লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের গোলাগুলির ঘটনায় জড়িত ৮ জনকে আটক করা হয়ছে। পরে তাদেরকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে লক্ষ্মীপুর আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (২৬ মার্চ) রাতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (অর্থ ও প্রশাসন) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমী বলেন, আটকদেরকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। ঘটনার সময় গুলিবিদ্ধ আব্দুর রহিম ঢাকায় চিকিৎসাধীন। তিনি আসলে মামলা হবে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- দিদারুল ইসলাম মেহেরাজ, আব্দুর রহমান আকাশ, সাজ্জাদ হোসেন রিফাত, আয়ান হোসেন মিলন, আরিফ হোসেন, হৃদয় হোসেন, মো. সাকিব ও মেহেরাজ হোসেন ইমন। তারা দেওপাড়া, লতিফপুর, পশ্চিম লতিফপুর ও পাঁচপাড়া এলাকার বাসিন্দা। বুধবার (২৫ মার্চ) দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদেরকে আটক করে। পরে বিকেলে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের দেওপাড়া গ্রাম ও শেখপুর গ্রামের লোকজনের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সোমবার (২৩ মার্চ) ঝামেলা হয়। এর জের ধরেই মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাত ৯টার দিকে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ের সামনে চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিম বাজারে আফজাল রোডে উভয়পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে দেওপাড়া গ্রামের নেতৃত্বে রাকিব পাটওয়ারী ও শেখপুর গ্রামে মিতুল নামে একজন নেতৃত্ব দেয়। রাকিবের লোকজন অস্ত্রধারী ছিল। তিনি হত্যা ও অস্ত্র মামলার আসামি বলে জানা গেছে।
ঘটনার সময় আব্দুর রহিম (৫০) নামে এক পথচারীর বাম পায়ে গুলিবিদ্ধ হয় এবং মানিককে এলোপাতাড়ি চেইন দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। পরে তাদেরকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা। গুলিবিদ্ধ আব্দুর রহিম শেখপুর গ্রামের শামছুল হকের ছেলে ও পেশায় গাছ ব্যবসায়ী এবং আহত মানিক সদর উপজলার চরশাহী ইউনিয়নের পূর্ব জাফরপুর গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে।
Reporter Name 
























