ঢাকা ০১:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

গ্রেপ্তারের সময় পুলিশকে ১০ কোটি টাকার অফার দিয়েছিল দুই ধর্ষক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:২৬:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ মে ২০১৭
  • ৩৭১ বার

ধর্ষণ মামলার আসামি সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে সিলেট থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ধর্ষণের আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ সদর দপ্তরের সমন্বয়ে একাধিক টিম তৈরি করা হয়। এরমধ্যে সিলেট মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), জেলা পুলিশ এবং ঢাকা থেকে আসা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের টিম সহ একাধিক দল অভিযানে অংশ নেয়। তাদের গ্রেপ্তার করা হয় নগরীর পাঠানটুলার রশিদ ভিলা থেকে।

এদিকে, ধর্ষণ মামলার এই আসামী গ্রেপ্তারের সময় পুলিশকে ১০ কোটি টাকার অফার করেছিল বলে জানিয়েছে সেখানে উপস্থিত পুলিশের একটি সূত্র। কিন্তু পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ কথা শুনে খেপে যান এবং দুজনকেই বেশ কয়েকটি চড় থাপ্পড় মেরে গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিকে নাঈম আশরাফসহ ধর্ষণ মামলার অন্য আসামিরা যেন সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে চলে যেতে না পারে সেজন্য সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

বনানীর ‘দ্য রেইন ট্রি’ হোটেলে জন্মদিনের পার্টিতে আমন্ত্রণ করে ওই দুই বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৬ মে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। বনানী থানায় দায়ের করা এ মামলায় পাঁচজনকে আসামি করা হয়। আসামিরা হলেন- সাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ, বিল্লাল হোসেন, সাদমান সাকিফ ও আজাদ। মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামি সাফাত ও নাঈম ওই দুই তরুণীর বন্ধু। জন্মদিনের পার্টিতে দাওয়াত দিয়ে হোটেলে নেওয়ার পর সাফাত ও নাঈম হোটেলের একটি কক্ষে নিয়ে রাতভর দুই তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। অপর তিন আসামির বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহায়তা ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ আনা হয় মামলায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

হোয়াটসঅ্যাপে ‘গেস্ট চ্যাটস’ ফিচার, অ্যাকাউন্ট ছাড়াই করা যাবে মেসেজ

গ্রেপ্তারের সময় পুলিশকে ১০ কোটি টাকার অফার দিয়েছিল দুই ধর্ষক

আপডেট টাইম : ১১:২৬:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ মে ২০১৭

ধর্ষণ মামলার আসামি সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে সিলেট থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ধর্ষণের আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ সদর দপ্তরের সমন্বয়ে একাধিক টিম তৈরি করা হয়। এরমধ্যে সিলেট মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), জেলা পুলিশ এবং ঢাকা থেকে আসা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের টিম সহ একাধিক দল অভিযানে অংশ নেয়। তাদের গ্রেপ্তার করা হয় নগরীর পাঠানটুলার রশিদ ভিলা থেকে।

এদিকে, ধর্ষণ মামলার এই আসামী গ্রেপ্তারের সময় পুলিশকে ১০ কোটি টাকার অফার করেছিল বলে জানিয়েছে সেখানে উপস্থিত পুলিশের একটি সূত্র। কিন্তু পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ কথা শুনে খেপে যান এবং দুজনকেই বেশ কয়েকটি চড় থাপ্পড় মেরে গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিকে নাঈম আশরাফসহ ধর্ষণ মামলার অন্য আসামিরা যেন সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে চলে যেতে না পারে সেজন্য সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

বনানীর ‘দ্য রেইন ট্রি’ হোটেলে জন্মদিনের পার্টিতে আমন্ত্রণ করে ওই দুই বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৬ মে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। বনানী থানায় দায়ের করা এ মামলায় পাঁচজনকে আসামি করা হয়। আসামিরা হলেন- সাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ, বিল্লাল হোসেন, সাদমান সাকিফ ও আজাদ। মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামি সাফাত ও নাঈম ওই দুই তরুণীর বন্ধু। জন্মদিনের পার্টিতে দাওয়াত দিয়ে হোটেলে নেওয়ার পর সাফাত ও নাঈম হোটেলের একটি কক্ষে নিয়ে রাতভর দুই তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। অপর তিন আসামির বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহায়তা ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ আনা হয় মামলায়।