শিক্ষা প্রশাসনে শুদ্ধি অভিযানের অংশ হিসেবে বড় ধরনের রদবদল এনেছে সরকার। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো এ পরিবর্তন আনা হলো, যেখানে দেশের দুই গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দপ্তরের শীর্ষ পদে নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং সরিয়ে দেওয়া হয়েছে আলোচিত কর্মকর্তাদের।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)-এর সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) ড. রিয়াদ চৌধুরীকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। তাকে কুমিল্লা সরকারি কলেজে সংযুক্ত করা হয়েছে। ১৪তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে পাঠ্যবই মুদ্রণে অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পছন্দের প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ ছিল।
তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে এনসিটিবির নতুন সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) পদে দায়িত্ব পেয়েছেন উৎপাদন নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক আবু নাসের টুকু। প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যবই সময়মতো ও মানসম্মতভাবে ছাপানোর ক্ষেত্রে দক্ষতা প্রদর্শনের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)-এর ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ও পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) বি এম আব্দুল হান্নানকেও ওএসডি করা হয়েছে। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন ফরিদপুর সরকারি আইন উদ্দিন কলেজের অধ্যক্ষ মো. নাজমুল হক।
এ ছাড়া চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে সচিব পদে নিয়োগ পেয়েছেন মোহাম্মদ জহিরুল হক স্বপন এবং দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হিসেবে প্রেষণে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে মো. বোরহান উদ্দীনকে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, বদলিকৃত কর্মকর্তাদের আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তর না করলে ওই দিন বিকেল থেকেই তাদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবমুক্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।
Reporter Name 



















