ঢাকা ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

আমাদের পরিবারের কেউ না কেউ কৃষির সাথে জড়িত: প্রধানমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ বার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শতকরা এ দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ কৃষির সাথে জড়িত। আমাদের পরিবারের কেউ না কেউ কৃষির সাথে জড়িত। বাংলাদেশের ৪ কোটি পরিবারের কেউ না কেউ কৃষির সাথে সম্পর্কিত। এ দেশের প্রধান পেশাই হল কৃষি। ২২ হাজার কৃষকে আমরা প্রথম পর্যায়ে কৃষক কার্ডের সুবিধা পৌঁছে দিতে চাচ্ছি।

মঙ্গলবার দুপুর টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি কৃষক কার্ড বিতরণ ও প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধনের প্রধান অতিথির বক্তব্যের তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, এদেশের মানুষের আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা আজকে আমরা উদ্বোধন করলাম। নির্বাচনের পূর্বে দেশের মানুষের কাছে আমরা যে সকল প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তার মধ্যে কৃষক কার্ডও ছিলো। বাংলাদেশের ১২ লাখ কৃষকদের সুদসহ ১০ হাজার টাকা কৃষি ঋণের মওকুফের আওতায় সুবিধা পেয়েছে। ১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়া সরকার গঠনের পর ৫ হাজার টাকা করে কৃষি ঋণ মওকুফ করে দিয়েছিলেন। শহীদ জিয়াউর রহমানের খাল খননের কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিলো। কৃষি উৎপাদন দ্বিগুন হয়েছিলো।

তিনি বলেন, এদেশের কৃষক যদি বেচে থাকে, তাহলে বাংলাদেশের ও বাংলাদেশর মানুষ ভালো থাকতে পারবে। বর্তমান সরকারের লক্ষ্যই হচ্ছে কৃষককে আত্মনির্ভরশীল ও স্বচ্ছল হিসেবে গড়ে তোলা। সে জন্য আমরা কৃষি কার্ড দিয়েছি। এই কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের সরাসরি ১০ সুবিধা পৌঁছে দিতে পারবো। শহীদ জিয়াউর রহমানের খাল খননের মাধ্যমে কৃষকদের সেচের সুবিধা আনা হয়েছিলো।

কৃষি, মৎস ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মৎস ও প্রাণি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।

এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ।  এছাড়া একজন কৃষক ও কৃষাণী বক্তব্য রাখেন। এসময় ১৫ জনকে কৃষককে নিজ হাতে প্রধানমন্ত্রী কৃষি কার্ড বিতরণ করবেন এবং গাছের চারা তুলে দেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আরো ৯ উপজেলায় কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তা, প্রশাসনের উদ্ধর্তন কর্মকর্তা, সংসদ সদস্য, কৃষক ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী দুপুরে শহরের পৌর উদ্যানে আয়োজিত কৃষি মেলায় উদ্বোধন করেন ও স্টল পরিদর্শন করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

আমাদের পরিবারের কেউ না কেউ কৃষির সাথে জড়িত: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১১:১৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শতকরা এ দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ কৃষির সাথে জড়িত। আমাদের পরিবারের কেউ না কেউ কৃষির সাথে জড়িত। বাংলাদেশের ৪ কোটি পরিবারের কেউ না কেউ কৃষির সাথে সম্পর্কিত। এ দেশের প্রধান পেশাই হল কৃষি। ২২ হাজার কৃষকে আমরা প্রথম পর্যায়ে কৃষক কার্ডের সুবিধা পৌঁছে দিতে চাচ্ছি।

মঙ্গলবার দুপুর টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি কৃষক কার্ড বিতরণ ও প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধনের প্রধান অতিথির বক্তব্যের তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, এদেশের মানুষের আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা আজকে আমরা উদ্বোধন করলাম। নির্বাচনের পূর্বে দেশের মানুষের কাছে আমরা যে সকল প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তার মধ্যে কৃষক কার্ডও ছিলো। বাংলাদেশের ১২ লাখ কৃষকদের সুদসহ ১০ হাজার টাকা কৃষি ঋণের মওকুফের আওতায় সুবিধা পেয়েছে। ১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়া সরকার গঠনের পর ৫ হাজার টাকা করে কৃষি ঋণ মওকুফ করে দিয়েছিলেন। শহীদ জিয়াউর রহমানের খাল খননের কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিলো। কৃষি উৎপাদন দ্বিগুন হয়েছিলো।

তিনি বলেন, এদেশের কৃষক যদি বেচে থাকে, তাহলে বাংলাদেশের ও বাংলাদেশর মানুষ ভালো থাকতে পারবে। বর্তমান সরকারের লক্ষ্যই হচ্ছে কৃষককে আত্মনির্ভরশীল ও স্বচ্ছল হিসেবে গড়ে তোলা। সে জন্য আমরা কৃষি কার্ড দিয়েছি। এই কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের সরাসরি ১০ সুবিধা পৌঁছে দিতে পারবো। শহীদ জিয়াউর রহমানের খাল খননের মাধ্যমে কৃষকদের সেচের সুবিধা আনা হয়েছিলো।

কৃষি, মৎস ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মৎস ও প্রাণি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।

এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ।  এছাড়া একজন কৃষক ও কৃষাণী বক্তব্য রাখেন। এসময় ১৫ জনকে কৃষককে নিজ হাতে প্রধানমন্ত্রী কৃষি কার্ড বিতরণ করবেন এবং গাছের চারা তুলে দেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আরো ৯ উপজেলায় কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তা, প্রশাসনের উদ্ধর্তন কর্মকর্তা, সংসদ সদস্য, কৃষক ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী দুপুরে শহরের পৌর উদ্যানে আয়োজিত কৃষি মেলায় উদ্বোধন করেন ও স্টল পরিদর্শন করেন।