ঢাকা ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমপিপুত্র রনির বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ৭ মে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৫১:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ মার্চ ২০১৭
  • ৩২৫ বার

রাজধানীর ইস্কাটনে জোড়া খুনের ঘটনার মামলায় এমপিপুত্র বখতিয়ার আলম রনির বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ আগামী ৭ মে ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার মামলায় ৫ জনের সাক্ষগ্রহণ শেষে ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ সামছুন নাহারের আদালত নতুন এ দিন ধার্য করেন।

এদিন আদালতে সাক্ষ্য দেন পুলিশের এএসপি আবু তাহের, এসআই আব্দুর রাজ্জাক, পাবিলিক ফয়সাল চৌধুরী, দিপক সাহা ও ইউসুফ মোল্লা। তাদের সাক্ষ্য শেষে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা জেরা করেন।

আসামি রনি মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) ও সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য পিনু খানের ছেলে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১৩ এপ্রিল গভীর রাতে ইস্কাটনে মদ্যপ অবস্থায় রনি নিজ গাড়ি থেকে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন। এতে রিকশাচালক হাকিম ও অটোরিকশাচালক ইয়াকুব আলী আহত হন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দু’জনই মারা যান। পরে নিহত হাকিমের মা মনোয়ারা বেগম বাদি হয়ে রমনা থানায় অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপিপুত্র রনির বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ৭ মে

আপডেট টাইম : ১২:৫১:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ মার্চ ২০১৭

রাজধানীর ইস্কাটনে জোড়া খুনের ঘটনার মামলায় এমপিপুত্র বখতিয়ার আলম রনির বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ আগামী ৭ মে ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার মামলায় ৫ জনের সাক্ষগ্রহণ শেষে ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ সামছুন নাহারের আদালত নতুন এ দিন ধার্য করেন।

এদিন আদালতে সাক্ষ্য দেন পুলিশের এএসপি আবু তাহের, এসআই আব্দুর রাজ্জাক, পাবিলিক ফয়সাল চৌধুরী, দিপক সাহা ও ইউসুফ মোল্লা। তাদের সাক্ষ্য শেষে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা জেরা করেন।

আসামি রনি মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) ও সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য পিনু খানের ছেলে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১৩ এপ্রিল গভীর রাতে ইস্কাটনে মদ্যপ অবস্থায় রনি নিজ গাড়ি থেকে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন। এতে রিকশাচালক হাকিম ও অটোরিকশাচালক ইয়াকুব আলী আহত হন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দু’জনই মারা যান। পরে নিহত হাকিমের মা মনোয়ারা বেগম বাদি হয়ে রমনা থানায় অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন।