ঢাকা ০২:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপির বঞ্চিত-অবহেলিত নেতাকর্মীদের নিয়ে ‘ত্যাগী ঐক্য পরিষদ’

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৩৬:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার

“হামলা-মামলা, জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার ত্যাগীদের ঐক্যবদ্ধ করার ঘোষণা”

হাওর বার্তা, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকেও নানা কারণে বঞ্চিত, অবহেলিত ও মূল্যায়ন থেকে পিছিয়ে পড়া নেতাকর্মীদের নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন সংগঠন ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ত্যাগী ঐক্য পরিষদ’।

বিএনপির আদর্শ ও দলীয় গঠনতন্ত্রের প্রতি আস্থাশীল ত্যাগী নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে সংগঠনটি গড়ে তোলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এর নেতারা।

গত শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে সংগঠনটির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সভায় ৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনটির কার্যক্রমের ঘোষণা দেওয়া হয়।

প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের সম্মতিতে নবগঠিত কমিটিতে আ ন ম উল্লাহ সানিকে আহ্বায়ক, আহমদ হোসেন গোরামিয়াকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, মোহাম্মদ আলী হোসেনকে যুগ্ম আহ্বায়ক এবং জিল্লুর রহমানকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।

এ ছাড়া যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে কমিটিতে রয়েছেন—ওহিদুল ইসলাম সানা, মোহাম্মদ জাকের খান, কামরুল জামান আপেল, মনোয়ার হোসেন সিদ্দিকী, এস এম জামাল হোসেন, ইব্রাহিম খলিল মৃধা, মো. মোরাদ হোসেন, ডা. সৈয়দ মোহাম্মদ মহিউদ্দীন, মো. তানভীর সরকার, মো. ফারুক হোসেন ফিরোজ, মো. নজরুল ইসলাম, রাহিয়া বেগম, মো. রেজাউল করিম রেজা, মো. মশদুল ইসলাম ও মো. আনোয়ার হোসেন।

ত্যাগীদের ঐক্যবদ্ধ করাই লক্ষ্য
সংগঠনের ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, বিএনপির আদর্শ ও দলীয় গঠনতন্ত্রের প্রতি অবিচল আস্থাশীল এবং দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে জেল-জুলুম, হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার নেতাকর্মীদের একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসাই ‘ত্যাগী ঐক্য পরিষদ’-এর মূল উদ্দেশ্য।

সংগঠনের নেতাদের দাবি, দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় দলের কঠিন সময়ে যারা রাজপথে ছিলেন, হামলা-মামলা ও নির্যাতন সহ্য করেছেন, তাদের অনেকেই বর্তমানে যথাযথ মূল্যায়ন থেকে বঞ্চিত। ফলে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে হতাশা ও ক্ষোভ।

মূল্যায়নের দাবি ত্যাগীদের
কমিটি অনুমোদনের পর সংগঠনের নেতারা বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে তারা নানাভাবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও দলের আদর্শ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পক্ষে মাঠে থেকেছেন অনেকে। কিন্তু বর্তমানে তাদের অনেকেই কাঙ্ক্ষিত মূল্যায়ন পাচ্ছেন না।

তাদের মতে, যারা দলের দুঃসময়ে পাশে ছিলেন, তাদের মূল্যায়ন করা হলে সাংগঠনিকভাবে বিএনপি আরও শক্তিশালী হবে। ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবহেলা করে কোনোভাবেই একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

নেতারা আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ত্যাগী ঐক্য পরিষদ’ কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়; বরং দলের আদর্শে বিশ্বাসী ত্যাগী ও বঞ্চিত নেতাকর্মীদের ন্যায্য অধিকার, সম্মান ও মূল্যায়নের জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

বিএনপির বঞ্চিত-অবহেলিত নেতাকর্মীদের নিয়ে ‘ত্যাগী ঐক্য পরিষদ’

আপডেট টাইম : ১২:৩৬:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

“হামলা-মামলা, জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার ত্যাগীদের ঐক্যবদ্ধ করার ঘোষণা”

হাওর বার্তা, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকেও নানা কারণে বঞ্চিত, অবহেলিত ও মূল্যায়ন থেকে পিছিয়ে পড়া নেতাকর্মীদের নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন সংগঠন ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ত্যাগী ঐক্য পরিষদ’।

বিএনপির আদর্শ ও দলীয় গঠনতন্ত্রের প্রতি আস্থাশীল ত্যাগী নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে সংগঠনটি গড়ে তোলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এর নেতারা।

গত শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে সংগঠনটির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সভায় ৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনটির কার্যক্রমের ঘোষণা দেওয়া হয়।

প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের সম্মতিতে নবগঠিত কমিটিতে আ ন ম উল্লাহ সানিকে আহ্বায়ক, আহমদ হোসেন গোরামিয়াকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, মোহাম্মদ আলী হোসেনকে যুগ্ম আহ্বায়ক এবং জিল্লুর রহমানকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।

এ ছাড়া যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে কমিটিতে রয়েছেন—ওহিদুল ইসলাম সানা, মোহাম্মদ জাকের খান, কামরুল জামান আপেল, মনোয়ার হোসেন সিদ্দিকী, এস এম জামাল হোসেন, ইব্রাহিম খলিল মৃধা, মো. মোরাদ হোসেন, ডা. সৈয়দ মোহাম্মদ মহিউদ্দীন, মো. তানভীর সরকার, মো. ফারুক হোসেন ফিরোজ, মো. নজরুল ইসলাম, রাহিয়া বেগম, মো. রেজাউল করিম রেজা, মো. মশদুল ইসলাম ও মো. আনোয়ার হোসেন।

ত্যাগীদের ঐক্যবদ্ধ করাই লক্ষ্য
সংগঠনের ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, বিএনপির আদর্শ ও দলীয় গঠনতন্ত্রের প্রতি অবিচল আস্থাশীল এবং দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে জেল-জুলুম, হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার নেতাকর্মীদের একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসাই ‘ত্যাগী ঐক্য পরিষদ’-এর মূল উদ্দেশ্য।

সংগঠনের নেতাদের দাবি, দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় দলের কঠিন সময়ে যারা রাজপথে ছিলেন, হামলা-মামলা ও নির্যাতন সহ্য করেছেন, তাদের অনেকেই বর্তমানে যথাযথ মূল্যায়ন থেকে বঞ্চিত। ফলে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে হতাশা ও ক্ষোভ।

মূল্যায়নের দাবি ত্যাগীদের
কমিটি অনুমোদনের পর সংগঠনের নেতারা বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে তারা নানাভাবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও দলের আদর্শ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পক্ষে মাঠে থেকেছেন অনেকে। কিন্তু বর্তমানে তাদের অনেকেই কাঙ্ক্ষিত মূল্যায়ন পাচ্ছেন না।

তাদের মতে, যারা দলের দুঃসময়ে পাশে ছিলেন, তাদের মূল্যায়ন করা হলে সাংগঠনিকভাবে বিএনপি আরও শক্তিশালী হবে। ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবহেলা করে কোনোভাবেই একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

নেতারা আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ত্যাগী ঐক্য পরিষদ’ কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়; বরং দলের আদর্শে বিশ্বাসী ত্যাগী ও বঞ্চিত নেতাকর্মীদের ন্যায্য অধিকার, সম্মান ও মূল্যায়নের জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।