ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

যুদ্ধের আগে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছিল না: মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যে ফাঁস

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩৬:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • ৩৫ বার

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সাম্প্রতিক যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এক বিস্ফোরক দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কাউন্টার টেররিজম সেন্টারের (এনসিসি) সাবেক প্রধান জো কেন্ট। তিনি জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর আগে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো একমত ছিল যে তেহরান কোনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছিল না।

মেহের নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জো কেন্ট গত বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) একটি পোস্টে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করেন। তার মতে, ইসরায়েল এবং একটি বিশেষ বিদেশী শক্তির এজেন্ডার কারণেই যুক্তরাষ্ট্রকে এই যুদ্ধে বাধ্য করা হয়েছে।

জো কেন্ট তার পোস্টে উল্লেখ করেন, “এই যুদ্ধের অন্যতম বড় ট্র্যাজেডি হলো, যুদ্ধ শুরুর আগে সিআইএ-সহ মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো নিশ্চিত ছিল যে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র বানাচ্ছে না। এমনকি গোয়েন্দারা আগে থেকেই সতর্ক করেছিল যে, হামলা হলে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করবে এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেবে।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, গোয়েন্দা তথ্যের সঠিকতা উপেক্ষা করে ইসরায়েলি চাপের মুখে ট্রাম্প প্রশাসন এই যুদ্ধে জড়িয়েছে। উল্লেখ্য, এই অযৌক্তিক যুদ্ধের প্রতিবাদে গত মার্চ মাসে পদত্যাগ করেছিলেন জো কেন্ট। তার পদত্যাগপত্রে তিনি স্পষ্ট লিখেছিলেন, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রে তাদের শক্তিশালী লবির চাপে এই যুদ্ধ শুরু করা হয়েছে যা আমেরিকার নিরাপত্তার জন্য জরুরি ছিল না।

২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তথাকথিত ‘পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি’র অজুহাতে ইরানের ওপর এই হামলা শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। দীর্ঘ ৪০ দিনের এই ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের পর এখন খোদ মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তাদের এমন স্বীকারোক্তি আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

যুদ্ধের আগে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছিল না: মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যে ফাঁস

আপডেট টাইম : ১১:৩৬:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সাম্প্রতিক যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এক বিস্ফোরক দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কাউন্টার টেররিজম সেন্টারের (এনসিসি) সাবেক প্রধান জো কেন্ট। তিনি জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর আগে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো একমত ছিল যে তেহরান কোনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছিল না।

মেহের নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জো কেন্ট গত বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) একটি পোস্টে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করেন। তার মতে, ইসরায়েল এবং একটি বিশেষ বিদেশী শক্তির এজেন্ডার কারণেই যুক্তরাষ্ট্রকে এই যুদ্ধে বাধ্য করা হয়েছে।

জো কেন্ট তার পোস্টে উল্লেখ করেন, “এই যুদ্ধের অন্যতম বড় ট্র্যাজেডি হলো, যুদ্ধ শুরুর আগে সিআইএ-সহ মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো নিশ্চিত ছিল যে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র বানাচ্ছে না। এমনকি গোয়েন্দারা আগে থেকেই সতর্ক করেছিল যে, হামলা হলে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করবে এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেবে।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, গোয়েন্দা তথ্যের সঠিকতা উপেক্ষা করে ইসরায়েলি চাপের মুখে ট্রাম্প প্রশাসন এই যুদ্ধে জড়িয়েছে। উল্লেখ্য, এই অযৌক্তিক যুদ্ধের প্রতিবাদে গত মার্চ মাসে পদত্যাগ করেছিলেন জো কেন্ট। তার পদত্যাগপত্রে তিনি স্পষ্ট লিখেছিলেন, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রে তাদের শক্তিশালী লবির চাপে এই যুদ্ধ শুরু করা হয়েছে যা আমেরিকার নিরাপত্তার জন্য জরুরি ছিল না।

২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তথাকথিত ‘পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি’র অজুহাতে ইরানের ওপর এই হামলা শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। দীর্ঘ ৪০ দিনের এই ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের পর এখন খোদ মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তাদের এমন স্বীকারোক্তি আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।