ঢাকা ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

জাতিসংঘের তদন্ত দলকে ঢুকতে দেবে না মিয়ানমার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩৫:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জুন ২০১৭
  • ৫৯৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনীর নির্যাতন, হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগ তদন্তে জাতিসংঘ কোনো দল পাঠালে মিয়ানমারে তাদের ঢুকতে দেওয়া হবে না। অং সান সুচি সরকারের এক শীর্ষ কর্মকর্তা এ কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব কিয়াও জেয়া নামের ওই কর্মকর্তা বলেছেন, ‘যদি তারা তদন্তের জন্য কোনো দল পাঠাতে চায় তবে তাদের মিয়ানমারে প্রবেশ করতে দেওয়ার কোনো কারণ আমরা দেখছি না।বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমাদের দূতাবাসগুলোকে এ অনুযায়ী নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আন্তর্জাতিক তদন্তের প্রয়োজন নেই উল্লেখ করে কিয়াও বলেন, ‘যেখানে আমাদের অভ্যন্তরীণ তদন্ত এখনও শেষ হয়নি সেখানে কেন তারা অহেতুক চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে?’

গত মার্চে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল রাখাইন রাজ্যে নির্যাতনের অভিযোগ এবং মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে জাতিগত দাঙ্গার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত দলের নাম প্রস্তাব করে। ওই সময় সুচি সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, তারা তদন্ত দলকে কোনো ধরণের সহযোগিতা করবে না।

গত বছর অক্টোবরে রোহিঙ্গা ‘বিচ্ছিন্নতাবাদীরা’ মিয়ানমার সীমান্ত পুলিশের তিনটি চৌকিতে হামলা চালিয়ে ৯ পুলিশ সদস্যকে হত্যা করে। এর জের ধরে রাখাইন রাজ্যে সেনাঅভিযান চালানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, সেনাবাহিনী শতাধিক লোককে গুলি করে হত্যা, অসংখ্য নারীকে ধর্ষণ ও বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে। ওই সময় প্রাণ ভয়ে প্রায় ৭৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।

ফেব্রুয়ারিতে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে জাতিসংঘ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, সম্ভবত রোহিঙ্গা মুসলমানদের নির্মূল করতেই ওই সেনা অভিযান চালানো হয়েছিল।

সুচি অবশ্য এসব অভিযোগ ও দাবি প্রত্যাখান করে আসছেন। চলতি মাসে সুইডেন সফরে জাতিসংঘের তদন্তদল মিয়ানমারে প্রবেশের বিষয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘জাতিসংঘের তদন্তদলের কারণে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বৈরীভাব আরও বেড়ে যেতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

জাতিসংঘের তদন্ত দলকে ঢুকতে দেবে না মিয়ানমার

আপডেট টাইম : ১১:৩৫:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জুন ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনীর নির্যাতন, হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগ তদন্তে জাতিসংঘ কোনো দল পাঠালে মিয়ানমারে তাদের ঢুকতে দেওয়া হবে না। অং সান সুচি সরকারের এক শীর্ষ কর্মকর্তা এ কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব কিয়াও জেয়া নামের ওই কর্মকর্তা বলেছেন, ‘যদি তারা তদন্তের জন্য কোনো দল পাঠাতে চায় তবে তাদের মিয়ানমারে প্রবেশ করতে দেওয়ার কোনো কারণ আমরা দেখছি না।বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমাদের দূতাবাসগুলোকে এ অনুযায়ী নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আন্তর্জাতিক তদন্তের প্রয়োজন নেই উল্লেখ করে কিয়াও বলেন, ‘যেখানে আমাদের অভ্যন্তরীণ তদন্ত এখনও শেষ হয়নি সেখানে কেন তারা অহেতুক চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে?’

গত মার্চে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল রাখাইন রাজ্যে নির্যাতনের অভিযোগ এবং মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে জাতিগত দাঙ্গার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত দলের নাম প্রস্তাব করে। ওই সময় সুচি সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, তারা তদন্ত দলকে কোনো ধরণের সহযোগিতা করবে না।

গত বছর অক্টোবরে রোহিঙ্গা ‘বিচ্ছিন্নতাবাদীরা’ মিয়ানমার সীমান্ত পুলিশের তিনটি চৌকিতে হামলা চালিয়ে ৯ পুলিশ সদস্যকে হত্যা করে। এর জের ধরে রাখাইন রাজ্যে সেনাঅভিযান চালানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, সেনাবাহিনী শতাধিক লোককে গুলি করে হত্যা, অসংখ্য নারীকে ধর্ষণ ও বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে। ওই সময় প্রাণ ভয়ে প্রায় ৭৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।

ফেব্রুয়ারিতে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে জাতিসংঘ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, সম্ভবত রোহিঙ্গা মুসলমানদের নির্মূল করতেই ওই সেনা অভিযান চালানো হয়েছিল।

সুচি অবশ্য এসব অভিযোগ ও দাবি প্রত্যাখান করে আসছেন। চলতি মাসে সুইডেন সফরে জাতিসংঘের তদন্তদল মিয়ানমারে প্রবেশের বিষয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘জাতিসংঘের তদন্তদলের কারণে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বৈরীভাব আরও বেড়ে যেতে পারে।