ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয় তাঁর। প্রায়ই মন্ত্রিসভার বৈঠকও মিস করেন। কিন্তু রাত ৯টার পর তিনি কী করেন? আওয়ামী লীগের যেকোনো কর্মীকে এই প্রশ্ন করলে, হেসে উত্তর দিবেন, ওই সময় তো উনি ঠিক থাকেন না, পানি টানি খায় আর কি? অপবাদ দিতে সত্য-মিথ্যা যাচাই করে না কেউ। বাজারে সবার ধারণা সন্ধ্যার পর সৈয়দ আশরাফ তরলে ডুবে থাকেন।

এছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে অপবাদের পাহাড়, তিনি মন্ত্রনালয়ে যান না, কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন না- ইত্যাদি ইত্যাদি। অথচ এসবের বাস্তবতা কখনো যাচাই করা হয়নি। যাচাই না করেই তাঁকে একের পর এক শাস্তি দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রথমে তাঁকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করা হয়েছিল। পরে পদত্যাগ করতে চাইলে তাঁকে জনপ্রশাসন মন্ত্রী করা হয়। এ বছর দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকেও সরে যেতে হয়েছে তাঁকে। দলের মধ্যে কোনঠাসা হলেও দলের বাইরে তিনি সৎ, সম্মানিত, পাণ্ডিত্যপূর্ণ দায়িত্বশীল একজন মানুষ হিসেবে জনপ্রিয়। বাংলাদেশে হাতে গোনা যে দু’একজন রাজনৈতিক নেতাকে মানুষ শ্রদ্ধা করে, সৈয়দ আশরাফ তাঁদের একজন।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, জাতীয় চার নেতার অন্যতম সৈয়দ নজরুল ইসলামের সন্তান। আওয়ামী লীগের ক্রান্তিকালের নায়ক। এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগের সবচেয়ে জ্ঞানী রাজনীতিবিদ। ব্রিটেনে লেবার পার্টি করছিলেন, নেতা হিসেবে সবার দৃষ্টি আকর্ষণও করেছিলেন। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এমপি হওয়া ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র। অথচ, শেখ হাসিনার এক ডাকে তিনি সব ছেড়ে চলে আসেন প্রিয় মাতৃভূমিতে। স্বল্পভাষী কিন্তু দৃঢ় চিত্ত। যা বলেন ভিতরের বিশ্বাস থেকে বলেন।

সৈয়দ আশরাফ পাদ প্রদীপে আসেন ওয়ান ইলেভেনের সময়। আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা তখন আর্দশের পরীক্ষায় হাবুডুবু খাচ্ছেন। লোভের কাছে বশ্যতা স্বীকার করেছেন অনেকে। যখন প্রিয় নেত্রীর গ্রেপ্তারে হতবিহ্বল কর্মীরা। হতাশা, বিভক্তি আর অজানা আশঙ্কায় বিপর্যস্ত আওয়ামী লীগ। এসময় প্রয়াত জিল্লুর রহমান, বেগম মতিয়া চৌধুরীর সঙ্গে সৈয়দ আশরাফ শেখ হাসিনার পক্ষে এক অনবদ্য অবস্থান নেন। দলকে টেনে তোলেন খাদ থেকে।

২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই তাঁকে নিয়ে শুরু হয় চর্চা। আওয়ামী লীগের ভিতর থেকেই এই কুৎসিত, নোংরা প্রচারণাগুলো আসে বেশি। অথচ সংবাদ সম্মেলনে তাঁর বক্তব্য মানুষ বিশ্বাস করেছে। তাঁর সততা মানুষকে মোহিত করেছে। দলের বাইরেও তিনি জনপ্রিয় অনেক বেশি।

মূল প্রসঙ্গে ফিরে আসা যাক। রাত ৯টার পর সৈয়দ আশরাফ কী করেন? এক রাতে তার মিন্টু রোডের বাড়িতে যাবার সৌভাগ্য হয়েছিল। একটা লুঙ্গি, ফিন ফিনে এক ফতুয়া পরে আমাদের সাদরে অভ্যর্থনা জানালেন। মিন্টু রোডের বাড়িতে কর্মীদের ভিড় ভাট্টা নেই। স্ত্রী এবং কন্যা বেশীর ভাগ সময়ই দেশের বাইরে থাকেন। একাকী জীবনে তার প্রধান সঙ্গী বই। টাইম ম্যাগাজিনে এগিয়ে দিয়ে বললেন ‘এই লেখাটা পড়েছেন?’ শশী ঠাকুরের একটা বই পড়ছিলেন। আশে পাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে আরও কিছু বই। ‘বই পড়াটা আমার নেশা।‘ কথাটা শুনে চমকে উঠলাম। অনুসন্ধানী চোখ ইতি উতি খুঁজছে, সেটা কই যেটা তাঁকে কর্মব্যস্ততা থেকে দূরে রাখে। মেধাবী মানুষ মুখে হাসলেন। বললেন ‘শরীরটা ভালো না, এখন প্রায় ছেড়েই দিয়েছি।‘ ব্যস। আমি কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই বললেন ‘আমি কর্মীদের সঙ্গে বাসায় দেখা করতে চাই না। বাসা তো আমার নিজস্ব ভূবন। আমি এলাকায় যাই, পার্টি অফিসে যাই। সেখানেইতো কর্মীদের সঙ্গে কথা হয়’। ব্রিটিশ রাজনীতির অভ্যাসটা ভালোই রপ্ত করেছেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কোনো ফাইল পড়ে থাকে না। বাসায় বসেই ফাইল দেখেন। তার ফাইলের মন্তব্য এখন সচিবালয়ের ভাইরাল, পদোন্নতি বৈষম্য নিয়ে তার মতামত এখন খোলামেলা এবং দায়িত্বপূর্ণ।

ক্রমেই কি একাকীত্বকে আলিঙ্গন করেছেন সৈয়দ আশরাফ। কিংবা কিছুটা অভিমান? এ প্রশ্নের উত্তর হয়তো কোনদিন পাওয়া যাবে। তাঁর সাধারণ সম্পাদকের পদটাকে তিনি যে উঁচুতে নিয়েছিলেন, সেখান থেকে আজকে পদটার নিম্নগামিতায় হয়তো অনেকেই রাত ৯টার পর সৈয়দ আশরাফকে ভাবেন।