ঢাকা ১২:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মিঠামইনের ওসি মনোয়ারের সাফল্যের দীপ্তিতে আক্ষেপের ছায়া ব্যাটারিচালিত তিন-চাকার যান হঠাৎ বন্ধ নয়, নীতিমালার আওতায় আসছে: প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকার পরিশোধিত জ্বালানি তেল কিনছে সরকার মির্জা আব্বাসের সময়োপযোগী সতর্কবার্তা ‘আমলারা সবাই চোর’ কাণ্ডজ্ঞানহীন বক্তব্য কেন শাকিবের দুই স্ত্রী অপু-বুবলীকে নিয়ে যা বললেন নূতন ‘আলহামদুলিল্লাহ’—বার্সায় যোগ দিয়ে শুকরিয়া আদায় হামজার মালয়েশিয়া গেলেন মির্জা আব্বাস একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ, জানবেন যেভাবে সৌরবিদ্যুতে ঋণ দিতে ৩ প্রতিষ্ঠানকে দেড় হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে সরকার ‘ইনশা আল্লাহ’ বলায় পশ্চিমবঙ্গে আইপিএস কর্মকর্তা বদলি, বিতর্ক

রাজশাহীর আম নামানোর ‘ক্যালেন্ডার’ প্রকাশ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • ৬২ বার

রাজশাহীর আম নামানোর ‘ক্যালেন্ডার’ প্রকাশ করেছে জেলা প্রশাসন। ভেজাল ও রাসায়নিকযুক্ত আম বাজারজাতকরণ রোধে এ ক্যালেন্ডার প্রকাশ করা হয়েছে।

রবিবার (১০ মে) বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আম পরিবহন, সংগ্রহ ও বাজারজাতকরণবিষয়ক মতবিনিময় সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ ‘ক্যালেন্ডার’ প্রকাশ করা হয়। রাজশাহী জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সভায় জানানো হয়, ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার অনুযায়ী সকল প্রকার গুটি আম ১৫ মে, গোপালভোগ ২২ মে, রাণীপছন্দ ও লক্ষ্মণভোগ ২৫ মে, হিমসাগর বা খিরসাপাত ৩০ মে, ব্যানানা ম্যাঙ্গো ও ল্যাংড়া ১০ জুন এবং আম্রপালি ও ফজলি ১৫ জুন থেকে সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া, বারি আম-৪ নামানো হবে ৫ জুলাই, আশ্বিনা ১০ জুলাই এবং গৌড়মতি ১৫ জুলাই। কাটিমন ও বারি আম-১১ জাতের আম সারা বছর বাজারে পাওয়া যাবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, “রাজশাহীর আম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও পরিচিতি পেয়েছে। এ সুনাম ধরে রাখতে হলে অবশ্যই পরিপক্ব আম বাজারজাতকরণ নিশ্চিত করতে হবে।”

জেলা প্রশাসক আরো বলেন, “আমচাষি, ব্যবসায়ী ও কৃষি বিভাগের সমন্বয়ে এই ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার তৈরি করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগে কেউ আম নামিয়ে বাজারজাত করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, “নির্ধারিত সময় মেনে আম সংগ্রহ করা হলে ফলের স্বাদ, রঙ ও পুষ্টিগুণ বজায় থাকে। একইসঙ্গে অপরিপক্ব ও রাসায়নিক ব্যবহার করা আম বাজারে প্রবেশের সুযোগ কমে যায়। এতে ভোক্তা যেমন নিরাপদ ফল পান, তেমনই আমচাষিরাও ন্যায্য মূল্য পেতে পারেন।”

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রাজশাহী কার্যালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবার ১৯ হাজার ৬২ হেক্টর জমিতে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৯৯৩ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্য ধার্য করা হয়েছে। ৩২ টাকা কেজি ধরে যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য ধরা হয়েছে ৭৮০ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

মিঠামইনের ওসি মনোয়ারের সাফল্যের দীপ্তিতে আক্ষেপের ছায়া

রাজশাহীর আম নামানোর ‘ক্যালেন্ডার’ প্রকাশ

আপডেট টাইম : ১১:৩১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

রাজশাহীর আম নামানোর ‘ক্যালেন্ডার’ প্রকাশ করেছে জেলা প্রশাসন। ভেজাল ও রাসায়নিকযুক্ত আম বাজারজাতকরণ রোধে এ ক্যালেন্ডার প্রকাশ করা হয়েছে।

রবিবার (১০ মে) বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আম পরিবহন, সংগ্রহ ও বাজারজাতকরণবিষয়ক মতবিনিময় সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ ‘ক্যালেন্ডার’ প্রকাশ করা হয়। রাজশাহী জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সভায় জানানো হয়, ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার অনুযায়ী সকল প্রকার গুটি আম ১৫ মে, গোপালভোগ ২২ মে, রাণীপছন্দ ও লক্ষ্মণভোগ ২৫ মে, হিমসাগর বা খিরসাপাত ৩০ মে, ব্যানানা ম্যাঙ্গো ও ল্যাংড়া ১০ জুন এবং আম্রপালি ও ফজলি ১৫ জুন থেকে সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া, বারি আম-৪ নামানো হবে ৫ জুলাই, আশ্বিনা ১০ জুলাই এবং গৌড়মতি ১৫ জুলাই। কাটিমন ও বারি আম-১১ জাতের আম সারা বছর বাজারে পাওয়া যাবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, “রাজশাহীর আম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও পরিচিতি পেয়েছে। এ সুনাম ধরে রাখতে হলে অবশ্যই পরিপক্ব আম বাজারজাতকরণ নিশ্চিত করতে হবে।”

জেলা প্রশাসক আরো বলেন, “আমচাষি, ব্যবসায়ী ও কৃষি বিভাগের সমন্বয়ে এই ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার তৈরি করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগে কেউ আম নামিয়ে বাজারজাত করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, “নির্ধারিত সময় মেনে আম সংগ্রহ করা হলে ফলের স্বাদ, রঙ ও পুষ্টিগুণ বজায় থাকে। একইসঙ্গে অপরিপক্ব ও রাসায়নিক ব্যবহার করা আম বাজারে প্রবেশের সুযোগ কমে যায়। এতে ভোক্তা যেমন নিরাপদ ফল পান, তেমনই আমচাষিরাও ন্যায্য মূল্য পেতে পারেন।”

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রাজশাহী কার্যালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবার ১৯ হাজার ৬২ হেক্টর জমিতে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৯৯৩ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্য ধার্য করা হয়েছে। ৩২ টাকা কেজি ধরে যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য ধরা হয়েছে ৭৮০ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।