ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি হেফাজতের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী ওএসডি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, তিন যুগ পর ভোটগ্রহণ অধিবেশন ডাকা হবে না: চিফ হুইপ ম্যানেজিং কমিটির হাতে যাচ্ছে শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্রদল সভাপতি বললেন ‘গুজব’ ঢাকায় ‘র’ প্রধানের রহস্যজনক সফর আদালতে আসেননি পরীমনি, মাদক মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল ‘ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, গায়ে পড়ে ঝগড়া বাধাতে আসবেন না’ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন বিতর্কিত মালিকদের হাতে ফিরছে না একীভূত ৫ ব্যাংকের মালিকানা প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও থাকছে না পোস্টার, আচরণবিধি চূড়ান্ত করল ইসি

রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্জ্য নেবে রাশিয়া: প্রধানমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:২৭:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মার্চ ২০১৭
  • ৪৬১ বার

রাশিয়া রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্জ্য নেবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখি হাসিনা। বৃহস্পতিবার তিনি জাতীয় সংসদকে এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই কেন্দ্রের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও কেন্দ্র নির্মাণকারী দেশ রাশিয়ার সঙ্গে কথা হয়েছে । রাশিয়াই এসব বিপজ্জনক বর্জ্য নিয়ে যাবে।

বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ এত সহজ না। সেই ৬২ সাল থেকেই এর চিন্তা ভাবনা। ১৯৯৬ সালে আমরা ক্ষমতায় এসে একটি কমিটি করি। রূপপুরে আমরা যে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছি, সেটা অত্যন্ত আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন। সেখানে যারা কাজ করবে, আমাদের যারা সায়েন্টিস্ট (বিজ্ঞানী) বা টেকনোলজিস্ট, তাদের প্রত্যেকের ট্রেনিং হচ্ছে। প্রতিনিয়ত আমরা তাদেরকে ট্রেইনিং করিয়ে নিয়ে আসছি।’

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে উঠা উদ্বেগ অযৌক্তিক বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের যে বর্জ্য হবে, সেটা নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করার আগে আমি আলোচনা শুরু করি, সেই আলোচনায় আমার প্রথম প্রশ্নটাই ছিল, এই বর্জ্যটার ব্যবস্থাপনা কারা করবে? এটা তারা করবে-এটা তারা আমাদেরকে কথা দিয়েছে। এখন অত্যন্ত আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, সেখানে কোনো ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। পৃথিবীর বহু দেশে এ রকম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে।’

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করা ব্যক্তিদেরকে নিয়েও সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কিছু মানুষ আছে, তারা নতুন কিছু করতে গেলেই নানা রকম খুঁত ধরতে শুরু করে। এটা নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। এটুকু আমি অন্তত বলতে পারি।’

রামপাল প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে সুন্দরবন-সুন্দরবন করে অনেকে চিৎকার করছে। অথচ রামপাল সুন্দরবন থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। কাজেই সুন্দরবনে কিন্তু রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু লোক তো থাকে, কাজ করতে গেলেই নানা ফ্যাকরা ও বাধা দিতে চায়। আমি মিউনিখে গিয়েছিলাম, সেখানে তো শহরের ভেতরে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে। সেখানে ক্ষতি হচ্ছে না। আমাদের তো দিনাজপুরেই তো কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে। সেখানে কি ফসল উৎপাদন হচ্ছে না? সেখানকার মানুষগুলো কি সেখানে বসবাস করছে না? আর সেখানে তো একেবারে সাধারণ একটা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। আর আমরা এখন যেটা করছি, সেটা অত্যন্ত আধুনিক। কাজেই মানুষকে বিভ্রান্ত করা আর কাজে বাধা দেয়া অনেকের চরিত্র, এটা তারা করবেই।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি হেফাজতের

রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্জ্য নেবে রাশিয়া: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১২:২৭:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মার্চ ২০১৭

রাশিয়া রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্জ্য নেবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখি হাসিনা। বৃহস্পতিবার তিনি জাতীয় সংসদকে এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই কেন্দ্রের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও কেন্দ্র নির্মাণকারী দেশ রাশিয়ার সঙ্গে কথা হয়েছে । রাশিয়াই এসব বিপজ্জনক বর্জ্য নিয়ে যাবে।

বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ এত সহজ না। সেই ৬২ সাল থেকেই এর চিন্তা ভাবনা। ১৯৯৬ সালে আমরা ক্ষমতায় এসে একটি কমিটি করি। রূপপুরে আমরা যে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছি, সেটা অত্যন্ত আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন। সেখানে যারা কাজ করবে, আমাদের যারা সায়েন্টিস্ট (বিজ্ঞানী) বা টেকনোলজিস্ট, তাদের প্রত্যেকের ট্রেনিং হচ্ছে। প্রতিনিয়ত আমরা তাদেরকে ট্রেইনিং করিয়ে নিয়ে আসছি।’

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে উঠা উদ্বেগ অযৌক্তিক বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের যে বর্জ্য হবে, সেটা নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করার আগে আমি আলোচনা শুরু করি, সেই আলোচনায় আমার প্রথম প্রশ্নটাই ছিল, এই বর্জ্যটার ব্যবস্থাপনা কারা করবে? এটা তারা করবে-এটা তারা আমাদেরকে কথা দিয়েছে। এখন অত্যন্ত আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, সেখানে কোনো ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। পৃথিবীর বহু দেশে এ রকম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে।’

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করা ব্যক্তিদেরকে নিয়েও সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কিছু মানুষ আছে, তারা নতুন কিছু করতে গেলেই নানা রকম খুঁত ধরতে শুরু করে। এটা নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। এটুকু আমি অন্তত বলতে পারি।’

রামপাল প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে সুন্দরবন-সুন্দরবন করে অনেকে চিৎকার করছে। অথচ রামপাল সুন্দরবন থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। কাজেই সুন্দরবনে কিন্তু রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু লোক তো থাকে, কাজ করতে গেলেই নানা ফ্যাকরা ও বাধা দিতে চায়। আমি মিউনিখে গিয়েছিলাম, সেখানে তো শহরের ভেতরে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে। সেখানে ক্ষতি হচ্ছে না। আমাদের তো দিনাজপুরেই তো কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে। সেখানে কি ফসল উৎপাদন হচ্ছে না? সেখানকার মানুষগুলো কি সেখানে বসবাস করছে না? আর সেখানে তো একেবারে সাধারণ একটা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। আর আমরা এখন যেটা করছি, সেটা অত্যন্ত আধুনিক। কাজেই মানুষকে বিভ্রান্ত করা আর কাজে বাধা দেয়া অনেকের চরিত্র, এটা তারা করবেই।’