ঢাকা ১২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
অকেজো ৮ হাজার কোটি টাকার প্রযুক্তি পার্ক কার্যকরের উদ্যোগ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সুখবর দিল মুডিস উইন্ডোজ ১০ ও ১১-এর জন্য জেমিনি অ্যাপ আনল গুগল ইমরানের মুক্তির দাবিতে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের গণতন্ত্র রক্ষা করা এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাত জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় মাথার চুল ফেলে যা বললেন ক্যনসার আক্রান্ত সামিয়া আফরিন সার ডিলারদের কমিশন বাড়ছে, কৃষক পর্যায়ে দাম অপরিবর্তিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন ৩ জন

একটি ইয়ারবাড কতদিন ব্যহবার করা যায়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:১৫:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩৬ বার
তারবিহীন ইয়ারবাড এখন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের নিত্যদিনের সঙ্গী। গান শোনা, ফোনে কথা বলা, ভিডিও দেখা কিংবা অনলাইন মিটিং সবকিছুতেই এর ব্যবহার বেড়েছে।
কিন্তু নিয়মিত ব্যবহারের পর অনেকেই খেয়াল করেন না, ইয়ারবাডটি আর আগের মতো কাজ করছে কি না বা সেটি বদলে ফেলার সময় হয়েছে কি না। আসলে একটি ইয়ারবাডের নির্দিষ্ট কোনো মেয়াদ সবার জন্য এক নয়।
ব্যবহার, যত্ন, ব্যাটারির মান ও ডিভাইসের গুণমানের ওপর এর আয়ু অনেকটাই নির্ভর করে। তবে কিছু লক্ষণ দেখে সহজেই বোঝা যায়, ইয়ারবাডটি আর কতদিন ব্যবহার করা উচিত।
সাধারণত কতদিন চলে?
ভালো মানের একটি ওয়্যারলেস ইয়ারবাড নিয়মিত যত্ন নিলে সাধারণত ২ থেকে ৩ বছর ভালোভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। কিছু মডেল এর চেয়েও বেশি সময় সচল থাকে। তবে ইয়ারবাডের সবচেয়ে দুর্বল অংশগুলোর একটি হলো এর ছোট ব্যাটারি। দীর্ঘদিন চার্জ ও ব্যবহারের ফলে ব্যাটারির সক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে যায়।
প্রথম দিকে যেখানে একবার চার্জে কয়েক ঘণ্টা চলত, কয়েক বছর পর সেটি হয়তো এক-দুই ঘণ্টার মধ্যেই চার্জ শেষ করে দিতে পারে। এমন হলে শুধু ব্যাটারির কারণে পুরো ইয়ারবাড বদলানোর প্রয়োজন হবে কি না, সেটি মডেল ও মেরামতের সুবিধার ওপর নির্ভর করে।
ব্যাটারি দ্রুত শেষ হলে সতর্ক হন
ইয়ারবাড আগের তুলনায় অস্বাভাবিক দ্রুত চার্জ হারালে সেটি ব্যাটারি দুর্বল হওয়ার লক্ষণ হতে পারে। একটি ইয়ারবাড অন্যটির তুলনায় অনেক দ্রুত বন্ধ হয়ে গেলেও ব্যাটারির সমস্যা থাকতে পারে। বিশেষ করে চার্জ দেওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই বারবার চার্জ শেষ হয়ে গেলে নতুন ইয়ারবাড কেনার কথা বিবেচনা করা যায়।
শব্দের মান খারাপ হলে
ইয়ারবাড থেকে আগের মতো পরিষ্কার শব্দ না পাওয়া, এক পাশের আওয়াজ কমে যাওয়া, বারবার শব্দ কেটে যাওয়া বা অস্বাভাবিক ঝিঁঝিঁ শব্দ হওয়াও পুরোনো হয়ে যাওয়ার লক্ষণ হতে পারে। তবে এমন সমস্যা দেখা দিলেই ইয়ারবাড নষ্ট হয়ে গেছে ধরে নেওয়া ঠিক নয়। অনেক সময় স্পিকারের জালি বা সাউন্ড আউটলেটে ময়লা জমলেও শব্দ কমে যায়। তাই প্রথমে সেটি পরিষ্কার করে দেখুন।
চার্জিং সমস্যা হলে
চার্জিং কেসে রাখার পরও ইয়ারবাড চার্জ না হলে কেসের চার্জিং পিন ও ইয়ারবাডের সংযোগস্থল পরিষ্কার করুন। চার্জিং কেস নিজেই ঠিকমতো চার্জ না নিলে কেবল বা অ্যাডাপ্টার পরীক্ষা করুন। এসব করার পরও সমস্যা থাকলে ব্যাটারি বা হার্ডওয়্যারের ত্রুটি থাকতে পারে।
শারীরিক ক্ষতি হলে ব্যবহার বন্ধ করুন
ইয়ারবাডে ফাটল দেখা দিলে, ব্যাটারি ফুলে গেলে, অস্বাভাবিক গরম হলে বা পোড়া গন্ধ পাওয়া গেলে সেটি ব্যবহার করা উচিত নয়। বিশেষ করে ব্যাটারি ফুলে ওঠা বা অতিরিক্ত গরম হওয়ার বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। এমন পরিস্থিতিতে চার্জে লাগিয়ে রাখাও ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
পরিষ্কার রাখলে আয়ু বাড়ে
কানের ময়লা, ঘাম ও ধুলো ইয়ারবাডের স্পিকার ও সেন্সরে জমতে পারে। তাই নিয়মিত শুকনো ও নরম কাপড় বা প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিষ্কার করা উচিত। ইয়ারবাড সরাসরি পানিতে ধোয়া বা অতিরিক্ত তরল ব্যবহার করা যাবে না। ব্যায়াম বা বাইরে ব্যবহারের পরও সম্ভব হলে সেটি শুকনো করে কেসে রাখুন।
ইয়ারবাডের ব্যাটারি ভালো রাখতে অতিরিক্ত গরম পরিবেশে চার্জ না দেওয়াই ভালো। চার্জিং কেস ও ইয়ারবাডকে দীর্ঘ সময় প্রচণ্ড গরম জায়গায় ফেলে রাখা থেকে বিরত থাকুন। প্রস্তুতকারকের দেওয়া বা নির্ধারিত মানের চার্জিং সরঞ্জাম ব্যবহার করাও গুরুত্বপূর্ণ।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

অকেজো ৮ হাজার কোটি টাকার প্রযুক্তি পার্ক কার্যকরের উদ্যোগ

একটি ইয়ারবাড কতদিন ব্যহবার করা যায়

আপডেট টাইম : ১২:১৫:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
তারবিহীন ইয়ারবাড এখন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের নিত্যদিনের সঙ্গী। গান শোনা, ফোনে কথা বলা, ভিডিও দেখা কিংবা অনলাইন মিটিং সবকিছুতেই এর ব্যবহার বেড়েছে।
কিন্তু নিয়মিত ব্যবহারের পর অনেকেই খেয়াল করেন না, ইয়ারবাডটি আর আগের মতো কাজ করছে কি না বা সেটি বদলে ফেলার সময় হয়েছে কি না। আসলে একটি ইয়ারবাডের নির্দিষ্ট কোনো মেয়াদ সবার জন্য এক নয়।
ব্যবহার, যত্ন, ব্যাটারির মান ও ডিভাইসের গুণমানের ওপর এর আয়ু অনেকটাই নির্ভর করে। তবে কিছু লক্ষণ দেখে সহজেই বোঝা যায়, ইয়ারবাডটি আর কতদিন ব্যবহার করা উচিত।
সাধারণত কতদিন চলে?
ভালো মানের একটি ওয়্যারলেস ইয়ারবাড নিয়মিত যত্ন নিলে সাধারণত ২ থেকে ৩ বছর ভালোভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। কিছু মডেল এর চেয়েও বেশি সময় সচল থাকে। তবে ইয়ারবাডের সবচেয়ে দুর্বল অংশগুলোর একটি হলো এর ছোট ব্যাটারি। দীর্ঘদিন চার্জ ও ব্যবহারের ফলে ব্যাটারির সক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে যায়।
প্রথম দিকে যেখানে একবার চার্জে কয়েক ঘণ্টা চলত, কয়েক বছর পর সেটি হয়তো এক-দুই ঘণ্টার মধ্যেই চার্জ শেষ করে দিতে পারে। এমন হলে শুধু ব্যাটারির কারণে পুরো ইয়ারবাড বদলানোর প্রয়োজন হবে কি না, সেটি মডেল ও মেরামতের সুবিধার ওপর নির্ভর করে।
ব্যাটারি দ্রুত শেষ হলে সতর্ক হন
ইয়ারবাড আগের তুলনায় অস্বাভাবিক দ্রুত চার্জ হারালে সেটি ব্যাটারি দুর্বল হওয়ার লক্ষণ হতে পারে। একটি ইয়ারবাড অন্যটির তুলনায় অনেক দ্রুত বন্ধ হয়ে গেলেও ব্যাটারির সমস্যা থাকতে পারে। বিশেষ করে চার্জ দেওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই বারবার চার্জ শেষ হয়ে গেলে নতুন ইয়ারবাড কেনার কথা বিবেচনা করা যায়।
শব্দের মান খারাপ হলে
ইয়ারবাড থেকে আগের মতো পরিষ্কার শব্দ না পাওয়া, এক পাশের আওয়াজ কমে যাওয়া, বারবার শব্দ কেটে যাওয়া বা অস্বাভাবিক ঝিঁঝিঁ শব্দ হওয়াও পুরোনো হয়ে যাওয়ার লক্ষণ হতে পারে। তবে এমন সমস্যা দেখা দিলেই ইয়ারবাড নষ্ট হয়ে গেছে ধরে নেওয়া ঠিক নয়। অনেক সময় স্পিকারের জালি বা সাউন্ড আউটলেটে ময়লা জমলেও শব্দ কমে যায়। তাই প্রথমে সেটি পরিষ্কার করে দেখুন।
চার্জিং সমস্যা হলে
চার্জিং কেসে রাখার পরও ইয়ারবাড চার্জ না হলে কেসের চার্জিং পিন ও ইয়ারবাডের সংযোগস্থল পরিষ্কার করুন। চার্জিং কেস নিজেই ঠিকমতো চার্জ না নিলে কেবল বা অ্যাডাপ্টার পরীক্ষা করুন। এসব করার পরও সমস্যা থাকলে ব্যাটারি বা হার্ডওয়্যারের ত্রুটি থাকতে পারে।
শারীরিক ক্ষতি হলে ব্যবহার বন্ধ করুন
ইয়ারবাডে ফাটল দেখা দিলে, ব্যাটারি ফুলে গেলে, অস্বাভাবিক গরম হলে বা পোড়া গন্ধ পাওয়া গেলে সেটি ব্যবহার করা উচিত নয়। বিশেষ করে ব্যাটারি ফুলে ওঠা বা অতিরিক্ত গরম হওয়ার বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। এমন পরিস্থিতিতে চার্জে লাগিয়ে রাখাও ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
পরিষ্কার রাখলে আয়ু বাড়ে
কানের ময়লা, ঘাম ও ধুলো ইয়ারবাডের স্পিকার ও সেন্সরে জমতে পারে। তাই নিয়মিত শুকনো ও নরম কাপড় বা প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিষ্কার করা উচিত। ইয়ারবাড সরাসরি পানিতে ধোয়া বা অতিরিক্ত তরল ব্যবহার করা যাবে না। ব্যায়াম বা বাইরে ব্যবহারের পরও সম্ভব হলে সেটি শুকনো করে কেসে রাখুন।
ইয়ারবাডের ব্যাটারি ভালো রাখতে অতিরিক্ত গরম পরিবেশে চার্জ না দেওয়াই ভালো। চার্জিং কেস ও ইয়ারবাডকে দীর্ঘ সময় প্রচণ্ড গরম জায়গায় ফেলে রাখা থেকে বিরত থাকুন। প্রস্তুতকারকের দেওয়া বা নির্ধারিত মানের চার্জিং সরঞ্জাম ব্যবহার করাও গুরুত্বপূর্ণ।