ঢাকা ০৪:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ সাড়ে ৩ কেজি ওজনের দুই ইলিশ ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন হচ্ছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী থমকে আছে উন্নয়ন প্রকল্প ও তদারকি, মন্ত্রণালয়ে ঘুরছেন এমপিরা কেন শিশুদের ঘ্রাণবিষয়ক শিক্ষা দিতে বললেন এই বিশেষজ্ঞ নতুন পে-স্কেলে কোন গ্রেডে কত বাড়ল বেতন বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জনগণই বিএনপির রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস: তারেক রহমান নরওয়ের রাজার মৃত্যুতে বাংলাদেশের পক্ষে শোকবইয়ে স্বাক্ষর স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর যশোরে নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিমন্ত্রী ও এমপিসহ ১১৩ জনের নামে মামলা হাদি হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্জ্য নেবে রাশিয়া: প্রধানমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:২৭:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মার্চ ২০১৭
  • ৪৬৬ বার

রাশিয়া রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্জ্য নেবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখি হাসিনা। বৃহস্পতিবার তিনি জাতীয় সংসদকে এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই কেন্দ্রের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও কেন্দ্র নির্মাণকারী দেশ রাশিয়ার সঙ্গে কথা হয়েছে । রাশিয়াই এসব বিপজ্জনক বর্জ্য নিয়ে যাবে।

বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ এত সহজ না। সেই ৬২ সাল থেকেই এর চিন্তা ভাবনা। ১৯৯৬ সালে আমরা ক্ষমতায় এসে একটি কমিটি করি। রূপপুরে আমরা যে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছি, সেটা অত্যন্ত আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন। সেখানে যারা কাজ করবে, আমাদের যারা সায়েন্টিস্ট (বিজ্ঞানী) বা টেকনোলজিস্ট, তাদের প্রত্যেকের ট্রেনিং হচ্ছে। প্রতিনিয়ত আমরা তাদেরকে ট্রেইনিং করিয়ে নিয়ে আসছি।’

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে উঠা উদ্বেগ অযৌক্তিক বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের যে বর্জ্য হবে, সেটা নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করার আগে আমি আলোচনা শুরু করি, সেই আলোচনায় আমার প্রথম প্রশ্নটাই ছিল, এই বর্জ্যটার ব্যবস্থাপনা কারা করবে? এটা তারা করবে-এটা তারা আমাদেরকে কথা দিয়েছে। এখন অত্যন্ত আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, সেখানে কোনো ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। পৃথিবীর বহু দেশে এ রকম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে।’

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করা ব্যক্তিদেরকে নিয়েও সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কিছু মানুষ আছে, তারা নতুন কিছু করতে গেলেই নানা রকম খুঁত ধরতে শুরু করে। এটা নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। এটুকু আমি অন্তত বলতে পারি।’

রামপাল প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে সুন্দরবন-সুন্দরবন করে অনেকে চিৎকার করছে। অথচ রামপাল সুন্দরবন থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। কাজেই সুন্দরবনে কিন্তু রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু লোক তো থাকে, কাজ করতে গেলেই নানা ফ্যাকরা ও বাধা দিতে চায়। আমি মিউনিখে গিয়েছিলাম, সেখানে তো শহরের ভেতরে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে। সেখানে ক্ষতি হচ্ছে না। আমাদের তো দিনাজপুরেই তো কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে। সেখানে কি ফসল উৎপাদন হচ্ছে না? সেখানকার মানুষগুলো কি সেখানে বসবাস করছে না? আর সেখানে তো একেবারে সাধারণ একটা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। আর আমরা এখন যেটা করছি, সেটা অত্যন্ত আধুনিক। কাজেই মানুষকে বিভ্রান্ত করা আর কাজে বাধা দেয়া অনেকের চরিত্র, এটা তারা করবেই।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ

রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্জ্য নেবে রাশিয়া: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১২:২৭:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মার্চ ২০১৭

রাশিয়া রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্জ্য নেবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখি হাসিনা। বৃহস্পতিবার তিনি জাতীয় সংসদকে এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই কেন্দ্রের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও কেন্দ্র নির্মাণকারী দেশ রাশিয়ার সঙ্গে কথা হয়েছে । রাশিয়াই এসব বিপজ্জনক বর্জ্য নিয়ে যাবে।

বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ এত সহজ না। সেই ৬২ সাল থেকেই এর চিন্তা ভাবনা। ১৯৯৬ সালে আমরা ক্ষমতায় এসে একটি কমিটি করি। রূপপুরে আমরা যে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছি, সেটা অত্যন্ত আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন। সেখানে যারা কাজ করবে, আমাদের যারা সায়েন্টিস্ট (বিজ্ঞানী) বা টেকনোলজিস্ট, তাদের প্রত্যেকের ট্রেনিং হচ্ছে। প্রতিনিয়ত আমরা তাদেরকে ট্রেইনিং করিয়ে নিয়ে আসছি।’

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে উঠা উদ্বেগ অযৌক্তিক বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের যে বর্জ্য হবে, সেটা নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করার আগে আমি আলোচনা শুরু করি, সেই আলোচনায় আমার প্রথম প্রশ্নটাই ছিল, এই বর্জ্যটার ব্যবস্থাপনা কারা করবে? এটা তারা করবে-এটা তারা আমাদেরকে কথা দিয়েছে। এখন অত্যন্ত আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, সেখানে কোনো ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। পৃথিবীর বহু দেশে এ রকম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে।’

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করা ব্যক্তিদেরকে নিয়েও সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কিছু মানুষ আছে, তারা নতুন কিছু করতে গেলেই নানা রকম খুঁত ধরতে শুরু করে। এটা নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। এটুকু আমি অন্তত বলতে পারি।’

রামপাল প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে সুন্দরবন-সুন্দরবন করে অনেকে চিৎকার করছে। অথচ রামপাল সুন্দরবন থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। কাজেই সুন্দরবনে কিন্তু রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু লোক তো থাকে, কাজ করতে গেলেই নানা ফ্যাকরা ও বাধা দিতে চায়। আমি মিউনিখে গিয়েছিলাম, সেখানে তো শহরের ভেতরে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে। সেখানে ক্ষতি হচ্ছে না। আমাদের তো দিনাজপুরেই তো কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে। সেখানে কি ফসল উৎপাদন হচ্ছে না? সেখানকার মানুষগুলো কি সেখানে বসবাস করছে না? আর সেখানে তো একেবারে সাধারণ একটা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। আর আমরা এখন যেটা করছি, সেটা অত্যন্ত আধুনিক। কাজেই মানুষকে বিভ্রান্ত করা আর কাজে বাধা দেয়া অনেকের চরিত্র, এটা তারা করবেই।’