ঢাকা ০৮:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মদন পৌর শহর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল

অত্যাচারীরা বিদায় নিলেই ফিরে পাবো নিখোঁজদের: খালেদা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৪৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জুন ২০১৭
  • ৩৮৬ বার

বর্তমান সরকারকে ‘অত্যাচারী’ আখ্যায়িত করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, এই সরকার বিদায় নিলেই যারা গুম হয়েছেন তাদের খোঁজ মিলবে। আজীবন ক্ষমতায় থাকার ইচ্ছায় ক্ষমতাসীনরা বিএনপির নেতাকর্মীদের ‘গুম’ করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

মঙ্গলবার এক ইফাতার মাহফিলে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসন এই অভিযোগ করেন। রাজধানীর গুলশানে একটি হোটেলে দলের নিখোঁজ নেতাকর্মীদের পরিবারের সন্মানে খালেদা জিয়া এই ইফতার দেন। ‘গুম’ ও ‘খুন’ হওয়া নেতা-কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন বিএনপিপ্রধান।

খালেদা জিয়া বলেন, ‘তারা (সরকার) ভেবেছে যে, বিএনপিকে শেষ করতে গেলে এসব ভালো ছেলেদের শেষ করে ফেলতে হবে, তাহলে বিএনপি দুর্বল হবে, বিএনপির কিছু হবে না। তারা আজীবন ধরে ক্ষমতায় থেকে এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাবেন। সেজন্য তারা এসব কাজগুলো করেছিলো ক্ষমতায় আসার পর থেকেই।’

বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ‘এর আগেও তারা (আওয়ামী লীগ) এসব করেছিল, কিন্তু এরকম হয়নি। এবার ক্ষমতায় এসে যা করেছে তা অবর্ণনীয় ও অকল্পনীয়।’

আওয়ামী লীগ সরকার বিদায় হলে নিখোঁজ হওয়া নেতাকর্মীদের সন্ধান পাওয়া যাবে- এই আশাবাদ ব্যক্ত করে খালেদ জিয়া বলেন, ‘আমরা এখনো আশা করি যে, তারা আ্ছে, একদিন ফিরে আসবে। আপনারা দেখে যে, সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলেকেও ধরে নিয়ে গেছিল, কয়েক মাস পর তাকে তার বাড়ির কাছে ফেলে দিয়ে গেছে। এরকম আরেকজন হলো খোকন।’ তিনি বলেন, ‘আমি আশা করছি, জালেম অত্যাচারী বিদায় হলে দেশে তখন তাদের খোঁজ পাবো, তখন তারা তাদের পরিবারের কাছে ফিরে যাবে। আমরা সেই আশায় আছি।’

নিখোঁজ নেতাকর্মীদের পরিবারের বেদনার সাথে সহমর্মিতা প্রকাশ করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ‘যারা হারিয়ে গেছে, তারা শুধু আপনাদের ছেলে নয়, আমাদেরও ছেলে। তাদের স্নেহ করতাম, ওরা দলের জন্য অনেক কষ্ট করেছে।  তারা (সরকার) যাদেরকে উঠিয়ে নিয়ে গেছে, তারা জানতো যে, এরা ভালো ছেলে, এরা কাজ করে দলের জন্য। ওরা ভেবেছে যে, এসব কর্মীকে শেষ করে ফেলতে পারলে বিএনপি শেষ হয়ে যাবে।’

অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ছাত্রদলের নিহত নেতা নুরুল আলম নুরুর শিশু কন্যা উম্মে হাবিবা মীম, সেলিম রেজা পিন্টুর বোন রেহানা পারভীন ‍মুন্নী, সাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন আঁখি, নুরুজ্জামান জনির স্ত্রী মুনিয়া পারভীন, তিন মাস ১৭ দিন নিখোঁজ থাকার পর সন্ধান পাওয়া ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকনও বক্তব্য দেন।

পরে মূল মঞ্চে দলের মহাসচিবসহ নিখোঁজ এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা, সাজেদুল ইসলাম সুমনের মা হাজেরা খাতুন, মাহবুব হাসান সুজনের মা রাশিদা বেগম, মো. জহিরের মা হোসনে আরা, এসএম আদনান চৌধুরীর বাবা রুহুল আমিন চৌধুরী, নাজমুল স্ত্রী সাবিরা নাজমুল, সদ্য নিহত চট্টগ্রাম ছাত্রদল নেতা নুর আলম নুরুর স্ত্রী সুমী আখতারসহ নিখোঁজ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ইফতার করেন খালেদা জিয়া।

ইফতারে নিখোঁজ ও নিহত নেতাকর্মীর পরিবারের মধ্যে ছিলেন বিএনপির চৌধুরী আলম, জাহিদুর করিম তানভীর, আলম হোসেন, আনোয়ার হোসেন, মো. মাসুম. মো. শামীম, মাসুদ হোসেন, মারুফ শেখ, যুব দলের নুরে আলম, আফজাল হোসেন, মনিরুল ইসলাম মনির, সেলিম শাহিন, মেহেদি আলম মাহাবি, স্বেচ্ছাসেবক দলের এম আদনান চৌধুরী, মো. কাউসার, শ্রমিক দলের ওয়াদুদ ব্যাপারী, ছাত্রদলের আসাদুজ্জামান রানা, মাজহারুল ইসলাম রাসেল, মো. আলমীন, মাহবুব হোসেন সুজন, সেলিম রেজা পিন্টু, সম্রাট মোল্লা, কাজী ফরহাদ হোসেন, খালেদ হোসেন সোহেল, মো. সোহেল, মো. জহির, মো. পারভেজ হোসেন, মো. চঞ্চল, তরিকুল ইসলাম ঝন্টু, নিজামউদ্দিন মুন্না, তরিকুল ইসলাম তারা, মফিজুল ইসলাম রাশেদ, আবদুল কাদের ভুঁইয়া মাসুম, নুরুজ্জামান জনি, মাহবুবুর রহমান বাপ্পী, আমিনুল ইসলাম জাকির, মাসুদ রানা, মো. জিহাদুর রহমান, মো. রাহাত, মো. জসিম উদ্দিন, ইসমাইল হোসেন, মেহেদি হাসান রাজু, এহসানুল হক খোকন, মিজানুর রহমান টিটু, আরিফুল ইসলাম মুকুল, সাইফুর রহমান সজীব, মো. হাসান, ইফতেখার আহমেদ দিনারের পরিবারের সদস্যরা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, কেন্দ্রীয় নেতা শরীফুল আলম, শহিদুল ইসলাম বাবুল, আমিরুজ্জামান খান শিমুল, সাইফুল আলম নিবর, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, শফিউল বারী বাবু, আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, রাজীব আহসান, আকরামুল হাসান, কাজী আবুল বাশার, শায়রুল কবির খান প্রমূখ ইফতারে অংশ নেন।

রমজানে ইতিমধ্যে এতিম-উলামা-মাশায়েক, রাজনীতিবিদ, পেশাজীবী, বিএনপির নেতা-কর্মী, কূটনীতিকদের সন্মানে পাঁচটি ইফতার অনুষ্ঠান করেন খালেদা জিয়া।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মদন পৌর শহর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত

অত্যাচারীরা বিদায় নিলেই ফিরে পাবো নিখোঁজদের: খালেদা

আপডেট টাইম : ১২:৪৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জুন ২০১৭

বর্তমান সরকারকে ‘অত্যাচারী’ আখ্যায়িত করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, এই সরকার বিদায় নিলেই যারা গুম হয়েছেন তাদের খোঁজ মিলবে। আজীবন ক্ষমতায় থাকার ইচ্ছায় ক্ষমতাসীনরা বিএনপির নেতাকর্মীদের ‘গুম’ করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

মঙ্গলবার এক ইফাতার মাহফিলে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসন এই অভিযোগ করেন। রাজধানীর গুলশানে একটি হোটেলে দলের নিখোঁজ নেতাকর্মীদের পরিবারের সন্মানে খালেদা জিয়া এই ইফতার দেন। ‘গুম’ ও ‘খুন’ হওয়া নেতা-কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন বিএনপিপ্রধান।

খালেদা জিয়া বলেন, ‘তারা (সরকার) ভেবেছে যে, বিএনপিকে শেষ করতে গেলে এসব ভালো ছেলেদের শেষ করে ফেলতে হবে, তাহলে বিএনপি দুর্বল হবে, বিএনপির কিছু হবে না। তারা আজীবন ধরে ক্ষমতায় থেকে এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাবেন। সেজন্য তারা এসব কাজগুলো করেছিলো ক্ষমতায় আসার পর থেকেই।’

বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ‘এর আগেও তারা (আওয়ামী লীগ) এসব করেছিল, কিন্তু এরকম হয়নি। এবার ক্ষমতায় এসে যা করেছে তা অবর্ণনীয় ও অকল্পনীয়।’

আওয়ামী লীগ সরকার বিদায় হলে নিখোঁজ হওয়া নেতাকর্মীদের সন্ধান পাওয়া যাবে- এই আশাবাদ ব্যক্ত করে খালেদ জিয়া বলেন, ‘আমরা এখনো আশা করি যে, তারা আ্ছে, একদিন ফিরে আসবে। আপনারা দেখে যে, সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলেকেও ধরে নিয়ে গেছিল, কয়েক মাস পর তাকে তার বাড়ির কাছে ফেলে দিয়ে গেছে। এরকম আরেকজন হলো খোকন।’ তিনি বলেন, ‘আমি আশা করছি, জালেম অত্যাচারী বিদায় হলে দেশে তখন তাদের খোঁজ পাবো, তখন তারা তাদের পরিবারের কাছে ফিরে যাবে। আমরা সেই আশায় আছি।’

নিখোঁজ নেতাকর্মীদের পরিবারের বেদনার সাথে সহমর্মিতা প্রকাশ করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ‘যারা হারিয়ে গেছে, তারা শুধু আপনাদের ছেলে নয়, আমাদেরও ছেলে। তাদের স্নেহ করতাম, ওরা দলের জন্য অনেক কষ্ট করেছে।  তারা (সরকার) যাদেরকে উঠিয়ে নিয়ে গেছে, তারা জানতো যে, এরা ভালো ছেলে, এরা কাজ করে দলের জন্য। ওরা ভেবেছে যে, এসব কর্মীকে শেষ করে ফেলতে পারলে বিএনপি শেষ হয়ে যাবে।’

অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ছাত্রদলের নিহত নেতা নুরুল আলম নুরুর শিশু কন্যা উম্মে হাবিবা মীম, সেলিম রেজা পিন্টুর বোন রেহানা পারভীন ‍মুন্নী, সাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন আঁখি, নুরুজ্জামান জনির স্ত্রী মুনিয়া পারভীন, তিন মাস ১৭ দিন নিখোঁজ থাকার পর সন্ধান পাওয়া ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকনও বক্তব্য দেন।

পরে মূল মঞ্চে দলের মহাসচিবসহ নিখোঁজ এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা, সাজেদুল ইসলাম সুমনের মা হাজেরা খাতুন, মাহবুব হাসান সুজনের মা রাশিদা বেগম, মো. জহিরের মা হোসনে আরা, এসএম আদনান চৌধুরীর বাবা রুহুল আমিন চৌধুরী, নাজমুল স্ত্রী সাবিরা নাজমুল, সদ্য নিহত চট্টগ্রাম ছাত্রদল নেতা নুর আলম নুরুর স্ত্রী সুমী আখতারসহ নিখোঁজ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ইফতার করেন খালেদা জিয়া।

ইফতারে নিখোঁজ ও নিহত নেতাকর্মীর পরিবারের মধ্যে ছিলেন বিএনপির চৌধুরী আলম, জাহিদুর করিম তানভীর, আলম হোসেন, আনোয়ার হোসেন, মো. মাসুম. মো. শামীম, মাসুদ হোসেন, মারুফ শেখ, যুব দলের নুরে আলম, আফজাল হোসেন, মনিরুল ইসলাম মনির, সেলিম শাহিন, মেহেদি আলম মাহাবি, স্বেচ্ছাসেবক দলের এম আদনান চৌধুরী, মো. কাউসার, শ্রমিক দলের ওয়াদুদ ব্যাপারী, ছাত্রদলের আসাদুজ্জামান রানা, মাজহারুল ইসলাম রাসেল, মো. আলমীন, মাহবুব হোসেন সুজন, সেলিম রেজা পিন্টু, সম্রাট মোল্লা, কাজী ফরহাদ হোসেন, খালেদ হোসেন সোহেল, মো. সোহেল, মো. জহির, মো. পারভেজ হোসেন, মো. চঞ্চল, তরিকুল ইসলাম ঝন্টু, নিজামউদ্দিন মুন্না, তরিকুল ইসলাম তারা, মফিজুল ইসলাম রাশেদ, আবদুল কাদের ভুঁইয়া মাসুম, নুরুজ্জামান জনি, মাহবুবুর রহমান বাপ্পী, আমিনুল ইসলাম জাকির, মাসুদ রানা, মো. জিহাদুর রহমান, মো. রাহাত, মো. জসিম উদ্দিন, ইসমাইল হোসেন, মেহেদি হাসান রাজু, এহসানুল হক খোকন, মিজানুর রহমান টিটু, আরিফুল ইসলাম মুকুল, সাইফুর রহমান সজীব, মো. হাসান, ইফতেখার আহমেদ দিনারের পরিবারের সদস্যরা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, কেন্দ্রীয় নেতা শরীফুল আলম, শহিদুল ইসলাম বাবুল, আমিরুজ্জামান খান শিমুল, সাইফুল আলম নিবর, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, শফিউল বারী বাবু, আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, রাজীব আহসান, আকরামুল হাসান, কাজী আবুল বাশার, শায়রুল কবির খান প্রমূখ ইফতারে অংশ নেন।

রমজানে ইতিমধ্যে এতিম-উলামা-মাশায়েক, রাজনীতিবিদ, পেশাজীবী, বিএনপির নেতা-কর্মী, কূটনীতিকদের সন্মানে পাঁচটি ইফতার অনুষ্ঠান করেন খালেদা জিয়া।