উপজেলা পরিষদ আইন ঘেঁটে দেখা গেছে, তাদের মূল কাজ ১৭টি, সঙ্গে রয়েছে ৩৮ রকমের দায়িত্ব। এতে চেয়ারম্যানের ১৩টি, ভাইস চেয়ারম্যানের ১২টি আর মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের ১৩টি দায়িত্ব বণ্টন করা আছে।
এর মধ্যে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ভূমিকা রাখা, যোগাযোগ ও ভৌত অবকাঠামো, কৃষি, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ, যুব ও ক্রীড়া, সমাজকল্যাণ, মহিলা ও শিশু, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং সংস্কৃতির উন্নয়ন। এসব কাজে প্রয়োজনীয় আর্থিক সংস্থানের ক্ষমতা উপজেলা পরিষদের হাতে না থাকায় তারা কোনো ভূমিকাই রাখতে পারেন না।
১৯৯১ সালের মার্চে ক্ষমতায় আসার পর খালেদা জিয়ার সরকার উপজেলা পরিষদ বাতিল করে। পরে আওয়ামী লীগ সরকার ১৯৯৮ সালে উপজেলা পরিষদ আইন করলেও নির্বাচনের ব্যবস্থা করেনি। ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার অধ্যাদেশ জারি করে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আয়োজন করে।
পরে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে এই অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করেনি। এতে করে যে অধ্যাদেশবলে উপজেলা পরিষদের জনপ্রতিনিধিরা নির্বাচিত হয়েছিলেন, তারা আর সে অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। পরে আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদ আইন করে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের উপদেষ্টা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে। এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের উপজেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
ফলে উপজেলা পরিষদ কার্যত সংসদ সদস্যদের দয়া ও সরকারি কর্মকর্তাদের কর্তৃত্বে চলে যায়। ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ সরকার দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন করে।
Reporter Name 
























