ঢাকা ১০:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শূন্য থেকে শিখরে ওঠার গল্প, ‘স্মার্ট উদ্যোক্তা’ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্ন মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার জন্য নয়, রাজনীতি হতে হবে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য : এলজিআরডি মন্ত্রী ৭ নভেম্বর গ্রাম পুলিশ সমাবেশ, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী মানসিক অসুস্থতাকে ঘিরে ভয়, লজ্জা, কুসংস্কার ও বৈষম্য দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ১১ কর্মকর্তার পদোন্নতি ধর্ম যার যার এই বাংলাদেশ সবার: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এখন রিকশাচালক হিসেবে হাজির হয়েছে : চিফ হুইপ নিষেধাজ্ঞার মাঝেও চলছে ইলিশ শিকার নতুন বাজেটে প্রবাসী শ্রমিকদের সুখবর দিল মালয়েশিয়া

মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:৫৮:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ৭ বার

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতা ও সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি তাদের যথাযথ মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পরিবার ও সমাজের সহায়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘দেশের সব নাগরিকের সার্বিক মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

আগামীকাল (শনিবার) বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস-২০২৬ উদ্যাপন উপলক্ষে আজ (শুক্রবার) দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশে দিবসটি পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উদ্যাপনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই।’

এ বছরের বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য ‘জীবনের কথা শুনি, বাস্তব পরিবর্তন আনি’ বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার অভিজ্ঞতা যাদের রয়েছে, তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং নীতিনির্ধারণ ও সেবা পরিকল্পনায় তাদের অভিজ্ঞতা ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়াই এ প্রতিপাদ্যের মূল বার্তা।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য মানুষের সার্বিক সুস্থতা, কর্মক্ষমতা ও জীবনমানের একটি অপরিহার্য অংশ। পরিবর্তিত বিশ্বপরিস্থিতি, অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা, সামাজিক অস্থিরতা, একাকিত্ব, মাদকাসক্তি, পারিবারিক ও কর্মক্ষেত্রের চাপ এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রতিকূলতা মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে। তাই শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, ‘মানসিক সুস্থতাসম্পন্ন ও কর্মক্ষম জাতি গঠনে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে- এ প্রত্যাশা করি।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বর্তমান সরকার মানসিক স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সমন্বিত করার কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা শনাক্ত করা এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের যথাযথ সেবা পৌঁছে দিতে পরিবার ও সমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

এছাড়া ঝাড়ফুঁক বা অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা পদ্ধতির পরিবর্তে যথাযথ চিকিৎসাসেবা গ্রহণের বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শূন্য থেকে শিখরে ওঠার গল্প, ‘স্মার্ট উদ্যোক্তা’ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্ন

মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আপডেট টাইম : ০৮:৫৮:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতা ও সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি তাদের যথাযথ মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পরিবার ও সমাজের সহায়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘দেশের সব নাগরিকের সার্বিক মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

আগামীকাল (শনিবার) বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস-২০২৬ উদ্যাপন উপলক্ষে আজ (শুক্রবার) দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশে দিবসটি পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উদ্যাপনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই।’

এ বছরের বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য ‘জীবনের কথা শুনি, বাস্তব পরিবর্তন আনি’ বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার অভিজ্ঞতা যাদের রয়েছে, তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং নীতিনির্ধারণ ও সেবা পরিকল্পনায় তাদের অভিজ্ঞতা ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়াই এ প্রতিপাদ্যের মূল বার্তা।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য মানুষের সার্বিক সুস্থতা, কর্মক্ষমতা ও জীবনমানের একটি অপরিহার্য অংশ। পরিবর্তিত বিশ্বপরিস্থিতি, অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা, সামাজিক অস্থিরতা, একাকিত্ব, মাদকাসক্তি, পারিবারিক ও কর্মক্ষেত্রের চাপ এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রতিকূলতা মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে। তাই শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, ‘মানসিক সুস্থতাসম্পন্ন ও কর্মক্ষম জাতি গঠনে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে- এ প্রত্যাশা করি।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বর্তমান সরকার মানসিক স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সমন্বিত করার কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা শনাক্ত করা এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের যথাযথ সেবা পৌঁছে দিতে পরিবার ও সমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

এছাড়া ঝাড়ফুঁক বা অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা পদ্ধতির পরিবর্তে যথাযথ চিকিৎসাসেবা গ্রহণের বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।