ঢাকা ১১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

মুদি ও প্রসাধনসামগ্রীর দোকানকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৫৯:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • ১ বার

মুদি ও প্রসাধনসামগ্রীর দোকানসহ এ ধরনের ব্যবসা খাতকে আগামী অর্থবছরে সুনির্দিষ্ট করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। একইসঙ্গে আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী জানান, খেলাপি ঋণের অর্থ বিদেশে পাচারের ঘটনায় ৩০টি ব্যাংক ঋণের অর্থ পুনরুদ্ধারে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ব্যাংকগুলো ৯টি আন্তর্জাতিক আইনগত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর করেছে। এসব আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ঋণখেলাপিদের নামে বিদেশে থাকা অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং সেগুলো দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সহায়তা করবে।

তিনি আরও জানান, প্রথম পর্যায়ে সাইফুজ্জামান চৌধুরী, এস আলম, বেক্সিমকো, সিকদার, নাসা ও ওরিয়ন গ্রুপ-সংক্রান্ত মামলাগুলোকে কেন্দ্র করে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ছয়টি মামলাকে কেন্দ্র করে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেগুলো হলো— সাইফুজ্জামান চৌধুরী, এস আলম, বেক্সিমকো, সিকদার, নাসা ও ওরিয়ন গ্রুপ-সংক্রান্ত মামলা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকার নারীর স্বাস্থ্যকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে

মুদি ও প্রসাধনসামগ্রীর দোকানকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা

আপডেট টাইম : ০৯:৫৯:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

মুদি ও প্রসাধনসামগ্রীর দোকানসহ এ ধরনের ব্যবসা খাতকে আগামী অর্থবছরে সুনির্দিষ্ট করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। একইসঙ্গে আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী জানান, খেলাপি ঋণের অর্থ বিদেশে পাচারের ঘটনায় ৩০টি ব্যাংক ঋণের অর্থ পুনরুদ্ধারে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ব্যাংকগুলো ৯টি আন্তর্জাতিক আইনগত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নন-ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর করেছে। এসব আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ঋণখেলাপিদের নামে বিদেশে থাকা অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং সেগুলো দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সহায়তা করবে।

তিনি আরও জানান, প্রথম পর্যায়ে সাইফুজ্জামান চৌধুরী, এস আলম, বেক্সিমকো, সিকদার, নাসা ও ওরিয়ন গ্রুপ-সংক্রান্ত মামলাগুলোকে কেন্দ্র করে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ছয়টি মামলাকে কেন্দ্র করে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেগুলো হলো— সাইফুজ্জামান চৌধুরী, এস আলম, বেক্সিমকো, সিকদার, নাসা ও ওরিয়ন গ্রুপ-সংক্রান্ত মামলা।