ঢাকা ০৭:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন আওয়ামী আমলের আমলনামা উন্নয়নের আড়ালে ২৮ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ২৯ অক্টোবর মধ্য রাত থেকে উঠে যাচ্ছে ইলিশ রক্ষার নিষেধাজ্ঞা স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে জুবাইদা রহমানের আহ্বান কৃষিতেও বাড়ছে খেলাপির চাপ ৩১ অক্টোবর লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছ: হুমায়ূন কবির আইজিপি সহজ-সরল মানুষ, ক্রসফায়ার নিয়ে বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ায় সামরিক চুক্তিতে বাধ্য করার প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ

চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার, ১০ মোটরসাইকেল উদ্ধার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৭:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ১০৭ বার

কুড়িগ্রামে সক্রিয় একটি মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় চক্রটির কাছ থেকে চুরি হওয়া ১০টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, তথ্যপ্রযুক্তি ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে এ সাফল্য এসেছে।

পুলিশ জানায়, গত ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত কুড়িগ্রাম সদর থানা এলাকায় কোর্ট চত্বর, নিউরন ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সদর হাসপাতালের সামনে ও জিয়া বাজার এলাকা থেকে অন্তত চারটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। এর মধ্যে ১৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় হাসপাতালপাড়া এলাকায় নিউরন ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভেতর থেকে একটি টিভিএস অ্যাপাচি ১৬০ সিসি মোটরসাইকেল চুরি হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নাজমুল ইসলাম কুড়িগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তে পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বির দিকনির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাসুদ রানার তত্ত্বাবধানে একটি দল অভিযান চালায়। পরে গাজীপুরের কাশিমপুর এলাকা থেকে শাহজামাল ওরফে বাবু ও নুর ইসলামকে একটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ গ্রেফতার করা হয়।

তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লালমনিরহাট, উলিপুর, নাগেশ্বরী ও ফুলবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও কয়েকজনকে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন- খাইরুল ইসলাম বাবু, রেজাউল হাসান ওরফে বারেক, রফিকুল ইসলাম, মিটুল মিয়া, আজিজুল হক, আনিছুর রহমানসহ অনেকে।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, চক্রের সদস্যরা দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা শহর থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে কম দামে বিক্রি করতেন। পরে অন্য সদস্যরা ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে সেগুলো বেশি দামে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করতেন।

এ ঘটনায় কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট সদর ও রাজারহাট থানায় মোট চারটি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে তিনজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

উদ্ধার করা মোটরসাইকেলের মধ্যে দুটি ইতোমধ্যে প্রকৃত মালিক শনাক্ত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একটি মোটরসাইকেল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হেফাজতে রয়েছে। বাকি সাতটি মোটরসাইকেল কুড়িগ্রাম থানার হেফাজতে রেখে মালিকানা যাচাই করা হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, যাচাই-বাছাই শেষে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত মালিকদের কাছে মোটরসাইকেলগুলো ফেরত দেওয়া হবে।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন

চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার, ১০ মোটরসাইকেল উদ্ধার

আপডেট টাইম : ১১:১৭:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

কুড়িগ্রামে সক্রিয় একটি মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় চক্রটির কাছ থেকে চুরি হওয়া ১০টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, তথ্যপ্রযুক্তি ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে এ সাফল্য এসেছে।

পুলিশ জানায়, গত ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত কুড়িগ্রাম সদর থানা এলাকায় কোর্ট চত্বর, নিউরন ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সদর হাসপাতালের সামনে ও জিয়া বাজার এলাকা থেকে অন্তত চারটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। এর মধ্যে ১৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় হাসপাতালপাড়া এলাকায় নিউরন ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভেতর থেকে একটি টিভিএস অ্যাপাচি ১৬০ সিসি মোটরসাইকেল চুরি হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নাজমুল ইসলাম কুড়িগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তে পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বির দিকনির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাসুদ রানার তত্ত্বাবধানে একটি দল অভিযান চালায়। পরে গাজীপুরের কাশিমপুর এলাকা থেকে শাহজামাল ওরফে বাবু ও নুর ইসলামকে একটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ গ্রেফতার করা হয়।

তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লালমনিরহাট, উলিপুর, নাগেশ্বরী ও ফুলবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও কয়েকজনকে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন- খাইরুল ইসলাম বাবু, রেজাউল হাসান ওরফে বারেক, রফিকুল ইসলাম, মিটুল মিয়া, আজিজুল হক, আনিছুর রহমানসহ অনেকে।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, চক্রের সদস্যরা দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা শহর থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে কম দামে বিক্রি করতেন। পরে অন্য সদস্যরা ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে সেগুলো বেশি দামে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করতেন।

এ ঘটনায় কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট সদর ও রাজারহাট থানায় মোট চারটি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে তিনজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

উদ্ধার করা মোটরসাইকেলের মধ্যে দুটি ইতোমধ্যে প্রকৃত মালিক শনাক্ত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একটি মোটরসাইকেল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হেফাজতে রয়েছে। বাকি সাতটি মোটরসাইকেল কুড়িগ্রাম থানার হেফাজতে রেখে মালিকানা যাচাই করা হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, যাচাই-বাছাই শেষে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত মালিকদের কাছে মোটরসাইকেলগুলো ফেরত দেওয়া হবে।