ঢাকা ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা মহররমের চাঁদ দেখা গেছে ২৬ জুন সারাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র আশুরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় খামার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী আত্রাই নদীতে অবৈধ সৌতিজালের বিরুদ্ধে অভিযান নেটওয়ার্ক খুঁজতে আম গাছে প্রধান শিক্ষক, কী ঘটেছিল সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতকে দুদকের চিঠি মাদরাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন বিলম্ব: দ্রুত সমাধান ও স্থায়ী ব্যবস্থার দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে রাত পোহালেই আর্জেন্টিনার ম্যাচ, মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন মেসি

এফআইআর-এর বইয়ের পাতা ছিঁড়ে জালিয়াতি আটক বাণিজ্য: কটিয়াদীর সেই ওসি প্রত্যাহার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:০৫:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ এপ্রিল ২০১৭
  • ৩২১ বার

কটিয়াদীতে আটক বাণিজ্য ধামাচাপা দিতে এফআইআর বইয়ের পাতা ছিঁড়ে একই নম্বরে দু’টো মামলা রুজু করার ঘটনায় আলোচিত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান উল্লাহকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে কটিয়াদী থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। মো. আহসান উল্লাহর স্থলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকির রব্বানীকে। অন্যদিকে মো. জাকির রব্বানীর স্থলে শুক্রবার করিমগঞ্জ থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন হোসেনপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মুজিবুর রহমান।

গত বছরের ৪ঠা নভেম্বর কটিয়াদী মডেল থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে যোগদান করেছিলেন মো. আহসান উল্লাহ। দায়িত্ব পাওয়ার পর পরই তিনি শুরু করেন বেপরোয়া আটক বাণিজ্য। মাত্র পাঁচ মাসেই তিনি কটিয়াদী মডেল থানাকে বানিয়ে ফেলেন ‘ঘুষের হাট’। ওসি আহসান উল্লাহর আটক বাণিজ্যের ফিরিস্তি ও নানা অনিয়মের কথা ছড়িয়ে পড়ে থানা এলাকার মানুষের মুখে মুখে। এমনকি বেপরোয়া এই আটক বাণিজ্য ধামাচাপা দিতে ওসি মো. আহসান উল্লাহ এফআইআর বইয়ের পাতা ছিঁড়ে একই নম্বরে দু’টো মামলা পর্যন্ত রুজু করেন। এ বিষয়ে পহেলা এপ্রিল দৈনিক মানবজমিন-এ একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

প্রকাশিত এই প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন খান, পিপিএম গঠন করেন তদন্ত কমিটি। এক সদস্যবিশিষ্ট এই তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয় হোসেনপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামাল উদ্দিনকে। তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামাল উদ্দিন ওসি মো. আহসান উল্লাহর বিরুদ্ধে এফআইআর বই ছিঁড়ে ফেলে ঘুষ নেয়ার অভিযোগের সত্যতা পান। এ পরিস্থিতিতে ওসি মো. আহসান উল্লাহকে কটিয়াদী থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করার আদেশ জারি করা হয়েছে।

তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামাল উদ্দিন শুক্রবার দুপুরে মানবজমিনকে বলেন, তদন্তের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। শীঘ্রই এ ব্যাপারে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। মানবজমিন-এ প্রকাশিত সংবাদ তথ্যবহুল ছিল বলেও পুলিশের এই কর্মকর্তা মন্তব্য করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা

এফআইআর-এর বইয়ের পাতা ছিঁড়ে জালিয়াতি আটক বাণিজ্য: কটিয়াদীর সেই ওসি প্রত্যাহার

আপডেট টাইম : ০৬:০৫:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ এপ্রিল ২০১৭

কটিয়াদীতে আটক বাণিজ্য ধামাচাপা দিতে এফআইআর বইয়ের পাতা ছিঁড়ে একই নম্বরে দু’টো মামলা রুজু করার ঘটনায় আলোচিত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান উল্লাহকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে কটিয়াদী থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। মো. আহসান উল্লাহর স্থলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকির রব্বানীকে। অন্যদিকে মো. জাকির রব্বানীর স্থলে শুক্রবার করিমগঞ্জ থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন হোসেনপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মুজিবুর রহমান।

গত বছরের ৪ঠা নভেম্বর কটিয়াদী মডেল থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে যোগদান করেছিলেন মো. আহসান উল্লাহ। দায়িত্ব পাওয়ার পর পরই তিনি শুরু করেন বেপরোয়া আটক বাণিজ্য। মাত্র পাঁচ মাসেই তিনি কটিয়াদী মডেল থানাকে বানিয়ে ফেলেন ‘ঘুষের হাট’। ওসি আহসান উল্লাহর আটক বাণিজ্যের ফিরিস্তি ও নানা অনিয়মের কথা ছড়িয়ে পড়ে থানা এলাকার মানুষের মুখে মুখে। এমনকি বেপরোয়া এই আটক বাণিজ্য ধামাচাপা দিতে ওসি মো. আহসান উল্লাহ এফআইআর বইয়ের পাতা ছিঁড়ে একই নম্বরে দু’টো মামলা পর্যন্ত রুজু করেন। এ বিষয়ে পহেলা এপ্রিল দৈনিক মানবজমিন-এ একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

প্রকাশিত এই প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন খান, পিপিএম গঠন করেন তদন্ত কমিটি। এক সদস্যবিশিষ্ট এই তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয় হোসেনপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামাল উদ্দিনকে। তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামাল উদ্দিন ওসি মো. আহসান উল্লাহর বিরুদ্ধে এফআইআর বই ছিঁড়ে ফেলে ঘুষ নেয়ার অভিযোগের সত্যতা পান। এ পরিস্থিতিতে ওসি মো. আহসান উল্লাহকে কটিয়াদী থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করার আদেশ জারি করা হয়েছে।

তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামাল উদ্দিন শুক্রবার দুপুরে মানবজমিনকে বলেন, তদন্তের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। শীঘ্রই এ ব্যাপারে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। মানবজমিন-এ প্রকাশিত সংবাদ তথ্যবহুল ছিল বলেও পুলিশের এই কর্মকর্তা মন্তব্য করেন।