ঢাকা ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

এফআইআর-এর বইয়ের পাতা ছিঁড়ে জালিয়াতি আটক বাণিজ্য: কটিয়াদীর সেই ওসি প্রত্যাহার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:০৫:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ এপ্রিল ২০১৭
  • ৩২৭ বার

কটিয়াদীতে আটক বাণিজ্য ধামাচাপা দিতে এফআইআর বইয়ের পাতা ছিঁড়ে একই নম্বরে দু’টো মামলা রুজু করার ঘটনায় আলোচিত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান উল্লাহকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে কটিয়াদী থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। মো. আহসান উল্লাহর স্থলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকির রব্বানীকে। অন্যদিকে মো. জাকির রব্বানীর স্থলে শুক্রবার করিমগঞ্জ থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন হোসেনপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মুজিবুর রহমান।

গত বছরের ৪ঠা নভেম্বর কটিয়াদী মডেল থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে যোগদান করেছিলেন মো. আহসান উল্লাহ। দায়িত্ব পাওয়ার পর পরই তিনি শুরু করেন বেপরোয়া আটক বাণিজ্য। মাত্র পাঁচ মাসেই তিনি কটিয়াদী মডেল থানাকে বানিয়ে ফেলেন ‘ঘুষের হাট’। ওসি আহসান উল্লাহর আটক বাণিজ্যের ফিরিস্তি ও নানা অনিয়মের কথা ছড়িয়ে পড়ে থানা এলাকার মানুষের মুখে মুখে। এমনকি বেপরোয়া এই আটক বাণিজ্য ধামাচাপা দিতে ওসি মো. আহসান উল্লাহ এফআইআর বইয়ের পাতা ছিঁড়ে একই নম্বরে দু’টো মামলা পর্যন্ত রুজু করেন। এ বিষয়ে পহেলা এপ্রিল দৈনিক মানবজমিন-এ একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

প্রকাশিত এই প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন খান, পিপিএম গঠন করেন তদন্ত কমিটি। এক সদস্যবিশিষ্ট এই তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয় হোসেনপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামাল উদ্দিনকে। তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামাল উদ্দিন ওসি মো. আহসান উল্লাহর বিরুদ্ধে এফআইআর বই ছিঁড়ে ফেলে ঘুষ নেয়ার অভিযোগের সত্যতা পান। এ পরিস্থিতিতে ওসি মো. আহসান উল্লাহকে কটিয়াদী থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করার আদেশ জারি করা হয়েছে।

তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামাল উদ্দিন শুক্রবার দুপুরে মানবজমিনকে বলেন, তদন্তের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। শীঘ্রই এ ব্যাপারে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। মানবজমিন-এ প্রকাশিত সংবাদ তথ্যবহুল ছিল বলেও পুলিশের এই কর্মকর্তা মন্তব্য করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

এফআইআর-এর বইয়ের পাতা ছিঁড়ে জালিয়াতি আটক বাণিজ্য: কটিয়াদীর সেই ওসি প্রত্যাহার

আপডেট টাইম : ০৬:০৫:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ এপ্রিল ২০১৭

কটিয়াদীতে আটক বাণিজ্য ধামাচাপা দিতে এফআইআর বইয়ের পাতা ছিঁড়ে একই নম্বরে দু’টো মামলা রুজু করার ঘটনায় আলোচিত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান উল্লাহকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে কটিয়াদী থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। মো. আহসান উল্লাহর স্থলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকির রব্বানীকে। অন্যদিকে মো. জাকির রব্বানীর স্থলে শুক্রবার করিমগঞ্জ থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন হোসেনপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মুজিবুর রহমান।

গত বছরের ৪ঠা নভেম্বর কটিয়াদী মডেল থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে যোগদান করেছিলেন মো. আহসান উল্লাহ। দায়িত্ব পাওয়ার পর পরই তিনি শুরু করেন বেপরোয়া আটক বাণিজ্য। মাত্র পাঁচ মাসেই তিনি কটিয়াদী মডেল থানাকে বানিয়ে ফেলেন ‘ঘুষের হাট’। ওসি আহসান উল্লাহর আটক বাণিজ্যের ফিরিস্তি ও নানা অনিয়মের কথা ছড়িয়ে পড়ে থানা এলাকার মানুষের মুখে মুখে। এমনকি বেপরোয়া এই আটক বাণিজ্য ধামাচাপা দিতে ওসি মো. আহসান উল্লাহ এফআইআর বইয়ের পাতা ছিঁড়ে একই নম্বরে দু’টো মামলা পর্যন্ত রুজু করেন। এ বিষয়ে পহেলা এপ্রিল দৈনিক মানবজমিন-এ একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

প্রকাশিত এই প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন খান, পিপিএম গঠন করেন তদন্ত কমিটি। এক সদস্যবিশিষ্ট এই তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয় হোসেনপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামাল উদ্দিনকে। তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামাল উদ্দিন ওসি মো. আহসান উল্লাহর বিরুদ্ধে এফআইআর বই ছিঁড়ে ফেলে ঘুষ নেয়ার অভিযোগের সত্যতা পান। এ পরিস্থিতিতে ওসি মো. আহসান উল্লাহকে কটিয়াদী থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করার আদেশ জারি করা হয়েছে।

তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামাল উদ্দিন শুক্রবার দুপুরে মানবজমিনকে বলেন, তদন্তের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। শীঘ্রই এ ব্যাপারে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। মানবজমিন-এ প্রকাশিত সংবাদ তথ্যবহুল ছিল বলেও পুলিশের এই কর্মকর্তা মন্তব্য করেন।