ঢাকা ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘ফ্যামিলি কার্ড ও বিনামূল্যে শিক্ষার মতো উদ্যোগ নারীদের সম্ভাবনা ও সুযোগ বাড়াচ্ছে’ সৌদি আরবে বাংলাদেশি নাগরিকদের সতর্ক থাকতে বললো দূতাবাস অন্যের প্রশংসার ক্ষেত্রে ইসলামের নির্দেশনা আচরণে যেন ফ্যাসিবাদের কোনো ছাপ না থাকে—নেতাকর্মীদের রিজভী পুলিশের দুই দিনের কঠোর দমনপীড়নের পরও রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের নেতৃত্বে উত্তাল দিল্লি ধর্মের ভিত্তিতে নয়, মানুষ হিসেবে প্রত্যেকের নিরাপত্তা নিশ্চিতের চেষ্টা করব: প্রধানমন্ত্রী এইচএসসির ফল ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ন্যাশনালকে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেবে সোনালী ব্যাংক দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, লক্ষ্য সাড়ে ৪ কোটি পরিবার সচিবালয়ে দর্শনার্থী পাস ইস্যু সীমিত হচ্ছে, ১২টার আগে প্রবেশ বন্ধ

দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, লক্ষ্য সাড়ে ৪ কোটি পরিবার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:১০:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৫ বার

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী একযোগে খানা বা পরিবারের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের প্রথম ধাপ শুরু হয়েছে। আজ সোমবার থেকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ফ্যামিলি কার্ড ডেটাবেইসের তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছেন। তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইতিমধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড খানা তথ্যভান্ডারের তথ্য সংগ্রহ নির্দেশিকা, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের জন্য ৬৬ হাজার ৮১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৬ হাজার ৬৮১ জন সুপারভাইজার নিয়োজিত রয়েছেন। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আনুমানিক ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে ডেটাবেইসে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আজ তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলনকক্ষে দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

মন্ত্রী বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন, অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। এর অংশ হিসেবে পরিবারের নারী প্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। গত ১০ মার্চ ঢাকা থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। পাইলটিং পর্যায়ে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত দেশের আট বিভাগের ৪৪টি জেলার ৫৫টি উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের ৫৭টি ইউনিটে মোট ১ লাখ ১২ হাজার ৯৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। প্রক্সি মিন্স টেস্ট (পিএমটি) স্কোরের ভিত্তিতে নির্বাচিত ৭১ হাজার ৮৩১ জন যোগ্য উপকারভোগীকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়া হয়েছে।

প্রক্সি মিন্স টেস্ট হলো এমন একটি বৈজ্ঞানিক ও পরিসংখ্যানভিত্তিক পদ্ধতি, যার মাধ্যমে সরাসরি আয়ের হিসাব না নিয়ে পরিবারের বিভিন্ন স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ও আর্থসামাজিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে ওই পরিবারের দারিদ্র্য বা সচ্ছলতার মাত্রা নির্ণয় করা হয়।

মন্ত্রী জানান, পাইলটিং কার্যক্রম পরিচালনায় বরাদ্দ করা ৮৬ কোটি ৬০ লাখ টাকার বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৬৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৫৭ কোটি ২০ লাখ টাকা ভাতা হিসেবে দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের জুলাই থেকে কর্মসূচির মূল বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ভাতা হিসেবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ করা প্রক্সি মিন্স টেস্ট পদ্ধতিতে দেশের সব পরিবারকে আর্থসামাজিক অবস্থার ভিত্তিতে পাঁচটি কোয়াইন্টাইলে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো অতিদরিদ্র, দরিদ্র, ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত। পিএমটি স্কোর ৮৬০ বা তার কম নম্বর প্রাপ্ত পরিবারের নারী প্রধান ভাতা পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হবেন। সব পরিবারের নারী প্রধান ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। তবে ভাতা দেওয়া হবে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় কোয়াইন্টাইলভুক্ত অর্থাৎ তুলনামূলক কম স্কোর পাওয়া পরিবারগুলোর নারী প্রধানকে।

মন্ত্রী জানান, তথ্য সংগ্রহে নিয়োজিত কর্মীদের প্রশিক্ষণের প্রথম পর্যায় সম্পন্ন হয়েছে। মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বিশেষায়িত ট্যাবলেটের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করছেন তাঁরা। সংগৃহীত তথ্য সরাসরি অনলাইন ডেটাবেইসে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। কার্যক্রমটি কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য মোবাইল সিম কার্ড সংগ্রহ, নেটওয়ার্কভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা, কর্মী ব্যবস্থাপনা ও নেটওয়ার্ক অপারেশন সেন্টার (এনওসি) স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশব্যাপী আনুমানিক ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে ডেটাবেইসে অন্তর্ভুক্ত করা হবে জানিয়ে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, প্রতি পাঁচজন সদস্যকে একটি পরিবার হিসেবে বিবেচনা করে এ হিসাব নির্ধারণ করা হয়েছে। পরে পিএমটি পদ্ধতিতে ডেটাবেইস থেকে যোগ্য উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছর নতুন ৪০ লাখ পরিবারের নারী প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে পরবর্তী তিন অর্থবছরে যোগ্য সব নারী প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতার আওতায় আনা হবে। উপকারভোগীদের দেওয়া ফ্যামিলি কার্ডে ডুয়েল চিপ, কিউআর কোড ও নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন (এনএফসি) সুবিধা থাকবে। কার্ডটি সরকারের টাকাপের পেমেন্ট ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। এর মাধ্যমে উপকারভোগীরা ব্যাংকের এটিএম বুথ, বিপণিবিতানের পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের (এমএফএস) মাধ্যমে ভাতার টাকা তুলতে পারবেন বলে জানান মন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, সমাজকল্যাণসচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব, তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ফ্যামিলি কার্ড ও বিনামূল্যে শিক্ষার মতো উদ্যোগ নারীদের সম্ভাবনা ও সুযোগ বাড়াচ্ছে’

দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, লক্ষ্য সাড়ে ৪ কোটি পরিবার

আপডেট টাইম : ১০:১০:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী একযোগে খানা বা পরিবারের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের প্রথম ধাপ শুরু হয়েছে। আজ সোমবার থেকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ফ্যামিলি কার্ড ডেটাবেইসের তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছেন। তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইতিমধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড খানা তথ্যভান্ডারের তথ্য সংগ্রহ নির্দেশিকা, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের জন্য ৬৬ হাজার ৮১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৬ হাজার ৬৮১ জন সুপারভাইজার নিয়োজিত রয়েছেন। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আনুমানিক ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে ডেটাবেইসে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আজ তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলনকক্ষে দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

মন্ত্রী বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন, অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। এর অংশ হিসেবে পরিবারের নারী প্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। গত ১০ মার্চ ঢাকা থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। পাইলটিং পর্যায়ে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত দেশের আট বিভাগের ৪৪টি জেলার ৫৫টি উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের ৫৭টি ইউনিটে মোট ১ লাখ ১২ হাজার ৯৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। প্রক্সি মিন্স টেস্ট (পিএমটি) স্কোরের ভিত্তিতে নির্বাচিত ৭১ হাজার ৮৩১ জন যোগ্য উপকারভোগীকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়া হয়েছে।

প্রক্সি মিন্স টেস্ট হলো এমন একটি বৈজ্ঞানিক ও পরিসংখ্যানভিত্তিক পদ্ধতি, যার মাধ্যমে সরাসরি আয়ের হিসাব না নিয়ে পরিবারের বিভিন্ন স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ও আর্থসামাজিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে ওই পরিবারের দারিদ্র্য বা সচ্ছলতার মাত্রা নির্ণয় করা হয়।

মন্ত্রী জানান, পাইলটিং কার্যক্রম পরিচালনায় বরাদ্দ করা ৮৬ কোটি ৬০ লাখ টাকার বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৬৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৫৭ কোটি ২০ লাখ টাকা ভাতা হিসেবে দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের জুলাই থেকে কর্মসূচির মূল বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ভাতা হিসেবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ করা প্রক্সি মিন্স টেস্ট পদ্ধতিতে দেশের সব পরিবারকে আর্থসামাজিক অবস্থার ভিত্তিতে পাঁচটি কোয়াইন্টাইলে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো অতিদরিদ্র, দরিদ্র, ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত। পিএমটি স্কোর ৮৬০ বা তার কম নম্বর প্রাপ্ত পরিবারের নারী প্রধান ভাতা পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হবেন। সব পরিবারের নারী প্রধান ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। তবে ভাতা দেওয়া হবে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় কোয়াইন্টাইলভুক্ত অর্থাৎ তুলনামূলক কম স্কোর পাওয়া পরিবারগুলোর নারী প্রধানকে।

মন্ত্রী জানান, তথ্য সংগ্রহে নিয়োজিত কর্মীদের প্রশিক্ষণের প্রথম পর্যায় সম্পন্ন হয়েছে। মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বিশেষায়িত ট্যাবলেটের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করছেন তাঁরা। সংগৃহীত তথ্য সরাসরি অনলাইন ডেটাবেইসে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। কার্যক্রমটি কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য মোবাইল সিম কার্ড সংগ্রহ, নেটওয়ার্কভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা, কর্মী ব্যবস্থাপনা ও নেটওয়ার্ক অপারেশন সেন্টার (এনওসি) স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশব্যাপী আনুমানিক ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে ডেটাবেইসে অন্তর্ভুক্ত করা হবে জানিয়ে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, প্রতি পাঁচজন সদস্যকে একটি পরিবার হিসেবে বিবেচনা করে এ হিসাব নির্ধারণ করা হয়েছে। পরে পিএমটি পদ্ধতিতে ডেটাবেইস থেকে যোগ্য উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছর নতুন ৪০ লাখ পরিবারের নারী প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে পরবর্তী তিন অর্থবছরে যোগ্য সব নারী প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতার আওতায় আনা হবে। উপকারভোগীদের দেওয়া ফ্যামিলি কার্ডে ডুয়েল চিপ, কিউআর কোড ও নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন (এনএফসি) সুবিধা থাকবে। কার্ডটি সরকারের টাকাপের পেমেন্ট ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। এর মাধ্যমে উপকারভোগীরা ব্যাংকের এটিএম বুথ, বিপণিবিতানের পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের (এমএফএস) মাধ্যমে ভাতার টাকা তুলতে পারবেন বলে জানান মন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, সমাজকল্যাণসচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব, তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ উপস্থিত ছিলেন।