ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দফা আলোচনায় খুলতে পারে শান্তির পথ: শাহবাজ শরিফ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩৬:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
  • ৩১ বার

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান দ্বিতীয় দফা সরাসরি আলোচনা ভবিষ্যতে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির ভিত্তি তৈরি করতে পারে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্য-বিবৃতি বাড়লেও পাকিস্তান এখনো মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে এবং দুই পক্ষের মধ্যে আস্থা তৈরির চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

শাহবাজ শরিফ দাবি করেন, ইরান, মার্কিন প্রশাসন এবং উপসাগরীয় দেশগুলো—সব পক্ষই পাকিস্তানের ওপর আস্থা রাখে। তার ভাষায়, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য সংলাপই একমাত্র কার্যকর পথ এবং ইসলামাবাদ সেই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে প্রস্তুত।

তিনি আরও বলেন, “শান্তি সহজে অর্জিত হয় না। এর জন্য প্রয়োজন ধৈর্য, প্রজ্ঞা এবং সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতিতেও সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার মানসিকতা।”

অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনা এখনো ‘বিশ্বাস সংকটে’ ভুগছে। ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক অবিশ্বাস এখনো বড় বাধা হিসেবে রয়ে গেছে।

আরাগচির ভাষায়, “যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস না করার যথেষ্ট কারণ ইরানের আছে, আবার ইরানকে বিশ্বাস করার কারণও আমেরিকার আছে—তবুও আলোচনা এগোচ্ছে এক কঠিন বিশ্বাস সংকটের মধ্য দিয়ে।”

বিশ্লেষকদের মতে, এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা আঞ্চলিক কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, তবে প্রকৃত অগ্রগতি নির্ভর করবে ওয়াশিংটন ও তেহরানের রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর।

তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দফা আলোচনায় খুলতে পারে শান্তির পথ: শাহবাজ শরিফ

আপডেট টাইম : ১০:৩৬:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান দ্বিতীয় দফা সরাসরি আলোচনা ভবিষ্যতে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির ভিত্তি তৈরি করতে পারে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্য-বিবৃতি বাড়লেও পাকিস্তান এখনো মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে এবং দুই পক্ষের মধ্যে আস্থা তৈরির চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

শাহবাজ শরিফ দাবি করেন, ইরান, মার্কিন প্রশাসন এবং উপসাগরীয় দেশগুলো—সব পক্ষই পাকিস্তানের ওপর আস্থা রাখে। তার ভাষায়, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য সংলাপই একমাত্র কার্যকর পথ এবং ইসলামাবাদ সেই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে প্রস্তুত।

তিনি আরও বলেন, “শান্তি সহজে অর্জিত হয় না। এর জন্য প্রয়োজন ধৈর্য, প্রজ্ঞা এবং সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতিতেও সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার মানসিকতা।”

অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনা এখনো ‘বিশ্বাস সংকটে’ ভুগছে। ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক অবিশ্বাস এখনো বড় বাধা হিসেবে রয়ে গেছে।

আরাগচির ভাষায়, “যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস না করার যথেষ্ট কারণ ইরানের আছে, আবার ইরানকে বিশ্বাস করার কারণও আমেরিকার আছে—তবুও আলোচনা এগোচ্ছে এক কঠিন বিশ্বাস সংকটের মধ্য দিয়ে।”

বিশ্লেষকদের মতে, এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা আঞ্চলিক কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, তবে প্রকৃত অগ্রগতি নির্ভর করবে ওয়াশিংটন ও তেহরানের রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর।

তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই